Wednesday, January 6, 2016

stories of dhaka 5 (in bengali)

ঢাকা শহরের কেচ্ছা ৫



গত কয়েক বছরে পৃথিবীতে আমার মতই একদল লোকের অন্তরচক্ষু খুলে গেছে এবং আমাদের ওয়ার্ল্ডভিউ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমরা বিভিন্ন ভাষায় এই ব্যাপারটা এক্সপ্রেস করি, যেমনঃ seeing through the matrix, lifting of the veil, quantum awakening, heightened awareness, paradigm shift, higher consciousness, spiritual awakening, ইত্যাদি। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে যাদের এই অ্যাওয়েকেনিংটা হয়নি, তারা বিভিন্নভাবে আমাদের এই হাইয়ার কনশাস্নেসটাকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করতেছে, বা মনে করতেছে যে কোন না কোন জায়গায় আমাদের যুক্তি বা চিন্তায় গলদ আছে বলে আমরা কিছু অ্যাবসারড, অবিশ্বাস্য জিনিষ বিশ্বাস করে বসে আছি। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা সেরকম না। আমাদের কারও মধ্যে কোন সন্দেহের অবকাশ নাই যে আমাদের অ্যাসেসমেন্ট ঠিক আছে কারণ আমরা অজস্র সংখ্যক মানুষ, যারা বিভিন্ন দেশের, কালচারের, এবং পেশার, সবাই তাদের বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে, ঠিক একই কনক্লুশনে পৌঁছাইছি। এবং শুধু তাইই না, প্রতিনিয়ত আমাদের এই নবগঠিত ধারণার পিছনে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য আর এভিডেন্স। গতকালকে আমরা যতটুকু জানতাম, আজকে তার থেকে আর একটু বেশি জানতে পারছি। এইভাবে ক্রমাগত আমাদের অগ্রগতি হচ্ছে। এখানে সন্দেহ পোষণের কোন অবকাশ আসলে নেই। কিন্তু আমরা যে ঠিক, আর যারা ভাবছে আমরা ভুল, তারাই যে আসলে ভুল, এটার প্রমাণ ওদের কাছে দেওয়াটা খুবই কঠিন কারণ যারা মেট্রিক্সে খুব স্ট্রংলি লকড হয়ে আছে, তারা অনেকেই খুব বেশি হেড-সেন্ট্রিক। হেড আর হার্টের একটা ভাল ব্যালান্স না থাকলে বোধহয় মানুষের ডিসারনমেন্ট স্কিলটা ভাল কাজ করে না। তখন সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য মনে হয়।

আমরা যেসব সত্যকে উন্মোচন করেছি, তার মধ্যে অন্যতম হল ব্যাংকিং আর কর্পোরেট ফ্রড। আমরা বলছি যে ১৩টা রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড ফ্যামিলি পৃথিবীর সবচেয়ে বড়বড় প্রায় দেড়শ কর্পোরেশনের ইন্টারলকিং বোর্ড অফ ডিরেক্টরস হিসাবে পৃথিবীর প্রায় ৬০% সম্পদ কন্ট্রোল করে। এদের কারণেই আমরা এখনও মান্ধাতার আমলের গ্যাসোলিনে চলা গাড়ি বাস ট্রাকে চড়ি, কারণ পৃথিবীর প্রত্যেকটা বড়বড় তেল কোম্পানির মালিক এরা এবং ফ্রি এনার্জি টেকনোলজি ব্যবহার করলে ওদের তেলের ব্যবসা লাটে উঠবে বলে এরা কাউকে কোনভাবেই কোন উন্নত টেকনোলজি রিলিজ করতে দেয় না, যদিও ওরকম গাদা গাদা টেকনোলজি ওদের নিজেদের কাছেই লুকানো আছে এবং গোপনে ওরা নিজেরা সেগুলা ঠিকই ব্যবহার করে যাচ্ছে। শুধু আমাদের মগজ ধোলাই খাওয়া গাধাদের জন্য ঐ টেকনোলজি অফ লিমিটস। একবার যে এই সত্য জেনে ফেলসে, তার কিন্তু স্বস্তি নাই। না জানলে একটা কথা ছিল, কিন্তু জেনে শুনে কেউ ধরা খেতে রাজী হবে না, এটাই স্বাভাবিক। আর এই জন্যই, আমাদের দল ভারী করার জন্যই আমাদের নিরন্তন প্রচেষ্টা কিভাবে আরও বেশি লোককে মগজ ধোলাই থেকে বের করে আনা যায়। এই ব্যাপারে প্রতিদিনই আমাদের কাজ আগাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু বিভিন্ন কারণে আমাদের কথার গুরুত্ব আর সত্যতা বুঝতে আপনাদের অনেকেরই খুব কষ্ট হচ্ছে। আর এটাই আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। পরিবর্তন আমরা আনবই। এ ব্যাপারে আমাদের কোন সন্দেহ নাই।

মজার ব্যাপার হল, যদি আপনারা বিশ্বাস নাও করতে পারেন যে পৃথিবীতে ড্রেকো-রেপ্টিলিয়ান বা তাদের হাইব্রিড বলে কিছু আছে, তাতে কিন্তু ঐ কর্পোরেট-ব্যাংকিং ফ্রডটা নালিফাই হয়ে যায় না। ওটা কিন্তু আমরা ঠিকই চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু ব্রেইনওয়াশের একটা মজা হল যে এটা আসলে কোন যুক্তি মানে না। আমাদের প্রত্যেকটা বক্তব্যের পিছনে আছে অসংখ্য মানুষের রিসার্চ আর পরিশ্রম। কিন্তু যখনই আমরা সংক্ষেপে ব্যাপারটা বুঝাতে যাচ্ছি, তখনই আপাতদৃষ্টিতে আপনাদের কাছে মনে হচ্ছে এ তো অসম্ভব ব্যাপার। এ রকম মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক তা আমরা জানি, এবং সে জন্যই বারবার বলছি আপনারা নিজেরা রিসার্চ করে দেখেন। কিন্তু সেখানেও সমস্যা, কারও সময় নাই, কেউ ইংলিশে কাঁচা, কারও আগ্রহ বা ইচ্ছা কোনটাই নাই, কেউ আগে থেকেই জানে যে এগুলা সব ভুয়া। আবার আমরা যে সংক্ষেপে একটা সারমর্ম করে বুঝাবো, সেটাও আপনাদের কাছে অবাস্তব মনে হয়। তাহলে উপায়টা কি? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা কেউ কেউ নিরন্তর খুঁজি। এই উত্তর খুঁজে পাওয়াটা খুব জরুরি।

এখন ধরেন, আপনি আমাদের সব কথা সত্য হিসাবে মেনে নিলেন। এখন কি হবে? কি হবে জানেন? ঘোড়ার ডিম। কোন লাভই হবে না, কারণ এরকম সুপারফিশিয়াল, শ্যালো আন্ডারস্ট্যান্ডিঙের কোন মানে নাই আসলে, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ভিতরে একটা গভীর উপলব্ধি না আসবে যে আমাদের কথাগুলা প্রচণ্ড রকমের গুরুত্বপূর্ণ। আর এই উপলব্ধিটা যার আসবে, তাকে আর কিছু বুঝানোর নাই, কারণ সেই ব্যক্তি তখন নিজেই সেচ্ছায় নিয়োজিত হয়ে পড়বে আরও জানার জন্য, যাতে তার বোঝাটা স্পষ্ট আর গভীর হয়। যাতে সে অন্যদেরও পরিস্কারভাবে ব্যাপারগুলা বুঝায়ে বলতে পারে, যাতে আরও বেশি সংখ্যক লোক জেগে ওঠে।

যখন আপনি সন্দেহাতীতভাবে জানতে পারবেন যে আমাদের পায়ের তলায়, পৃথিবীর পেটের ভিতরে বাস করে সুপার-অ্যাডভান্সড মানুষ এবং অন্যান্য প্রজাতি, জানতে পারবেন যে পৃথিবীর মানুষ শতশত বছর ধরে চাঁদে, মঙ্গল গ্রহে, অন্যান্য গ্যালাক্সি বা স্টার সিস্টেমে, টাইম ট্র্যাভেল করে অতীতে বা ভবিষ্যতে যাচ্ছে, তখনও কি আপনার ইচ্ছা করবে ফেসবুকে সেলফি তুলে আর আস্তিক-নাস্তিক আলোচনা করে সময় কাটাতে? নাকি আপনি চাইবেন ঐ সব অ্যাডভান্সড টেকনোলজির স্বাদ পেতে, বিশেষত যেহেতু আপনার দেয়া ট্যাক্সের টাকা দিয়েই ঐ সমস্ত গোপন প্রজেক্টগুলার ফান্ডিং হচ্ছে? আপনার কি ইচ্ছা করবে না বিনা ওষুধে বা অস্ত্রোপচারে যদি সব অসুখ ভাল হয়ে যায় সেই টেকনোলজি ব্যবহার করতে? আপনার বাসা অফিস বা ফ্যাক্টরি যদি বিনা বিদ্যুৎ বিলে চলে, তাহলে কি জিনিষপত্রের দাম কমে যাবে? যদি গাড়ি চালাতে কোন তেল বা ব্যাটারি না লাগে, তাহলে কি ডিস্ট্রিবিউশনের খরচ একটু কমবে? এতে কি আমাদের ইকনমিতে কোন সুবিধা হবে? প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা যদি আমাদের অফিসে বসে কলম পিষতে না হয় জীবিকার তাড়নায়, তাহলে কি আমাদের জীবনের সার্থকতা কমে যাবে, নাকি সামান্য বাড়লেও বাড়তে পারে?

অর্থাৎ, আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমরা সবাই যদি আমাদের ভুল ধারনা ভেঙ্গে বের হয়ে আসি, তাহলে আমাদের জীবনের কিছু উন্নতি হবে তা না, উন্নতির লেভেলটা হবে অবিশ্বাস্য এবং অসাধারন। তার কারণ হল, অজস্র হাই টেকনোলজি আমাদের কাছে থেকে লুকায়ে রাখা হচ্ছে যেগুলা রিলিজ করতে হলে আমাদের সবার এক হয়ে এক দাবী জানাতে হবে। এটা শুধুমাত্র আমাদের এই জাগরণ বা আন্দোলনটাকে শক্তিশালী করার অপেক্ষায় আছে। যেইমাত্র আমরা একটা সংখ্যার থ্রেশহোল্ড পার হব, যথেষ্ট সংখ্যক মানুষ যখন জেগে উঠবে, সেইদিনই এই মেট্রিক্সের তাসের ঘর ভেঙ্গে পড়বে। ব্যাপারটা এতটাই সহজ। কিন্তু ঐ জায়গাটায় পৌঁছাতে চাইলে, আপনাদেরকে ঠিক আমার মতই অন্যদেরকে আলোকিত করার কাজটা করতে হবে। কিন্তু তার আগে, আপনার নিজের যথেষ্ট পরিমাণ আলোকিত হওয়াটা বাঞ্ছনীয়।

আপনি যদি আমার এতক্ষনের আলাপে কিছুটা হলেও কনভিন্সড হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার কি করণীয়? প্রথমে আমাদেরকে জানান আপনার রিয়্যাকশন। আপনার মতামত দেন। আমাদের শেয়ার করা পোস্টগুলা ভালমত খেয়াল করা শুরু করেন। আমাদের সাথে দেখা করে আলাপ করেন। আমাদের কাছে সাজেশন চাইতে পারেন। কোন বিষয়ে আপনি বেশি আগ্রহ বোধ করছেন সেটা বের করেন। তারপর ঐ বিষয়টার উপরে পড়াশোনা করেন। কখনও জোর করে কোন বোরিং জিনিষ পড়তে যাবেন না। ওতে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়। আর একটা বিষয় বোঝার জন্য একাধিক রাস্তা থাকে সাধারণত। কাজেই আপনি যেটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেই পথে যান। মনে রাখবেন, যে জানতে চায়, তাকে কেউ ঠেকায়ে রাখতে পারে না। আপনার ইচ্ছা যদি থাকে, উপায় বের হবেই। আপনি বুঝতেই পারবেন না, এত কঠিন কোন বিষয় নিয়ে আসলে আমরা আলাপ করছি না। কাজেই কনফিডেন্স নিয়ে সামনে আগান। আমরা আছি আপনাদেরকে সাহায্য করার জন্য। ধন্যবাদ।

 

No comments:

Post a Comment