Sunday, January 10, 2016

stories of dhaka 6 (in bengali)

ঢাকা শহরের কেচ্ছা ৬


সত্যি বলতে, আমার ঢাকা শহরের কেচ্ছা আর ড্রেকোর কেচ্ছা সব মিলে মিশে গুবলেট হয়ে গেছে, কিন্তু একদিক দিয়ে এটাই ঠিক আছে। এর কারণ, আমাদের খুব পরিষ্কার একটা ম্যাসেজ আছে যেটা এখনও ঠিকমত কাউকে বুঝাতে পারিনি। এই ম্যাসেজটা যখন মানুষের মাথায় ঢুকে যাবে, যখন সবার টনক নড়ে উঠবে, তখন মোটামুটি আমাদের কাজ শেষ। ঐ সময়ে আমাদের দায়িত্বটা অন্যদিকে মোড় নিবে। তো গত কয়েকদিন ধরে টের পাচ্ছি যে তালুকদার আর আমার আশেপাশের অনেকেই এক ধরণের অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। যেমন রাজীব সামান্য ছুতায় আমাকে ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দিল। ওর বক্তব্য হচ্ছে ওকে সামনাসামনি আমি যা বলার বলতে পারি, কিন্তু ওকে নিয়ে আমার ব্লগে বা ফেসবুকে যেন কিছু না লিখি। ফেয়ার ইনাফ? নট ফর মি। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমার লেখায় আমি আমার পছন্দের কিছু মানুষকে পচাই বা পচাইছি, কিন্তু তার পিছনের কারণটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে এটা আমার করতে হইছে। তবে এর মধ্যে কিন্তু আমি রাজীবকে ইচ্ছা করেই ঢুকাইনি কারণ ও হ্যান্ডল করতে পারবে না আমি জানি। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হল না। ও ঠিকই বাঁশটা দিল আমাকে। কাজেই এখন আমি ফ্রীলি লিখতে পারি ওকে নিয়ে যা খুশি, কিন্তু এটা আমি আমার মনের খুশি মিটানোর জন্য করবো না। ঠিক আগের মতই এটাও হবে শিক্ষামূলক। আমি ধরে নিচ্ছি রাজীব আমার এই লেখা পড়বে, এবং এটা বুঝেই আমি ওকে নিয়ে কিছু কথা বলবো এটা আশা করে যে এগুলা জেনে ওর কিছু ইমোশনাল ব্যাগেজ কমবে।

আমার চোখে রাজীব খুব লাইকাবল একটা ছেলে এই কারণে যে আমি ওর বয়সে হুবহু ওর মতই ওয়েস্টার্ন কালচার আর মিউজিক দিয়ে ব্রেইনওয়াশড ছিলাম। ওর আর আমার "ক্ষ্যাতের" সংজ্ঞা বেশ কাছাকাছি। ওর ইন্টেলিজেন্স আমার কাছাকাছি বা আমার থেকে কিছুটা বেশি। ওর গান গাওয়া বা গিটার বাজানোকে আমি অ্যাডমায়ার করি। কিন্তু ওর রুবেল ব্যাশিং অ্যাটিচুডটা আমার ভাল্লাগে না, কিন্তু এটা নিয়ে ওকে কনফ্রন্ট করিনি কারণ রুবেলের কিছু ইস্যু আছে যেটা হীল করতে সময় লাগবে। মজার ব্যাপার যে এরা দুজনেই হাইলি ট্যালেন্টেড, অ্যাবাভ এভারেজ মিউজিশিয়ান, কিন্তু একজনের সাথে আরেকজনের বনে না। একটা জেলাসি ফ্যাক্টর ঢুকে পড়ে যেটা খুবই অ্যামিউজিং টু ওয়াচ!

ইদানিং যেটা হইছে যে যারা আমার কাছে আসে, তারা বেশীর ভাগ আমার ড্রেকো আর ইটি রিলেটেড কেচ্ছা শুনতেই আসে। কিন্তু রাজীব এই দলে পড়ে না। ও উলটা। ওর ঐ মেট্রিক্সের লোকদের মত "কন্সপিরেসি থিওরি" অ্যালারজি আছে। এটা যে সিয়াইএর একটা পুরানো ট্রিক সেটা ওর জানার কথা না। সিয়াইএ যখন কেনেডিকে মেরে ফেলে, তখনই একদল লোক এটা ধরে ফেলে বিভিন্ন জায়গায় লেখালেখি শুরু করসিল। তখন ওদের মুখ বন্ধ করার জন্য সিয়াইএ এই টার্মটা আবিষ্কার করে। এই ধরণের টার্ম আবিষ্কারের পিছনে কিন্তু ওদের ম্যাসিভ টাভিস্টক ইন্সটিটিউটের গবেষণা থাকে। ওরা মানুষের সাইকোলজি স্টাডি করে যাতে বের করতে পারে যে ম্যাস সাইকোলজি কিভাবে ম্যানিপুলেট করা যায়। রাজীব এবং আপনাদের প্রায় সবাই কিন্তু এইখানে ধরা খাওয়া। আপনাদের অনেকেরই কোন ধারনা নাই যে আপনাদের চিন্তাভাবনা কতখানি ম্যানিপুলেটেড এবং কন্ট্রোলড। আপনারা সবাই নিজেকে মুক্ত চিন্তার মানুষ মনে করেন, কিন্তু আসলে ব্যাপারটা ঠিক উলটা। এই ব্যাপারটা বুঝতে হলে আপনাদের প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে। এইটা আমাদের ম্যাসেজের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা যেটা আপনারা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি। এখানে আপনাদের অনেক কাজ বাকি আছে।

তো রাজীব হল আমার মধ্যবিত্ত স্মার্ট ঢাকা শহরের ইয়াং জেনারেশনের সিম্বল বা মেটাফর। ওর চিন্তাভাবনা, ধ্যানধারনা দেশের একটা মোটামুটি বড় ডেমোগ্রাফিকে কে রিপ্রেজেন্ট করে। ওর কাছে যেহেতু মনে হয় যে রেপ্টিলিয়ান বা ইটি বলে কিছু নাই, এর ইমপ্লিকেশন হল আমি একটা গালিবল গবেট। যতক্ষণ আমি ড্রেকো নিয়ে কিছু না বলবো, অথবা ওর নাম আমার কোন লেখায় মেনশন না করবো, ততক্ষন ও আমাকে অ্যাক্সেপ্ট করবে অ্যাজ এ ফ্রেন্ড, আদারওয়াইজ রিজেক্টেড। এরকম ফাউল ফ্রেন্ডশিপ কি আমার খুব দরকার? আমি কি খুব ডেস্পারেট? এগজ্যাক্টলি একই কারণে কিন্তু আমি আমার সমস্ত পুরানো ক্লাসমেট আর তথাকথিত বন্ধুদের হারাইছি। এটা লাইট ওয়ার্কিং করার একটা অতি পরিচিত হ্যাজারড। মেট্রিক্স থেকে কেউ বের হয়ে আসতে চায় না। সবাই তাদের পুরাণ ধ্যান ধারণা আঁকড়ে ধরে থাকতে চায়। সবাই শুধু থোড় বড়ি খাঁড়া শুনতে চায়। নতুন কিছু শুনলেই বলে, ওহ নো, এগুলা তো কন্সপিরেসি থিওরি, হাহাহা!


আমরা কোন ড্রেকো রেপ্টিলিয়ান বা ইটিকে চোখে দেখি না, কারণ ওরা আমাদের চোখে ধরা দেয় না। এটা তখনই সম্ভব যখন ওরা আমাদের চেয়ে বেশি ইন্টেলিজেন্ট। কিন্তু আমরা তো এখানেই ধরা কারণ সবাই জানি যে আমরা আশরাফুল মাখলুকাত -- সৃষ্টির সেরা জীব, কাজেই আমাদের চেয়ে ইনটেলিজেন্ট প্রাণী কোত্থেকে আসবে? বললেই হল? কোরানে যা লেখা নাই, তা কিভাবে বাস্তবে থাকা সম্ভব? রাজীবের যুক্তিটা এরকমই। কারণ মুখে তেমন কিছু না বললেও, মনে প্রানে ও দেশের আর সব মধ্যবিত্তের মতই কট্টর মুসলিম, প্র্যাক্টিসের দিক দিয়ে না (ওটা বেশি ঝামেলা), বিশ্বাসের দিক দিয়ে। তবে শুধু মুসলমানদের পচানো ঠিক হবে না কারণ আমার বন্ধু অভিজিৎ তো হিন্দু, কিন্তু ঐ একই অবস্থা। ইটি বলে কিছু আছে, এটা ও কিছুতেই হজম করতে পারে না। অথচ এদিকে অল্টারনেটিভ মিডিয়ায় ইটি নিয়ে হুলুস্থুল হয়ে যাচ্ছে। এগুলা ওরা কিভাবে ইগ্নোর করে, এটা আমাদের বিশ্বজগতের এক মহাবিস্ময়ই বটে!

ঐ যে মুসলমানদেরকে পচানোর ব্যাপারটা বললাম, ওটাকে অত সিরিয়াসলি নিবেন না, আপনি তো আর টেররিস্ট না! হাল্কাভাবে নেন। সেই ব্যাক্তিই উন্নত যে নিজেকে নিয়ে হাসতে পারে। অনেকে মনে করে পৃথিবী থেকে সমস্ত ধর্ম আরও ৪০০ বছর আগে উঠে যাওয়া উচিৎ ছিল। এর কারণ, এই ধর্মগুলা একটা ব্যবসা, একটা কন্ট্রোল মেকানিজম। আত্মিক উন্নতির সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নাই। যদি থাকতো, তাহলে বাংলাদেশটা হত পৃথিবীর এক নম্বর সত্যবাদী দেশ বা জাতি। কিন্তু আসলে তো আমরা পৃথিবীর এক নম্বর মিত্থুক জাতি। একটা সামান্য কমিটমেন্ট আমরা রাখতে পারিনা। গুলশান থেকে একজনকে ফোন দিয়ে বলি আমি মতিঝিল। এক কিলোমিটার রাস্তা বানাতে গিয়ে আম্মিলিক চুরি করে কয়েক হাজার কোটি টাকা। এই আম্মিলিক কে? কে আর? আমার আর আপনার আত্মীয় স্বজন ভাই বোন। এই জন্যই তো আমরা দেখেও দেখিনা, শুনেও শুনিনা। ব্যাংকে কিছু মোটা টাকা জমা থাকলে কিছুতেই কিছু যায় আসে না, এটা আমাদের মনের পিছনের গোপন কুঠরিতে লুকানো থাকে। তাই কোন কিছুতেই আমরা খুব বেশি বিচলিত হইনা যতক্ষণ পর্যন্ত ঐ ব্যাংক ব্যালেন্সে টান না পড়ে। টাকা হল আমাদের আসল ধর্ম। টাকা হল আমাদের আল্লাহ। যার টাকা আছে, তার ঈমান আছে। তার বন্ধুর অভাব হয় না।

আমাদের ম্যাসেজের একটা বড় অংশ হল আপনাদেরকে বুঝানো যে পৃথিবীটা কন্ট্রোল করে একদল নকল জুইশ পিপল যারা আসলে রাশিয়ার খাজারিয়া এলাকার স্থানীয়, কিন্তু এরা সারা পৃথিবীতে ছড়ায়ে গেসে। এরা দাবী করে যে এরা অরিজিনালি ইজরায়েলের সেমিটিক মানুষজন, কিন্তু জেনেটিক পরীক্ষায় ধরা পড়সে যে এটা সত্যি না। বরং পালেস্টাইনের আরবরাই সেমিটিক পিপল যারা ইব্রাহিমের বংশধর। সউদি আরবের সাউদ পরিবার, যারা ওখানকার রাজবংশ সেজে বসে আছে, এরাও আসলে ঐ খাজারিয়ান জু দের উত্তরসূরি। এখানেও একটা বিরাট মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে, কারণ এরা আসলে ওয়াহাবিজম নামে অন্য একটা ধর্মকে ইসলাম বলে চালাচ্ছে। আমাদের দেশের মসজিদ মাদ্রাসায় যে সউদি সাহায্য আসে, ওটার পিছনে আসল কারণ হল আমাদের দেশে ইসলামের বদলে ওয়াহাবিজম প্রতিষ্ঠা করা, যেটা অলরেডি হয়ে বসে আছে। আপনারা যেটাকে ইসলাম হিসাবে মানেন, ওটা আসলে ওয়াহাবিজম। আসল ইসলাম সম্পর্কে জানতে হলে আপনাদের অনেক গভীর গবেষণা করতে হবে যেটার বিষয়ে সঠিক বইপত্র পাওয়া দুস্কর হবে, আর যদি আপনারা কেউ কেউ সত্যটা আসলেই পেয়ে যান, ওটা পাবলিককে বুঝাতে গেলে আমাদের মতই বাঁশ খাবেন। সবাই বলবে, আরে পুরাণ পাগলে ভাত পায় না...!


এটা জানা আপনাদের জন্য অপরিহার্য যে আমাদের দেশে যারা মুখ মাথা সব ঢেকে শুধু চোখ বের করে ঘোরে, এরা আসলে দুই নম্বর। এরা কেউ কেউ নিজেদের অতি বেশি সুন্দরি মনে করে, আর কেউ কেউ বদ ধান্দা নিয়ে বের হয় ঐ মুখোশ পরে, যাতে মানুষ ওদের চিনতে না পারে। এই প্র্যাকটিসটা সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী। আসল মুসলিম হবে এত হাম্বল, এত বিনয়ী যে দেখে বোঝা যাবে না এই লোক মুসলমান না হিন্দু, নাকি অন্য কিছু। নিজেকে ব্র্যান্ডিং করার জন্য টুপি দাঁড়ি পাঞ্জাবী এইসব ভাক্কা করতে হবে না। গিরার উপরে তোলা বিরক্তিকর খাটো পাজামা পরে জনগণকে বুঝাতে হবে না যে এই দেখেন, আমি কত্ত বড় হাম্বল মহাপুরুষ! কপালে যাতে কাল দাগ না পড়ে, সেজন্য সেজদার জায়গাটায় নরম কিছু দিয়ে নামাজ পড়েন। ঐ দাগটা কাকে দেখাতে চান? আল্লাকে? আল্লা কি জানে না যে আপনি ব্যবসাতে কি কি দুই নম্বরি করেন? আল্লা কি আপনার মতই ইগোটিস্টিকাল উজবুক? গেট রিয়াল পিপল!

সত্যি বলতে আমি কি যেন একটা বলতে চাচ্ছি সেটা বলাই হচ্ছে না। হাবিজাবি এটা সেটা বলে যাচ্ছি, কিন্তু বারবার মনে হচ্ছে আসল ম্যাসেজটা এখনও দেয়া হয়নি। আমি বেশ কিছুদিন ধরে তালুকদারকে ওয়াচ করতেসি। বোঝার চেষ্টা করতেছি যে ও কি আসলে অ্যাক্টিভেটেড নাকি ঠিক রাজীবের মতই ওও আমার চোখে ধুলা দিচ্ছে? ওর ফেসবুক স্ট্যাটাসে আমি খুচরা পাকনামি ছাড়া তেমন কিছু দেখিনা। সিরাজ সিকদারকে নিয়ে একটা লেখা দিল কয়দিন আগে, কিন্তু এগুলাও ঐ আম্মিলিক বিরোধী কিছু মেট্রিক্সের ফাঁপর বৈকি, এর বেশি কিছু না। এইসব পুরানো কাসুন্দি ঘাঁটা কিছুটা প্রয়োজন আছে এই কারণে যে র-আম্মিলিকের একটা বড় অ্যাজেন্ডা হল ইতিহাস থেকে জিয়াউর রহমানের নামটা মুছে ফেলে সব জায়গাতে মুজিবের নাম ঢুকায়ে মিথ্যা একটা ইতিহাস তৈরি করা। সামহাউ ওদের ধারণা যে এতে দেশের লোক মুজিব আর আম্মিলিককে খুব খুব ভালবাসা আর ভোট দিবে। এইসব মগজ ধোলাইয়ে যে একদম কাজ হয় না, তাও বলা যায় না। প্রায়ই আমরা দেখি শিক্ষিত জ্ঞানীগুনী ব্যক্তিরা পেটের ধান্দায় আম্মিলিকের দালাল/চামচা হয়ে গিয়ে বিভিন্ন ফিতাকাটা আর সম্বর্ধনা সভায় গিয়ে আম্মিলিককে ধন্য ধন্য করতে করতে ধন নিয়ে টানাটানি করে ফেলতেছে। এগুলা ঠিক না।

যা মনে হচ্ছে ২০১৬ হবে একটা পাওয়ারফুল বছর। অনেক সত্য উদ্ঘাটিত হবে। অনেক দুর্নীতি ধরা পড়ে বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের আম জনতার চিন্তাভাবনা আগের চেয়ে অনেক গভীর হয়ে, উদ্ভট আস্তিক-নাস্তিক জাতীয় অর্থহীন সাবজেক্ট বাদ দিয়ে যেসব জিনিষ ম্যাটার করে এগুলা নিয়ে লেখালেখি, আলোচনা শুরু হবে, আর সবচেয়ে জরুরি যেটা, যে একটা ভাল পরিবর্তন আসবে। মানুষজন আল্টিমেটলি বুঝতে শুরু করবে যে শুধু যে ইটি আছে, তাইই না, এরা আমাদের ক্ষতি আর উপকার দুইটাই করে যাচ্ছে। ড্রেকোরা আমাদের ক্ষতি করতেসে, আমাদেরকে মাইন্ড কন্ট্রোল করতেসে, আমরা ওদের খাদ্য। এগুলা বিশ্বাস করতে আপনাদের সময় লাগবে, কিন্তু একটা প্রসেস শুরু করাটা জরুরি যাতে আস্তে আস্তে আপনারা অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আসা শুরু করেন। এই জন্যই সিয়াইএর একটা ফ্যাকশন একধরণের স্লো ডিস্ক্লোজার করে যাচ্ছে যার বদৌলতে আমরা অল্প অল্প করে জানতে পারতেসি ওদের বিভিন্ন টপ সিক্রেট প্রজেক্ট সম্পর্কে যেগুলাতে ওরা ইটিদের সাথে কাজ করে যাচ্ছে বা অতীতে করসে। আপনাদেরকে ট্রুম্যান আর আইসেনহাওয়ারের গ্রিয়াডা ট্রীটির কথা বলেছি। ঐ ট্রীটিটা ছিল জেটা রেটিকিউলি নামে একটা স্টার সিস্টেমের প্রাণীদের সাথে যারা মানুষকে অ্যাবডাক্ট করে বিভিন্ন গবেষণা করতো। ওরা সিয়াইএর কথা বেশি পাত্তা দিত না আর ট্রীটির শর্তগুলা অহরহ ভাঙত। ওদেরকে সাইজ করার মত টেকনোলজি বা অস্ত্র বানাতে সিয়াইএর প্রায় ৪০-৫০ বছর লাগসিল। এখন আমরা জেটাদের অ্যাবডাকশন থেকে মুক্ত। এরকম আরও অজস্র তথ্য আমাদের জানা দরকার যাতে বুঝতে পারি যে আসলে হচ্ছেটা কি। আস্তে আস্তে আপনারা এগুলা নিয়ে চিন্তা ভাবনা এবং জানা শুরু করতে পারেন।

 

No comments:

Post a Comment