Sunday, July 10, 2016

isis -- the lastest zionist psyops (blog in bengali)

hasnat karim
আগে খুব উৎসাহ নিয়ে লিখতাম যে খুব অসাধারণ সব তথ্য শেয়ার করে বাঙালি জাতিকে মগজ ধোলাই থেকে বের করে আনব, কিন্তু গত কয়েক বছরের প্রচেষ্টার পর বুঝতে পারলাম যে ব্যাপারটা অতটা সরল নয়। আমরা যতটা সহজে মগজ ধোলাই বা কন্সপিরেসি থিওরি জাতীয় টার্মগুলা ব্যবহার করি, এই টার্মগুলা দিয়ে আমরা যে জিনিষগুলাকে রেফার করি, সেগুলা আসলে অনেক বেশি গভীর। প্রত্যেকটা মানুষ একসেট ধারণা নিয়ে চলে। একজন হিন্দু ব্যক্তির ধারণার সেট একজন মুসলমানের ধারণার সেট থেকে আলাদা। এই কারণে এদের চলাফেরা, ধ্যানধারণা কিছুটা আলাদা হয়। কিন্তু একটা মজার ব্যাপার খেয়াল করলাম মুসলমানদের কারণে হিন্দুরা সামহাউ ওদের নিজের ধর্মটাকে ভুলে গেছে। আমার জানামতে, সনাতন ধর্ম আসলে কোন ধর্মই ছিলনা। এটা ছিল বঙ্গ এবং এর আশেপাশের এলাকার একটা সমষ্টিগত প্রজ্ঞা বা উইজডম। পরবর্তীতে বিদেশী শাসকরা ভারতবর্ষে আমদানি করে ইসলাম ধর্ম যেটা এখন আমরা জানি যে ভ্যাটিকা্ন চার্চের গোপন সহায়তায় প্রচার ও প্রসার লাভ করেছিল। মানুষ ধর্মান্তরিত হয় অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক কারণে, বা অন্যভাবে বললে জানের ভয়ে। আজকে যদি আমাদের র-আম্লিক সরকার ঘোষণা দেয় যে বাংলাদেশে সবাইকে মুসলিম হওয়া বাধ্যতামূলক, তাহলে কিছু লোক দেশ ছেড়ে চলে গেলেও, অনেকেই মুসলমান হয়ে যেতে বাধ্য হবে। তারপর দুই-তিন জেনারেশন পার হওয়ার পর আর কারও মনে থাকবে না যে তাদের পূর্বপুরুষ কি ছিল। এভাবেই বিভিন্ন ধর্ম পৃথিবীতে বিস্তার পেয়ে এসেছে।

এইমাত্র যা বললাম, এটার মর্মার্থ কিন্তু অনেকেই বুঝতে পারেননি, এবং বোঝার কথাও না। লক্ষ্য করেন, যে ধর্মান্তরিত হওয়ার পিছনে কোন গভীর যুক্তি বা তত্ত্ব কিন্তু কাজ করছে না। এখানে কোন ধরণের স্পিরিচুয়াল অ্যাওয়েকেনিং হয়নি। শুধুমাত্র সারভাইভালের কারণে মানুষ এক ধর্ম থেকে আরেক ধর্মে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। কিন্থু ২/৩ জেনারেশন পার হওয়ার পর যখন সবাই ঐ কারণটা ভুলে যায়, তখন কিন্তু সামাজিক আর পারিবারিক কাঠামোর কারণে সহজাতভাবে পূর্বপুরুষের ধর্মটাই অবলম্বন করে ফেলে। এটা নিয়ে আর দুবার চিন্তা করার অবকাশ কিন্তু কাউকে দেয়া হয়না। কেউ কিন্তু একটা শিশুকে বলে না, "এই যে বাছা, এখানে ২০টা প্রধান ধর্মের বিবরণ আছে, তুমি এখান থেকে তোমার যেটা ভাল লাগে সেটা নিজে চয়েস করে নাও।"

তো পরবর্তীতে কি হয়? দেখা যায় এই বাচ্চাটা বড় হয়ে বিভিন্ন পরিবেশের সম্মুখীন হয় যেখানে তার নিজের ধর্মটাকে বিভিন্নভাবে ডিফেন্ড করতে হয়। তখন সে হয়ত তার ধর্মটা নিয়ে পড়াশুনা করে। অথবা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে সে জীবনে বড় একটা ধাক্কা খেয়ে ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়ে। মানুষজন তাকে বুঝায় যে সে ধর্ম মানেনি বলেই তার জীবনে এরকম ধাক্কা এসেছে, ইত্যাদি। এভাবে নানা কারণে একজন তার ধর্ম সম্পর্কে আস্তে আস্তে জানতে থাকে। এর পরে সে কোন ধর্ম বিষয়ক আলচনায় গেলে তার ধর্মের বিভিন্ন সমালোচনা শুনে সেগুলাকে কিভাবে জাস্টিফাই করতে হয় সেগুলা শিখে ফেলে এবং এভাবেই ধীরে ধীরে ধর্মের সাথে তার আত্মীয়তা গভীর থেকে গভীরতর হয়ে শেষ বয়সে সে খুব ধার্মিক একটা মন নিয়ে মৃত্যুবরণ করে। এটা আমরা প্রায়শই দেখি।

এই ধার্মিক ব্যক্তিটির কিন্তু মৃত্যুর সময়ে কখনও মনে পড়েনা যে তিন জেনারেশন আগে তার পূর্বপুরুষ জানের ভয়ে এই ধর্মটা অবলম্বন করেছিল।

এইটুকু পড়ার পর কি আপনাদের কারও মনে হয় যে আমার কথার সত্যতা বুঝতে পেরে কেউ তার নিজের ধর্ম সম্পর্কে তার যে ইমোশন, সেটা নিয়ে লজ্জিত হবে? তা হবে না কারণ মানুষ আসলে খুব বেশি চিন্তাশীল প্রাণী নয়। অধিকাংশ মানুষ খুব অল্প বুদ্ধি ব্যবহার করে চলে। অনেকেই আমার উপর প্রচণ্ড রেগে গিয়ে গালাগালি করবে অথবা আমাকে মেরে ফেলতে চাইবে। ইতিহাসে আমরা বারবার একই জিনিষ দেখে গেছি যে উচ্চতর চিন্তার মানুষকে মানবতা কখনও সহ্য করতে পারেনা। এদেরকে সাধারণত একঘরে করে দেয়া হয় বা মেরে ফেলা হয়। কিন্তু আবার নিজেই নিজেকে উচ্চতর চিন্তার মানুষ বলে লজ্জা দেয়াটাও বোকামি হবে। যাহোক এবার আপনাদের আরেকটা দিক বলি।

ধরেন ঐ তিন পুরুষ আগে এই ধার্মিক ব্যাক্তির পূর্বপুরুষ ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বী। তাদের কিছু উত্তরসূরিদের অন্য কোন দেশে বা কালচারে বড় হওয়ার কারণে ধর্মান্তরিত হতে হয়নি। তো এই পক্ষ ঐ ধর্মান্তরিত পক্ষের কাণ্ডকারখানা দেখতে দেখতে আর তার সমালোচনা করতে করতে আস্তে আস্তে ঐ বিপরীত পক্ষের মতই আচরণ করা শুরু করল। এবং এক পর্যায়ে দেখা গেল যে দুইপক্ষ সারাক্ষণ একদল আরেকদলের সমালোচনা আর গালাগালিতেই ব্যস্ত। দুই পক্ষের আচরণে আর তেমন কোন তফাৎ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। এই দৃশ্য কি কেউ কখনও দেখেছেন?

এরপর আমাদের মডার্ন যুগে তৈরি হল নাস্তিক-ব্লগার কাল্ট। বাংলাদেশের অতিধর্মীয়তার কারনে এই নাস্তিক কাল্টটার জন্ম অবধারিত ছিল কারণ ইউনিভারসে প্রতিটা শক্তির বিপরিতে তৈরি হয় একটা প্রতিশক্তি। কিন্তু দেখা গেল, সেকুলার চিন্তা করা সত্ত্বেও, এরা ফ্যানাটিসিজমের কাদায় পড়ে একধরণের অ্যান্টি-ফ্যানাটিক ফ্যানাটিসিজমের স্বীকার হয়ে গিয়ে, ঠিক উপরের দুই পক্ষের মতই, এই আস্তিক-নাস্তিক দুই পক্ষের আচরণও হুবহু একই রকম হওয়া শুরু করলো। এ ওকে গালি দেয়, আর ও একে, এর বেশি কিছু নয়। বছর শেষে ঈদ আসলে, দুই পক্ষই বাসায় সেমাই খায়।

এই তিন পক্ষের সাথে এখন আপনি যোগ দেন একটা চতুর্থ গ্রুপ যার নাম কম্যুনিস্ট পক্ষ যারা সাধারনত নাস্তিক হওয়ার কথা। এই পক্ষ সাধারণত ক্যাপিটালিজম আর ইম্পিরিয়ালিজমের ডার্ক রিয়্যালিটিটা কিছুটা বুঝতে পারে, কিন্তু বলশেভিক রেভোলুশন যে রথসচাইল্ডদের সাইঅপ্স ছিল এটা না জানার কারণে একটা কমন ফাঁদে পড়ে যায় এবং একটা ডেলুশনাল কৃষক-শ্রমিক রেভোলুশনের স্বপ্ন দেখতে থাকে।

এতক্ষণ যা বললাম এই প্রেক্ষাপটটা আপনারা মাথায় রাখেন। এটা কিন্তু একধরণের হিংসামি আর গালাগালির কালচার যেখানে সব গ্রুপের শিয়ালের কমবেশি একই রা -- আমার ধর্ম তোর ধর্মের চেয়ে একশো গুণ ভাল। তোরা এইটা এইটা খারাপ কাম করসোস, আর আমরা এইটা এইটা ভাল কাম করসি। মোটামুটি সবাই এই মেন্টালিটি নিয়ে বসে আছে। এ কয় তুই বেশি খারাপ, ও কয় না তুই।

এর মধ্যে মোটামুটি ২০-২৫ বছর আগে অ্যামেরিকা থেকে খবর আসলো যে মধ্যপ্রাচ্যের আরবরা খুব বর্বর এবং জঙ্গি। একদিকে ব্যালফোর ডেক্লারেশনের মাধ্যমে রথসচাইল্ড কাবাল শুরু করলো প্যালেস্টাইন ধ্বংস করে ইজরাইল তৈরির কাজ, আর অন্যদিকে বিভিন্ন ইসলামিক দেশে অ্যামেরিকার রেজিম চেঞ্জ অ্যাজেন্ডা কার্যকরী হয়ে তৈরি হল সালাফি, ওয়াহাবি, ডনমে, তালিবান, এবং শেষের দিকে ৯/১১ জায়োনিস্ট ফলস্ফল্যাগের পরে আমরা প্রেসিডেন্ট বুশের মুখে শুনতে পেলাম একটা নতুন নাম -- আল কায়িদা। বুশ বলল যে এই আল কায়িদা ৯/১১ টুইন টাওয়ার ক্র্যাশ ঘটাইসে। এর পরবর্তী ১৫ বছরে বিভিন্ন কন্সপিরেসি থিয়োরিস্ট আর ইনভেস্টিগেটররা গবেষণা করে সন্দেহাতীতভাবে বের করে ফেলে যে বুশ মিথ্যা কথা বলেছিল। আল কায়িদা নামে আসলে কিছু নাই। কিন্তু তাতে কিছু যায় আসেনা কারণ বুশের মুখ থেকে ঐ আল-কায়িদা নামটা শুনে আমাদের উপরের ঐ চার গ্রুপকে এটা নিয়ে যুদ্ধ করতে দেখে গত পনেরো বছরে সিয়াইএ বেশ কয়েকটা দেশে এই নামে কিছু জঙ্গি গ্রুপ তৈরি করে ফেলসে। এখন স্বভাবতই সবাই ভুলে গেছে যে আল কায়িদা নামে তো আসলে কোন সংগঠন ছিল না। ওটা বুশ মিথ্যা বলেছিল। কিন্তু কে শোনে কার কথা?

ইন ফ্যাক্ট, আল কায়িদা নামটার সাফল্য দেখে সিয়াইএ এটাকে আরও এক্সপ্যান্ড করে খুব হাই বাজেট একটা নতুন সাইঅপ্স তৈরি করে যেটাকে আজকে আমরা জানি আইসিস হিসাবে। এখন আপনি যদি ঐ চার গ্রুপের পাল্লায় পড়েন, তাহলে দেখবেন যে প্রত্যেকটা মেম্বার এদের বিষয়ে দশপাতার রচনা লিখে দিতে পারবে আপনাকে। সিয়াইএর কোইন্টেলপ্রো এর এটাই ক্ষমতা -- শূন্য থেকে এরা পৃথিবীর সবচেয়ে ধনবান ও ক্ষমতাবান জঙ্গি প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারে যারা ভুলেও ইজরাইলকে একটা ধমকও দেয়না, কিন্তু বিভিন্ন ইসলামিক দেশে ত্রাসের সঞ্চার করার জন্য এখন মরীয়া হয়ে গেছে।

অবধারিতভাবে উপরের চার গ্রুপের সবাই বিশ্বাস করে যে আইসিস ইসলাম ভিত্তিক একটা জঙ্গি দল। এরা মানবতার শত্রু। এরপর ঢাকার গুলশানে আমরা দেখলাম যে সাজানো নাটকের মত চারটা ছেলের একটা বন্দুক আর গামছা নিয়ে একটা পতাকার সামনে দাঁড়ায়ে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে সদাহাস্যময় মুখে পোজ দিয়ে তোলা ছবি কে যেন খুব সময়মত ফেসবুকে ছেড়ে দিল। সবকিছু ক্লকওয়ার্কের মত ঘটতে থাকল। প্রথমে মারাত্মক বিস্ফোরণে কিছু পুলিশ মারা গেল। পরে চার পাঁচ জন প্রাইভেট ইউনিতে পড়া বড়লোকের পোলাপান, এর মধ্যে আবার আওয়ামী নেতার পোলাও আছে (যেটা এই সাইঅপ্সের আরেকটা অ্যাস্পেক্ট, আওয়ামী নেতাদের বুঝানো, তারা যেন বেশি তেড়িবেড়ি না করে), এরা নাকি রাতে ২০-২২ জন ব্যক্তিকে জবাই করে রক্তের বন্যা বওয়ায় দিয়ে, নিজেদেরকে বাঁচানোর কোন চেষ্টা না করে, গদাইলস্করি চালে সকাল বেলা প্রকৌশলী হাসনাত করিমের সাথে দরজায় দাঁড়ায়ে অলসভাবে কমান্ডো অভিযানে মৃত্যুর অপেক্ষায় দাঁড়িয়েছিল। ব্যাপারটা অদ্ভুত।

কোরান শরিফ পড়লে নাকি যে কেউ এরকম সুইসাইড জ্বিহাদী হতে পারে, এটাই আমাদের চারদলের বক্তব্য। পুরা দোষটাই নাকি কোরান শরীফের। ঐ আওয়ামী নেতার ছেলে যে ইন্ডিয়া থেকে নিখোঁজ বা অ্যারেস্ট হয়েছিল, সে ইন্ডিয়ায় কি করছিল, কিভাবে নিখোঁজ হল, কেন তাদের জেলে রাখা হয়েছিল, এরকম শত প্রশ্নের উত্তর মেলেনি এবং আমরা বিডিয়ার ম্যাসাকারের অভিজ্ঞতা থেকে জানি এইসব উত্তর আওয়ামী রেজিম কখনও দিতে পারেনা। আমরা ঐ ছেলেদের খুন করার সময়ের সিসিক্যাম দেখতে পারিনি যেটা দিয়ে প্রমাণ করা যায় যে ঐ ছবিতে পোজ দেয়া ছেলেগুলা আদৌ কাউকে খুন করেছে। আমার আন্দাজ মতে, এই ছেলেগুলাকে খুব সম্ভবত বলা হয়েছিল যে আইসিস নিয়ে একটা শর্ট ফিল্ম করা হবে যেখানে ওরা অভিনয় করবে। বাই দ্য ওয়ে, এটা সিয়াইএর একটা কমন ট্রিক মানুষকে ফাঁসানোর।

তো আমার এত বড় রচনা লেখার পিছনের উদ্দেশ্য খুব পরিষ্কার। সমস্ত ক্লু একদিকেই আঙ্গুল নির্দেশ করে যে গুলশানের এই সাইঅপ্স র-মসাদ-সিয়াইএর একটি যৌথ প্রযোজনা। ভারত আর অ্যামেরিকার স্পেশাল ফোরস বোধহয় ইতিমধ্যে বাংলাদেশের মাটিতে ঢুকে গেছে, অথবা প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কালকে বেলি রোডে মিনিস্টারস অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে, যেখানে রাজীবের সাথে আড্ডা দিতাম ওখানে সাইকেল দিয়ে ঢুকতে যেয়ে দেখি বন্দুক হাতে সব গার্ড দাঁড়ানো। ভয়ের চোটে পরে অফিসারস ক্লাবে যেয়ে লেলিনদের ফোন করে জানলাম ওদের আসতে একটু দেরী হবে। তো ক্যাফেটেরিয়ায় গিয়ে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই আর স্প্রাইট খাওয়ার মাঝখানে ওয়েটারটা এসে বলে এক্সকিউজ মি, আপনি কি এখানকার মেম্বার? মানে ও আমার ধ্যারধ্যারা জিন্স, স্যান্ডেল, আর টি সার্ট দেখে জঙ্গি ঠাউরেছে। পরে আমার অ্যামেরিকান স্টাইল কথাবার্তা শুনে আবার অ্যাপোলোজাইজও করল। তো ব্যাপার এটাই। পুরা বাংলাদেশ ভয়ে শিটকে গেছে।

পরে আমরা স্কুল ফ্রেন্ডরা ১৫-২০ জন অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম। এক পর্যায়ে আমি আর না পেরে বলে উঠলাম যে আমি জঙ্গি বিষয়ে কথা বলতে চাই। সবাই একদম হাঁহাঁ করে উঠল যেন সর্বনাশ হয়ে যাবে। সবকিছুর নাকি প্রপার স্থান কাল পাত্র আছে। চুপ হয়ে গেলাম কিন্তু মনটা অস্থির হয়ে থাকল। গত সাত বছরে এদেরকে আমি বুঝাতে পারিনি গ্লোবাল অ্যাওয়ারনেসের মর্ম। আমার কোন সন্দেহ নাই যে আমার ক্লাসমেটদের প্রত্যেকের ধারণা আইসিস এখন বাংলাদেশে এবং এরা মুসলিম জঙ্গি প্রতিষ্ঠান। এটা যে র-সিয়াইএ-মসাদের একটা যৌথ প্রযোজনায় করা নাটক এই কথা একবার বলার সুযোগও পেলাম না। দুঃখ এটাই, আমাদের দেশে সবাই সবকিছু খুব দ্রুত বুঝে ফেলি, আর দ্বিতীয় কোন অপিনিয়ন শুনতে আমরা কেউ আগ্রহী না। অফিশিয়াল স্টোরিতে যে হাজার হাজার ফাঁক থেকে যায় সেগুলা কোন ব্যাপার না। উপরে বর্ণিত চারগ্রুপের কচকচানি এখন তুঙ্গে। মগজধোলাই জিন্দাবাদ।

3 comments:

  1. লিখেছেন ভাল, কিন্তু "পরবর্তীতে বিদেশী শাসকরা ভারতবর্ষে আমদানি করে ইসলাম ধর্ম যেটা এখন আমরা জানি যে ভ্যাটিকা্ন চার্চের গোপন সহায়তায় প্রচার ও প্রসার লাভ করেছিল" এই অংশ নিয়ে মনে হয় আপনার আরও জানা উচিত। ভ্যাটিকা্ন চার্চের খেয়ে দেয়ে কাম নাই, ইসলাম প্রচার করবে। এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেছে আরব বনিক ও অন্যান্য আরবগন। আর এই ইসলাম কে দূষিত করার জন্য, ইসলামের নামে কিছু অনৈসলামিক রীতি-নীতি, হাদিসের নামে কিছু দূর্বল হাদিস, জাল হাদিস ইসলামে প্রবেশ করিয়েছে ভ্যাটিকান চার্চ, যাকে ইসলামের ভাষায় বিদায়াত বলে থাকে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ভাল বলেছেন। তবে ভ্যাটিকান চার্চ আসলে কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এরা পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন আর শক্তিশালী ফোরসগুলার একটা। আমরা অনেকেই মনে করি যে ওটা ড্রেকো রেপ্টিলিয়ানদের একটা হেডকোয়ার্টার। আপনার বুঝতে হবে যে এই ধরণের কোন কোভারট সাপোর্ট ছাড়া কোন মুভমেন্ট গতি পায়না। ক্যাথলিক চার্চের সাথে খ্রিসচিয়ানিটির ক্যাচাল আছে। এরা ইসলামের মাধ্যমে খ্রিসচিয়ানিটিকে একহাত দেখে নিসে। এটাও বলা হয় যে বিবি খাদেজাই ছিল ভ্যাটিকানের এজেন্ট। তবে এ বিষয়ে আরও পড়া উচিৎ, এটা ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

      Delete
  2. আর এটাও পড়ে দেখবেন প্লীজ। http://www.strategic-culture.org/news/2016/07/09/effort-contain-china-failed-bangladesh-strike-cuts-down-abe-covert-naval-gambit.html

    ReplyDelete