Thursday, April 14, 2016

stories of dhaka 11 (blog in bengali)

artist: sultan

ঢাকা শহরের কেচ্ছা ১১


কি যে হয়, লেখার ফাঁকে ফাঁকে গ্যাপ পড়ে যায় বেশ লম্বা লম্বা। তো আমি বেশ কয়েক বৎসর ধরে তথাকথিত কন্সপিরেসি থিওরি পড়তে গিয়ে--এখানে বলা প্রয়োজন বেশীরভাগ কন্সপিরেসি আসলে সত্যি, এগুলা কোন উর্বর মস্তিষ্কের বানানো গল্প বা থিওরি নয়, যেটা রেপ্টিলিয়ান কাবাল আমাদের বুঝাতে চায়, এবং আপনারা অধিকাংশ মানুষ ঐ ট্র্যাপে পড়েছেন--ধর্ম থেকে শুরু করে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স পর্যন্ত অনেক কিছুই জানতে হল, কারণ পৃথিবী যে একটা প্রিজন প্ল্যানেট এটা বুঝতে হলে আপনাকে সার্বিকভাবে সবকিছু একসাথে বুঝতে হবে, তা নাহলে আপনার প্রকৃত প্যারাডাইম শিফটটা হবে না। শুধু আপনার হাল্কা ইনভেন্টরি বাড়বে, আপনি মজা পাবেন, এবং নিজেকে বেশ জ্ঞানী হিসাবে দাবী করবেন, যদিও আসলে আপনি কিছুই বুঝতে পারেননি। এটা অনেক মানুষেরই হতে দেখা যায়, যেটা আসলে কিছু না জানার চেয়েও আরও খারাপ। কারণ এই লোকটার ভুল আর ভাঙ্গানো যায়না, যেহেতু সে এখন নিজেকে মহাপণ্ডিত মনে করে।

আপনাদেরকে আগে বলেছি যে আমার ধারণা নবী মোহাম্মদ একজন ইম্পেকাবল মহাপুরুষ ছিলেন যিনি ওহী পাওয়ার আগে অনেক গরীব ছিলেন, কিন্তু মৃত্যুর আগে তিনি এক বিশাল ইসলামিক সম্রাজ্যের একমাত্র অপ্রতিদ্বন্দী রাজা ছিলেন, যা সত্ত্বেও তাঁর ঘরে প্রতিদিন চুলা জ্বলেনি, এবং নিজের সমস্ত কাজ তিনি নিজে করতেন; সর্বোচ্চ ক্ষমতা এবং ধনদৌলত উনাকে বিন্দুমাত্র কলুষিত করতে পারেনি -- এটা বলেছেন ফ্রিমেসনদের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত ম্যানলি হল। উনার ইসলাম আর আজকের ইসলাম যে এক নয় তা বলাই বাহুল্য। মুসলমানরা গর্বভরে দাবী করে যে কোরানের একটা হরফ পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়নি, কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার হল এই যে ঐ কথাটার আসলে কোন মূল্য নাই যেখানে সম্পূর্ণ শিক্ষাটা পরিবর্তিত এবং কলুষিত হয়ে একটা ভয়ংকর মগজ ধোলাই সর্বস্ব রাজনৈতিক রাক্ষসে পরিণত হয়েছে, এটা কেউ বুঝতে পারেনা, আর যারা বোঝে, তারা বলতে সাহস পায়না।

এখন আমার ব্যক্তিগত একটা ধারণা বলি যেটাকে একটা হাইপোথিসিস বলতে পারেন, যেটা আপাতত আমি বিশ্বাস করি, বিভিন্ন পড়াশুনা আর ইন্টুইটিভ চিন্তার ভিত্তিতে। সেটা হচ্ছে, মাটি পাথর আকাশ বাতাস থেকে শুরু করে, সবকিছুর একটা কনশাস্নেস আছে। যে পৃথিবীর উপরে আমরা বাস করি, সেটারও একটা কনশাস্নেস আছে যাকে অনেকে বলে গায়া বা সোফিয়া। আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের আত্মা অবিনশ্বর এবং আমরা সবাই হাজার হাজার, বা লক্ষ লক্ষ জীবন পার করেছি এই পৃথিবীতে আসার আগে। পৃথিবীটা একটা নিচু ডিমেনশন যেখানে ডুয়ালিটি বা দ্বন্দ্ব বুঝতে খুব সুবিধা হয়। প্রত্যেকটা আত্মা সারাক্ষণ নিজেকে উন্নত করতে চেষ্টা করে এবং পৃথিবীর মত কঠিন একটা নিচু ডিমেনশনের রিয়ালিটি এক্সপেরিয়েন্স করতে পারলে আত্মার খুব দ্রুত উন্নতি হয় এবং অনেক কার্মিক ঋণ শোধ হয়ে যায় বিভিন্ন রকম বাঁশ খেয়ে খেয়ে। তবে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং পোড়খাওয়া আত্মা না হলে পৃথিবীতে আসতে দেয়া হয় না, কারণ ওরা এত কঠোর বাস্তবতা হ্যান্ডল করতে পারবে না।

যখন একটা আত্মা আমার উপরের কথাগুলাকে সত্যি হিসাবে চিনতে বা বুঝতে পারবে, তখনই কিন্তু শুরু হবে তার সত্যিকারের সউল জার্নি। সে তখন বেশ সহজে বুজতে পারবে যে তার কি করণীয় এবং কি করণীয় নয়, কারণ সে এখন বুঝতে পারছে যে সে একটা সাময়িক স্কুলে পড়তে এসেছে। এখানে যাই ঘটুক না কেন, তার আত্মার কোন ক্ষতি হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে কাউকে কোনভাবে তার আত্মার ক্ষতি করার অনুমতি না দেয়। কিন্তু কোন কারণে যদি সে সেই অনুমতি দিয়ে থাকে, তার দায়িত্ব তো তখন তার নিজেরই। তবে এখানে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝার আছে বটে! সেটা হল, আত্মা যদিও অবিনশ্বর যাকে ধ্বংস করা যায় না, তার মানে এই নয় যে আত্মাকে বোকা বানানো, দাস বানানো, বা তার এনার্জি চুষে চুষে খাওয়া, তাকে দিয়ে বিভিন্ন আকাজ কুকাজ করানো, ইত্যাদি কিছুই করা যায় না। একটা আত্মাকে অনেকভাবেই অ্যাবিউজ করা সম্ভব যা সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের অবহিত থাকা অপরিহার্য।

আর ঠিক সেই কারণেই আমাদের মানুষকে জাগানোর এত প্রচেষ্টা। আমাদের সরকার, ব্যাংকিং, মিলিটারি, পুলিশ, ফার্মা, শিক্ষা, ইত্যাদি যে আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করে, এটা প্রমাণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু ধর্মের প্রশ্ন তুললে অনেকেই, বিশেষভাবে বাঙ্গালিরা, বিশেষকরে মুসলমানরা তেলে-বেগুন জ্বলে ওঠে। এর কারণ হল প্রদীপের নিচেই থাকে সবচেয়ে বেশি অন্ধকার। আমাদের আত্মাকে বিভ্রান্ত করার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হল ধর্ম। এটা যে বুঝতে পেরেছে, তার অন্ধত্ব কেটে গেছে। কিন্তু ছোটবেলা থেকে বাবা মায়ের শিখানো গভীর একটা ইন্ডক্ট্রিনেশন ভেঙ্গে বের হয়ে আসতে হলে যে পরিমাণ মনের জোর আর প্রজ্ঞা থাকা প্রয়োজন, এটা অনেকেরই সাধারণত থাকে না, এবং সাধারণ মানুষ এই বিশ্বাসটাকে প্রশ্ন করার কোন প্রয়োজনীয়তাই অনুভব করেনা। কেউ এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে তাকে শত্রু বা শয়তানের আছর হইসে বলে মনে করে।

এবার আসি রেপ্টিলিয়ানদের বিষয়ে। এখন আবার নতুন কিছু মিলিটারি হুইসলব্লোয়ারের মাধ্যমে কনফার্মেশন পাওয়া যাচ্ছে যে রেপ্টিলিয়ানরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে হিটলারের নাৎসিবাহিনীর সাথে চুক্তি করে আন্ডারগ্রাউন্ডে অ্যান্টিগ্র্যাভিটি এবং আরও অন্যান্য টেকনোলজি বানাচ্ছিল যেটা পরে ওরা অ্যান্টারক্টিকাতে শিফট করে নিয়ে যায়। জানামতে, ঐ বেসটা এখনও অ্যাক্টিভ আছে। পরবর্তীতে, চাঁদে, মঙ্গলগ্রহে, এবং সৌরজগতের আরও বেশ কিছু জায়গায় এরা বেস করেছে। একজন নতুন হুইসলব্লোয়ারের নাম হল উইলিয়াম টমকিন্স, আর উনার বইয়ের নামঃ সিলেক্টেড বাই এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়ালস।

ধর্ম যে ঈশ্বরপ্রদত্ত নয়, এবং এটা যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা হাতিয়ার, এটা বুঝতে পারা হল আল্টিমেট জাগরণ কারণ বেশিরভাগ বাঙ্গালিকে এই জায়গায় এসে গোত্তা খেয়ে যেতে দেখি। আপনি যদি এটা মানতে নাও পারেন, তবু অন্য বিষয়গুলার ব্যাপারে আপনার চোখ কান খোলা রাখেন, আর পারলে আমাদের বেনেফিট অভ ডাউট দেন। আপনারা যদি সময় নিয়ে ভ্যাটিকান চার্চ আর সিক্রেট সোসাইটিগুলার ইতিহাস খুব গভীরভাবে পড়েন, তখন বুঝতে পারবেন যে প্রত্যেকটা ধর্ম কিভাবে আজকের রূপে রূপান্তরিত হয়েছে। বুঝতে পারবেন যে পৃথিবী চলে কতকগুলা অদৃশ্য হাতের ইশারায় যাদের সম্পর্কে এই ইন্টারনেট যুগের আগে আমাদের পক্ষে কোনভাবেই জানা সম্ভব ছিলনা কারণ এত তথ্য আর জ্ঞান একজন থেকে আরেকজনকে ট্র্যান্সফার করার কোন উপায় ছিলনা। কিন্তু সেইদিন আর নাই। এখন পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে বিভিন্ন গোপন ও প্রকাশিত তথ্য হুহু করে চলে যাচ্ছে বিদ্যুৎ গতিতে। আপনার কি মনে হয় না যে এই বিরাট তথ্যপ্রযুক্তির কারণে পৃথিবীতে এই প্রথমবারের মত ঘটবে একটা জাগরণ? এর আগে যত রেভল্যুশন আমরা দেখেছি, তার প্রত্যেকটা ছিল সিক্রেট সোসাইটির সাজানো সাইঅপ্স, কিন্তু এবার হবে আসল পরিবর্তন। প্রথমবারের মত আমরা মুক্তি পেতে যাচ্ছি এক অদৃশ্য শক্তির কবল থেকে যার অস্তিত্বের খবরই আমরা এতদিন জানতাম না। কিন্তু এখন আমাদের মুক্তি এসে পড়েছে প্রায় আমাদের হাতের মুঠায়। শুধু প্রয়োজন আপনাদের মধ্যে থেকে আরও কিছু লোক জেগে ওঠা। আমাদের হায়ার কনশাস্নেস একটা ক্রিটিক্যাল ম্যাস হলেই ঘটবে অ্যাসেনশন। আমাদের দীর্ঘ দুঃখের দিনের পরিসমাপ্তি ঘটবে অচিরেই। মনে প্রানে এই বিশ্বাস রাখি। ধন্যবাদ।

No comments:

Post a Comment