Friday, December 23, 2016

paknami vs jagoron - blog in bengali

নিকেতনে রাস্তার মাঝখানে খুঁটি গেড়ে পুলিশের রাস্তা দখল

পাকনামি ভারসাস জাগরণ

আমাদের কাছে শিখে যারা দুইদিনের বৈরাগী হইসে, এরা যখন আবার ঘুইরা আমাদের পাছায় কামড়ানোর চেষ্টা করে অ্যাজ ইফ তারা সাডেনলি আমগো চেয়ে বেশি পণ্ডিত হয়া গেছে, তখন চরম বিরক্ত লাগে। আমরা পণ্ডিত মণ্ডিত কিছুই না। আমরা স্বাভাবিক চিন্তার মানুষ যারা ড্রেকোদের ৬,০০০ বছরের পুরানো গ্লোবাল মাইন্ডফাকটা থেকে বাইর হওয়ার চেষ্টা করতেছি। এটা কোন সহজ কাম না, যারা জাইগা উঠসে তারা ভালই জানে। যারা বেশি পাকনামি করে, এগুলা আসলে বালডাও বুজে নাই। আফটার অল, ব্যাপারটা পরিস্কারভাবে কনফার্মড হইতে আমার কয়শো বই, আর কয় হাজার ব্লগ, ভিডিও, সেমিনার, ওয়েবিনার, কনফারেন্স, ইন্টারভিউ, এক্সপেরিয়েন্সার, অ্যাবডাক্টি, কন্টাক্টি, রিগ্রেশন হিপ্নোসিস, ইত্যাদি গো থ্রু করা লাগসে, সেটা আমি ছাড়াও আমার দুই একজন ক্লোজ ফ্রেন্ড খুব ভাল জানে। উই লেফট নো স্টোন্স আন্টারন্ড। ফেসবুকের প্রাইভেট ম্যাসেজে আমি প্রচুর গাইড্যান্স পাইসি এবং এখনও পাই। কয়েকশো গ্রুপে আমাকে আমার বন্ধুরা মেম্বার বানাইসে যেগুলার অস্তিত্ব সম্পর্কেই আমি জানতাম না। এইসব গ্রুপ থেকে অজস্র তথ্য পাইসি। তার থেকে ইম্পরট্যান্ট হল, এইসব গ্রুপে মুখ খুললেই অনেকে এসে ট্রোলিং করে, কিন্তু অনেকে আবার ভুলগুলা ঠিকও করে দেয়। আল্টিমেটলি একটা বিশাল এনরিচমেন্ট হয় আর চিন্তায় ম্যাচুরিটি আসে। এই প্রসেসগুলার মধ্যে দিয়ে যারা যায় নাই, পাকনামিগুলা তারাই বেশি করে।

১০ বছর আগের আমি আর আজকের আমির চিন্তার মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ। এর কারণ উপরে বর্ণিত প্রসেস, যেটা না ঘটলে কিন্তু আমিও ঠিক আগের মতই একজন মাইন্ডফাকড পাকনা বলদ থাকতাম আর নিজেকে একজন সর্ব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মনে করতাম যেটা আশেপাশের অনেককেই করতে দেখি। পিটি।

আমার এখন চাকরি/ব্যবসা বা ঘরের কাজ তেমন কিছুই করতে হয়না, তারপরও প্রতিদিন যে কোন একটা কাজে মনোযোগ দিতে গেলে কি পরিমাণ ইন্টাররাপশনের মধ্যে পড়তে হয় সেটা ভালমত খেয়াল করার পর বুঝতে পারলাম যে কেন পৃথিবীর ৯৯% মানুষ বেসিক্যালি ছাগল, কারণ তারা ছাগলের ঘোরা রোগের মতন সারাজীবন এই দাসত্বের মেট্রিক্সের মধ্যে চরকির মত ঘুরতে ঘুরতে মারা যায়। এদের প্রত্যেকের সিচুয়েশন হলঃ আইলাম আর গেলাম, পাইলাম আর খাইলাম ভবে, দেখলাম শুনলাম, কিছুই বুঝলাম না। এটা ৯৯% এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আর বাকি যে ১% নিজেকে “সেলিব্রিটি” স্ট্যাটাসে উঠাইতে পারসে, এদের মধ্যে ৯৯% ও ছাগল কারণ এরা বেসিক্যালি অন্য ৯৯% এর মেট্রিক্স মেন্টালিটিকে কেটার করে, ইমোশনাল সুড়সুড়ি দিয়ে ফেম অ্যান্ড ফরচুন কামায় যেটার আসলে তেমন কোন রিয়াল ভ্যালু নাই। কারণ এরা বেসিক থোড় বড়ি খাঁড়া মাইন্ডফাকটাকেই রিকশাতে জরি আর ঝালর লাগায়া “অন্যরকম বেবিট্যাক্সি” বানায়া মাল কামায়া পাগল হয়ে যায়। আর বাকি ৯৯% এদেরকে মাথায় নিয়ে নাচতে নাচতে, কোন একদিন আমি না পারলে আমার ছেলে এইরকম ছেলেরবিটি হইতে পারবে এই আশা বুকে নিয়ে দাসত্ব করতে করতে জীবনপাত করে।

উদাহরণ স্বরূপ হিন্দি ফিল্ম। হিন্দি ফিল্ম যারা দেখে এদের আর কিছু হওয়ার নাই। বড়জোর এরা ঐ উপরের থোড় বড়ি খাঁড়া লেভেলের অন্যরকম বেবিট্যাক্সি টাইপ সেলেরবিটি হতে পারবে অথবা নিজের ছেলেকে ডাক্তার-এঞ্জিনিয়ার বানাবে। হিন্দি গান, উর্দু গাজাল খুবই উচ্চমার্গের বটে, ছ্যাঁক খাইলে এটা খুব ভাল বোঝা যায়। বস্তাপচা হিন্দিফিল্ম না দেখলে অনেকেরই সারাদিন দাসত্ব করার পর ঐ ভুয়া, খুব টল, সুন্দরি নায়িকা, ফাইটার নায়ক, এই টাইপের রূপকথার রাজ্যে ২/৩ ঘণ্টা না কাটালে ঘুম ধরেনা। পরের দিন অফিসে বা আড্ডায় আগের দিনের ঐ ফ্যান্টাসি মুভিটা নিয়েই আলাপ হয়। এর মধ্যে যদি আমির খানের মত একটু সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেসের সুড়সুড়ি ঢুকানো যায় তো খব্বর আছে – অস্কার মস্কার নোবেল ইত্যাদি নিয়ে টানাটানি।

বারবার কেন যে সিনিকাল হয়ে যাই বুঝিনা। পেটের গু পরিষ্কার হলনা। আমার ড্রেকো পড়ে নিপুর মুখ দিয়ে হঠাত আপসে ওর নিজের অজান্তেই বের হয়ে গেলঃ রুড এবং ভালগার। আমি তো হাঁ করে ওর দিকে তাকায়ে আছি। কি বলল এটা? পরে চিন্তা করে দেখলাম যে রুড পার্টটা ঠিক আছে, তবে ভালগার পার্টটা ওর নিজের প্রজেকশন। যে কোনদিন কোন সত্য উচ্চারিত হতে শোনেনি, তার কাছে কিন্তু সত্যই মনে হবে ভালগার, কুৎসিত। নিপু জানে ও সত্য বলতে পারেনা। ও জানে ওর সত্য কর্ম করার বলজ নাই। তার বদলে ও কবিতা লেখে। ঐ শব্দচয়নের মাধ্যমে নিজের দাসত্ব, কাপুরুষতা, আর মিথ্যা জীবনকে রিলিজ দিতে চেষ্টা করে। তবের নিপুর ভাল দিক হল, ও যে ভণ্ড এবং ভীতু এটা সে জানে। তাই ওর ইচ্ছা একদিন সব ভণ্ডামির দায়িত্ব পালন শেষ হলে ও একদিন একটা পাহাড়ে যাবে। সেখানে ও কয়েকদিন থাকবে। আর ঠিক এই জন্যই ও আমাদের কাছে প্রিয়।

আপনি একজন মগজধোলাই খাওয়া গর্দভ মেট্রিক্সের দাস – এই কথাটা কতটা পোলাইটলি বলা যায়?

অনেকেই আমাকে তথ্যপ্রমাণ সহ একটা সিরিয়াস বই লিখতে বলে কিন্তু এনার্জি পাইনা। পাইতাম যদি পুলিটজার পাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু এই ব্যাপারগুলা আর আসে না। অনেক পরিশ্রম করে, গাধার খাটনি খেটে একটা পিঠ চাপড়ানি পেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলব – কি জানি, হয়ত সেটাই বেশি মিনিংফুল হত। কিন্তু আমার খুব একটা ইচ্ছা করেনা।

তার বদলে এভাবেই বলি যে আমাদের ইতিহাস, ধর্ম, নাস্তিকতা, সেকুলার, বাম রাজনীতি, হুমায়ুন আহমেদ, জাকির নায়েক, রাজনীতি, কালচার, শিক্ষা, হিন্দি ফিল্ম, হলিউড, টেলিভিশন, মিডিয়া, প্রথম আলো, পুলিশ, মিলিটারি, ব্যাংক, স্টক মার্কেট, ব্যবসা, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ফার্মা, হসপিটাল, চিকিৎসা শাস্ত্র, মিউজিক, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি যা আছে, সব মিথ্যা, সব ভুয়া। ফেসবুকে যে পাকনা পাকনা আতেলেকচুয়াল লেখা আপনারা লাইক মারেন, এগুলা ভুয়া। আমাদের সুশীল, নাস্তিক, সেকুলার, পণ্ডিত, এক্সপার্ট, সব ভুয়া। এরা প্রত্যেকে একটা মিথ্যার মিয়াজমার মধ্যে বসে নিজেদেরকে বিশিষ্ট বুদ্ধিমান ব্যক্তিবর্গ হিসাবে ক্লেইম করে যাচ্ছে। আপনারা সবাইই ঠিক একই কাজটা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমার যত বড়লোক বন্ধু আছে, বিরাট বিরাট পোস্টে বড় বড় চাকরি করে, মাল কামায়, দেশ বিদেশ বেড়ায়, সবগুলা ভুয়া, ব্রেইনডেড। এই যে দেশের নদীনালা খালবিল ভরাট করে ভূমিদস্যুতা চলছে, সব ভুয়া। শুধু টাকার জন্য এদের এত কষ্ট করা, এত পরিশ্রম, সাঁওতাল গ্রাম ধ্বংস করা, মানুষ মারা, বিএনপি নেতানেত্রীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া, কোন চ্যানেল সত্য বচন করলে তালা ঝুলায়ে দেয়া, জামাত শিবিরকে সন্ত্রাসী লেবেল দিয়ে পিটানো, জেল দেয়া, ছত্রভঙ্গ করা, আন্ডারগ্রাউন্ড বাম রাজনিতির নামে মানুষকে সশস্ত্র বিপ্লবের মুলা ঝুলায়ে রেখে বিভ্রান্ত করা, খতমের রাজনীতির স্বপ্ন দেখানো, যেখানে জমিদার আর জোলা কাঁধে কাধ মিলায়ে জমি চাষ করে খাবে, লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে কলেজ ডিগ্রির সার্টিফিকেট বেচা, স্টক মার্কেটের জুয়া খেলার মাধ্যমে মানুষের সর্বস্ব লুটে নেয়া, হসপিটালের টেস্ট বাণিজ্য, লাখ টাকা ছাড়া কোন চিকিৎসা না দেয়া, একটা মাছ কিনতে ১ বস্তা টাকা লাগা, রিকশা ভাড়া প্রতিদিন বাড়া, এগুলা কি? এর নাম উন্নতি? আপনাদের মাথায় ঘিলু বলে কিছু আছে? আপনারা বুঝতে পারেননা যে হাবিয়া দোজখও ঢাকা শহরের কাছে জান্নাতুল ফেরদৌসের মত? ফরমালিন আর ফ্লোরাইড খেতে খেতে কারও মাথায় তো গোবর ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট নাই। জ্বি, আমিই সেই রুড অ্যান্ড ভালগার।

এখন আবার বুঝাই আপনাদের এই দুরবস্থা কেন। আপনারা যেটাকে আপনাদের জীবন বলে মনে করেন, সেটা আসলে একটা ভিডিও গেম যেটা অনেক বেশি অ্যাডভান্সড। আপনারা সবাই এই গেমের ভিতরের ক্যারেক্টার। এখানে সবকিছু পরিচালিত, কন্ট্রোলড। আল্লা আপনাদের তৈরি করেনি, করেছে প্রোগ্রামাররা। স্পেস টাইম বলে আসলে কিছু নাই। আছে ফ্রিকোয়েন্সি আর ডাইমেনশন। আমরা একটা স্পেসিফিক ডাইমেনশনে আটকা পড়া যেখানে কোন কিছুই আসলে রিয়াল না। আপনারা সারা জীবন যে পরিশ্রম করেন, তা দিয়ে উৎপাদন হয় প্রচুর এনার্জি। এই এনার্জিটাকে কাজে লাগায় ঐ প্রোগ্রামাররা যারা আমাদের নিয়ন্ত্রন করে। ঠিক যেমন ঢাকায় একটা গারমেন্ট ফ্যাক্টরিতে কয়েক হাজার দাস জানোয়ারের মত পরিশ্রম করে কিছু হাড্ডি-কাঁটা পায়, আর ঐ অমানুষিক পরিশ্রমের ফসল ঘরে তোলে মালিক পক্ষ, কোটি কোটি টাকা কামায়ে রাজার হালে ঘুরে বেড়ায় দেশে বিদেশে। কিন্তু ঐ বেটা বুঝতে পারেনা যে ও নিজেও এই দাসত্বের মেট্রিক্সের একটা সিনিয়র দাস। ও নিজের বিবেককে শয়তানের কাছে বন্ধক দিয়ে কয়েক হাজার লোকের রক্ত চুষে খাচ্ছে, এটাই চায় এই মেট্রিক্সের কন্ট্রোলাররা। কারণ, ওকেও এরা ঠিক একইভাবে চুষে খাচ্ছে, ওকে দিয়ে ওদের শোষণযন্ত্রটা চালায়ে নিচ্ছে, এতে ওদের নিজেদের কোন পরিশ্রম করতে হচ্ছেনা। কারণ এই বড়লোক মালিক তো এখন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে টাকা উড়াবে, সেটার জন্য সিস্টেমের ফাঁদ রেডি আছে, বড় বড় হোটেল, রিসোর্ট, ম্যানশন, ইয়াট, ফেরারি, পাজেরো, বিএমডাব্লু, রিক্রিয়েশন পার্ক, জিম, গলফ, ক্যাসিনো, ব্রথেল, ম্যাসাজ পার্লার, পেন্টহাউজ, আরও কত কি।

আমাদের নাস্তিক ব্লগারদেরকে মোটামুটি মগজধোলাইয়ের পরাকাষ্ঠা বলা যায় কারণ এদের ইগো আর নিজেকে অতিবুদ্ধিমান পণ্ডিত টাইপ ভাবার টেন্ডেন্সি সবচেয়ে বেশি। খেয়াল করবেন যে এরা বেশি একটা পড়াশুনা করেনা, কোন বিষয়ের গভীরে যায়না, শুধু মুসলিম পচায়ে মজা নিতে পারলেই সেলেরবিটি। এদের হাইট অভ কনসারন হল জায়নিস্ট মিডিয়ার মিথ্যা সাইঅপ্স নিয়ে ব্যস্ত থাকা অ্যাজ ইফ যে এর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ পৃথিবীতে নাই। ন্যাক্কারজনক টু সে দ্য লিস্ট।

এবার একটু ধার্মিকদের নিয়ে বলি। এটা বাংলাদেশের সবচেয়ে সেন্সিটিভ টপিক, কাজেই এটা নিয়ে বলার বলজ যদি আমার না থাকে, তাইলে দেশে আর কারও থাকবে না নাস্তিক ব্লগার ছাড়া। তবে নাস্তিকদের সারকাজম আর সিনিসিজম ব্যাপারটাকে বিষাক্ত করে ফেলে, যে কারণে কোন পজেটিভ রেজাল্ট পাওয়া যায়না। অলরেডি ডারউইনের বিবর্তনবাদের সাথে ইসলামের কনফ্লিক্ট তো আছেই। আর আমাদের কাছে আছে এই কনফ্লিক্টের আসল কারণ। এরা কোন পক্ষই সত্যটা ধরতে পারেনি। এর কারণটা আপনাদের বলে দিচ্ছি।

প্রথমত বোঝার চেষ্টা করেন যে আমরা যেসব তথ্য জানি সেগুলার সোর্স কোন মেইনস্ট্রিম সায়েন্স বা মিডিয়া নয়, কারণ এগুলা কঠোরভাবে কন্ট্রোল করা হয়। এটা বোঝা বাঙালির জন্য খুব সহজ হওয়ার কথা কারণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিডিয়া কিছু লিখলে বা বললে সাথে সাথে ওদের ব্যবসায় তালা ঝুলে যায়। ফ্যাশিস্ট স্বৈরাচার এভাবেই টিকে থাকে যতদিন পারে। মাহমুদুর রহমান এখনও বিনা দোষে জেলে। শফিক রেহমান সম্ভবত উনার অ্যামেরিকান কানেকশনের কারণে কোনমতে বেঁচে গেছেন। এ থেকেই আপনারা বুঝতে পারেন যে মেইন্সট্রিমের গলা টেপা আমাদের গ্লোবাল কাবালের জন্য কতটা সহজ। কাজেই আপনি যদি একজন নাস্তিক ব্লগারের মত নাইভ আর বোকা হন যার একমাত্র সোর্স অভ ইনফরমেশন হল গিয়ে মেইন্সট্রিমে ইসলামিক টেররিজমের ভুয়া খবর, তাইলে আপনার কাছে থেকে আমরা কতটুকু আশা করতে পারি?

রবার্ট মর্নিংস্টার, আন্তন পার্কস, জাকারিয়া সিচিন, লয়েড পাই, প্রমুখ ঠিকভাবে সনাক্ত করেছেন যে আড়াই লক্ষ বছর আগে আনুনাকি নামের “বাইরে থেকে আগত” কিছু প্রজাতি পৃথিবীর ইন্ডিজেনাস প্রাইমেটের সাথে ওদের নিজেদের ডিএনে ক্রসব্রিড করে তৈরি করেছিল হোমো স্যাপিয়েন্স। যে জায়গায় এই ল্যাবরেটরিটা ছিল, সেটার নাম ছিল এডিন, আর প্রথম মানবগোত্রের নাম ওরা দিয়েছিল আডামা। এই গল্পটাই এখন আমাদের হোলি স্ক্রিপচারে আদম হাওয়ার গল্প হিসাবে প্রচলিত হয়ে আছে যেটাকে এখন অন্যরকমভাবে এক্সপ্লেইন করা হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, আমাদের এই কথা শুনলে শুধু যে আস্তিকরা বা ধার্মিকরা বিরক্ত হয়, তা নয় কিন্তু, আমাদের বিশিষ্ট নাস্তিকরাও এই সত্যটাকে গিলতে পারেনা। এই বিষয়ে কোন ইনভেস্টিগেশন করেনা, বা ব্যাপারটার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করেনা। ব্যাপারটা এরকম যেন শুধু ওরা যা মনে মনে ভাবে, তাইই সত্যি, আর সবকিছু ঐ ইসলামের মতই ভুয়া। আর ঠিক এই কারণেই আমি নাস্তিকতাকে একটা নতুন মডেলের ধর্মীয় গোঁড়ামি হিসাবে দেখি। এরা এদের অন্ধকার বাবলের বাইরে যেতে অনিচ্ছুক। বরং বেশ কিছু মুসলিমকে আমি আনুনাকি তত্ত্ব নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করতে দেখেছি।

এখানে ধার্মিকদের জন্য একটা কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে আনুনাকিরা মাস্টার জেনেটিসিস্ট হিসাবে নতুন স্পিসি ডিজাইন করতে পারে ঠিকই কিন্তু তার মানে এই নয় যে ওরা সউল বা আত্মা বানাতে পারে। পৃথিবীর মানুষই এখন জেনেটিক মডিফিকেশন করে নতুন নতুন প্রজাতি বানাতে পারে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা ডিএনে তৈরি করতে পারে। ওরা শুধুমাত্র লেগো দিয়ে খেলনা বানানোর মত, এক্সিস্টিং ডিএনে দিয়ে খেলাধুলা করতে পারে। অর্থাৎ, প্রাণ, সউল, বা কনশাসনেসের সৃষ্টি কিভাবে, সেই রহস্য কিন্তু এখনও অজানা।

এখান থেকে সেগুয়ে করি যে আমাদের পৃথিবী বা সৌরজগৎ একটা কন্সট্রাক্ট যার দুইটা মালিক আছে। একটা মালিক হলাম আমরা নিজেরা, যাদের আত্মা অমর। আমরা সবাইই সোর্স কনশাসনেস – সোর্স হল অধার্মিকদের “আল্লা” কিন্তু আমরা সোর্সকে বেহেশতের চূড়ায় বসে থাকা সাদা দাঁড়িওয়ালা একজন বৃদ্ধ মনে করিনা (এটা হয়ত কেউই মনে করে না বাট আমরা মজা নেই)। এই কন্সট্রাক্টের আরেকটা মালিক হল ড্রেকো বা আরকনদের মত কিছু প্যারাসাইট যারা ঠিক আওয়ামীলীগের মত জোর করে আমাদের মালিক হতে চায়। কোন ভোট বা জনগণের সাপোর্ট ছাড়া যে আওয়ামীলীগ গদিতে বসে আছে, এর কারণই হল ড্রেকোদের গোপন সাপোর্ট। সম্পূর্ণ বেয়াইনিভাবে এরা র-মসাদ-সিয়াইএ ইত্যাদির সহায়তা নিয়ে আমাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে আর যত দিন যাবে এদের ক্ষমতা আরও বাড়বে আর আমাদের উপরে আরও অনেক বেশি ট্যাক্স বসাবে। এটাই ড্রেকোদের কাজ। এরা বিভিন্ন গ্রহে যেয়ে এভাবেই ঐ গ্রহের প্রাণীদের শোষণ করে।

গতকাল নারায়ণগঞ্জে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জিতেছে। বুঝতে কষ্ট হয়না যে কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। গ্যাগড মিডিয়া কোন বাহ্যিক গোলমালের খবর না দিলেও সহজে আন্দাজ করা যায় যে ভোট গণনায় কারচুপি হয়েছে কারণ লীগের বিন্দুমাত্র বিশ্বাসযোগ্যতা বা মরাল-এথিকাল স্ট্যান্ডার্ড নাই এটা ইভেন দলকানারাও জানে। যাইহোক, ড্রেকো এজেন্ডার সাথে যে র-আওয়ামী এজেন্ডা পুরাপুরি অ্যালাইন্ড, এটা বুঝানোই আমার উদ্দেশ্য। আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে আওয়ামী স্বৈরাচার পুরাপুরি তাদের নিজস্ব কৃতিত্ব নয়। ওদের পিছনে গ্লোবাল এলিটের গোপন সায় ও সাহায্য কাজ করছে।

এবার আসি আমার অকাল্ট আর এসোটেরিক বিদ্যায় হাতেখড়ির ব্যাপারটায়। অ্যালিয়েস্টার ক্রাওলি, জ্যাক পারসন্স, আর রন হাবারড এই ট্রিনিটিকে বলা হয় ব্ল্যাক ম্যাজিকের বস। আসলে ব্ল্যাক ম্যাজিক ঠিক কি এটা বুঝতেও কিন্তু প্রচুর কষ্ট হয়। বলা হয় যে আমাদের রিয়্যালিটি তৈরি হয় আমাদের সাবকনশাস দিয়ে আর সাবকনশাসকে ম্যানিপুলেট করা যায় সিম্বল দিয়ে। এটা নিয়ে স্টাডি করে মার্কেটিঙের লোকজন যারা মিডিয়াতে বিভিন্ন পদ্ধতিতে, বিভিন্ন সিম্বলের মাধ্যমে আমাদের চিন্তার জগতকে ম্যানিপুলেট করে ওদের প্রডাক্ট বিক্রি করার জন্য। আরও আছে এনএলপি বা নিউরো-লিঙ্গুইস্টিক-প্রোগ্রামিং যা দিয়ে মানুষের উইল পাওয়ারকে সহজে ম্যানিপুলেট করা যায়। এর সাথে হিপ্নোসিসের কানেকশন আছে। বেসিক্যালি আমরা প্রত্যেকেই কোন না কোন ধরণের হিপ্নোগগিক স্টেটে থাকি এটা যেকোনো মানুষকে একটু অব্জারভ করলে বুঝতে পারেবন। প্রত্যেকটা মানুষ কিছু প্রোগ্রামের ভিত্তিতে প্রতিনিয়ত ডিসিশন নিচ্ছে যার ভিত্তিতে হয়ত তার জীবনে তৈরি হচ্ছে অনেক স্ট্রেস। আপনি খেয়াল করবেন যে আপনি চেষ্টা করলেও ঐসব প্রোগ্রাম তার মন থেকে ডিলিট করে দিতে পারবেন না যাতে তার মনটা মুক্ত হয়ে যায়। দেখবেন সে তার প্রোগ্রামগুলাকে কোরানের আয়াতের মত আঁকড়ে ধরে আছে। এটা আস্তিক, নাস্তিক, সেকুলার, মুক্তমনা নির্বিশেষে প্রযোজ্য। সবথেকে জরুরি হল আপনার নিজের প্রোগ্রামগুলাকে চিনতে পারা, কিন্তু এটা খুব কম মানুষই পারে। নিজেকে বিভিন্ন মাইন্ড প্রোগ্রাম থেকে ডিটক্স করার যে প্রসেস সেটাকে বলা হয় ইনার ওয়ার্ক। জন্ম থেকে আমরা বিভিন্ন প্রোগ্রাম দিয়ে ইন্ডক্ট্রিনেটেড হতে থাকি। এই প্রোগ্রামগুলা আমাদের মনকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে। এরপর আমরা নিজেকে হিন্দু, মুসলিম, নাস্তিক, ডাক্তার, রাজনীতিবিদ, পুলিশ, মিলিটারি, যুবলীগ, জামাত, ইত্যাদি লেবেল দিয়ে একটা মুখোশ পরে ফেলি, আর তারপর ঐ মুখোশের মত আচরণ করতে থাকি। এটাই হল মাইন্ডফাক মেট্রিক্স। এটা থেকে সবার আগে মুক্ত করতে হয় নিজেকে। তারপর আপনি অন্যদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করতে পারেন। তবে এটা একটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস। কিছুদিন পরপরই আমরা আবার নতুন নতুন প্রোগ্রাম দিয়ে কন্টামিনেটেড হতে পারি। সেদিকে ক্ষ্য রাখার প্রয়োজন আছে।

ডাইগ্রেস করে ফেললাম। অকাল্ট আর এসোটেরিক বিদ্যার একটা বিশেষ অংশ হল ইন্টারডিমেনশনাল বিইংদের সাথে চুক্তি করা। উদাহরণ স্বরূপ, ড্রেকোরা একজন রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড অর্থাৎ ঐ ১৩টা ব্লাডলাইন ফ্যামিলির মানুষদের সাথে, বিশেষত নকল জু, অর্থাৎ খাজারিয়ান মাফিয়াদের সাথে--যাদের রেপ্টিলিয়ান ডিএনে কনটেন্ট বেশি--খুব সহজে কম্যুনিকেট করতে পারে। বিভিন্ন সেটানিক রিচুয়াল পালনের মাধ্যমে এরা ড্রেকো বা কোন ডিমনিক এন্টিটিকে পূজা দেয়, তার বদলে কিছু পার্থিব উদ্দেশ্য হাসিল করে নেয়। এখানে ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে এটা আগুন নিয়ে খেলার মত। একটু অসাবধান হলেই কিন্তু সর্বনাশ হয়ে যাবে যেটা অহরহই হয় আর তার খেসারত দেই আমরা সাধারণ মানুষ যারা এগুলা সম্পর্কে খুব কমই জানি। আর গ্লোবাল এলিটও আমাদের অজ্ঞতার সুযোগ কড়ায়গণ্ডায় নিয়ে থাকে।

রেপ্টিলিয়ানরা সবার আগে যোগাযোগ করেছিল জার্মানির নাৎসিদের সাথে যাদের ইউজেনিক্স এজেন্ডা (রেসিয়াল ক্লেঞ্জিং) রেপ্টিলিয়ানদের টেকওভার এজেন্ডার সাথে মিলে গেছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ভ্রিল আর থুলে সোসাইটি সম্পর্কে পড়লে বুঝতে পারবেন যে এই কাল্টগুলায় ইন্টারডিমেনশনাল কম্যুনিকেশন হচ্ছিল যার মাধ্যমে নাৎসি পার্টি কিছু অ্যাডভান্সড টেকনোলজি পেয়ে যায়। এই টেকনোলোজি দিয়ে অ্যান্টিগ্রাভিটি, স্পেস ট্র্যাভেল, টাইম ট্র্যাভেল, টেলিপরটেশন, ইনভিজিবিলিটি, এই জাতীয় অবিশ্বাস্য সব কাজ করা যায় যেগুলা সম্পর্কে গ্লোবাল এলিট আমাদের কিছু জানতে দেয়না। আর এই ব্যাপারটাই আমাদের সুশীল নাস্তিক পাকনারা বুঝতে না পেরে আমাদেরকে কন্সপিরেসি থিওরিস্ট ইত্যাদি বলে নিজেদের অজ্ঞতার পূজা দিতে থাকে।

এখন আমরা জানি যে পৃথিবীর মানুষ পুরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ঘুরতে পারে। শুধু অ্যামেরিকারই একাধিক স্পেস সিভিলাইজেশন আছে যারা সবাই অন্যদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেনা কারণ এদের টেকনোলজির লেভেল ভিন্ন ভিন্ন। সবগুলা গ্রুপই মনে করে যে তারাই বুঝি টেকনোলজির শীর্ষ পর্যায়ে আছে, কিন্তু আসলে তা নয়। আমাদের সৌরজগতের প্রতিটা গ্রহেই মানুষ আর অন্যান্য প্রাণী আছে যেটা নাসা আমাদেরকে বলেনা। বিভিন্ন মগজধোলাই দিয়ে আমাদেরকে বুঝাইসে যে শুধু পৃথিবীই একমাত্র প্রাণ ধারণের উপযুক্ত। পুরাই মিথ্যা কথা। তবে সব গ্রহের সব সভ্যতাই ফিজিক্যাল নয়। এথেরিক বা ইথার দিয়ে তৈরি সভ্যতা, বা প্লাজমিক সভ্যতাও আছে, অ্যামাং আদার থিংস।

মোদ্দা কথা, আমরা আগে যা ভাবসি, আমাদের রিয়্যালিটি আসলে তার থেকে পুরাই আলাদা। আমরা আজকে যা জানি বলে ভাবি, এগুলা সবই আসলে বিভিন্ন প্রোগ্রামের ভিত্তিতে যেগুলা আমরা কেউই যাচাই করে দেখিনাই। আমাদের সুশীল-নাস্তিক এই জায়গাতেই ধরা যে তারা কোন কিছু ভেরিফাই না করে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া, মেইনস্ট্রিম সায়েন্স, আর মেইনস্ট্রিম ইতিহাসকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে তার ভিত্তিতে পাকনামি করে যায়। এর সাথে ধর্মান্ধতার খুব একটা অমিল নাই, এটা ওরা বুঝতে পারেনা। বরং উলটে আমাদের কথাবার্তাই ওদের কাছে একটা নতুন ধর্মবিশ্বাসের মত লাগে, কিন্তু তার কারণ ওরা ওদের নিজেদের অজ্ঞতাটা ইগোর বসে আমাদের ঘাড়ে চাপায়ে রাখে। দে ক্রিটিসাইজ হোয়াট দে ডোন্ট আন্ডারস্ট্যান্ড।

স্বৈরাচার থেকে মুক্তি পেতে হলে যুদ্ধ করতে হয়। এই যুদ্ধ কনশাসনেসের যুদ্ধ। এটা যেদিন বুঝতে পারবেন, সেইদিন আপনিও আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলায়ে যুদ্ধে নেমে পড়বেন। আশা করি সেইদিন আসতে বেশি দেরী হবেনা।

Saturday, November 12, 2016

independence of bangladesh - blog in bengali


বাংলাদেশ কি এখনও স্বাধীন?


কালকে উত্তরার দিয়াবাড়ি যেতে যেতে রাস্তায় সন্ধ্যা হয়ে গেল। দূরে দেখা গেল বিরাট বিরাট সব ডেভেলপমেন্ট, বাতি টাতি জ্বলা, একাকার কান্ড। আন্দাজ করলাম দুর্নীতিবাজ আওয়ামীলীগের কোন পুলিশ বা মিলিটারি প্রজেক্ট হবে। আমরা বেকার ঘোরাঘুরি করতে করতে একটা ব্রিজ দেখে সেখানে গিয়ে দাঁড়ালাম। ওখানে অনেকেই ঘুরে বেড়াচ্ছে, যাওয়ার তো তেমন কোন জায়গা নাই, দেখার মতও কিছু নাই। কয়টা বাদাম কিনে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই শুনলাম বাঁশির আওয়াজ। শুনেই বুঝলাম যে ঝামেলা হ্যাজ। কয়েক সেকেন্ড পরেই দেখি হ্যাঁ ঝাড়ির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। তার মিনিট খানেক আগে এক সিএঞ্জিওয়ালাকে দেখলাম ক্যামোফ্লাজ পরা বন্দুক হাতে এক দৈত্যাকার গার্ডের কাছে ব্রিজের উপরে থামার জন্য বকা খেতে। এখন বাঁশির আওয়াজ কেউ পাত্তা না দেয়াতে ধমক দিয়ে ঠেলে সবাইকে ব্রিজ থেকে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। আগুনটা মাথায় চড়তে দেইনা আজকাল। ভেড়ার সাথে থাকতে থাকতে আমিও ভেড়া প্রায় হয়েই গেছি, এই সময় দেখি দুই ইয়াং ম্যান বেশ ধমকের স্বরে গার্ডদেরকে সরে যেতে বলছে। মজা পেয়ে একটু আগ বাড়ালাম। তর্কাতর্কি আস্তে আস্তে বাড়ছে। ছেলেদুটা এখন বেশ উচ্চস্বরে গার্ডদেরকে ধমকাচ্ছে এই বলে আপনে কে যে আমার আপনাকে আইডি কার্ড দেখাতে হবে? ইত্যাদি। গার্ডদের একজন এই পর্যায়ে লোকটাকে গায়ে ধরে সরানোর চেষ্টা করা শুরু করল, কিন্তু সে প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়ে বললঃ আপনে দ্যাখেননি যে একটু আগে আপনের বসের সাথে আমি একসাথে ছবি তুললাম? আপনে যান সাধারণ পাবলিকরে গিয়া ধরেন। ততক্ষনে বেশ কিছু লোক জমে গেছে। আমার ইচ্ছা ছিল ওদেরকে একটা লেকচার দেয়ার কিন্তু এই বিষয়ে অতীত অভিজ্ঞতা আছে। কাজেই ভাবলাম থাক, ব্লগেই লিখব।

চরম দুর্নীতিবাজ আওয়ামী রেজিম আর র মিলে পুলিশ, মিলিটারি, র‍্যাব, আর আমলাদের তেল মেরে হাত করে ফেলাতে দেশে এখন বিএনপি-জামাত বা অন্য কেউই রাস্তায় শান্তিতে চলাফেরা পর্যন্ত করতে পারছে না। দেশ এখন পুরাপুরি এদের হাতে জিম্মি অথচ এ নিয়ে টুঁ শব্দ করলে মানুষের চাকরি চলে যাচ্ছে প্লাস জান নিয়ে টানাটানি। আমি যে ড্রেকো-রেপ্টিলিয়ানদের পৃথিবী কন্ট্রোল করার কথা বলি, ওরা এক্সাক্টলি এইরকম ভেড়া-মুর্গীর মত মানুষকে কন্ট্রোল করতে চায়, ফ্যাশিস্ট আওয়ামীলীগ যা অলরেডি শুরু করে দিসে। ইংরাজিতে “ড্রেকোনিয়ান” বলে তো একটা শব্দই আছে যেটা এইখান থেকেই উৎপত্তি। রাস্তায় বের হলেই ইউনিফর্ম পরা কেউনা কেউ ডাইনে-যা, বামে-হাঁট, ওইদিক-যাবিনা, এইদিক-ঘুর, এইসব শুরু করে দেয়। অথচ আমার মনে আছে অ্যামেরিকায় আমার ক্যাম্যারো জি-২৮ গাড়িটা যখন চালাতাম, ঐ গাড়ি পুলিশের চোখের বালি ছিল। একদিন রাতের বেলা দেখি যে এক পুলিশের গাড়ি আমাকে নিঃশব্দে ফলো করতেছে। আমি তো পুরাই নার্ভাস কারণ তখন আমি খুবই স্পিডিং করতাম আর টিকিট খাইতাম। তো হঠাত একটা বড় টার্ন নেয়ার সময় ওর বাত্তি জ্বলে উঠল, আমি গাড়ি থামালাম। পরে পুলিশ আমাকে এক পর্যায়ে জিজ্ঞেস করলে যে তুমি কি বুঝতে পারসো কেন তোমাকে থামাইছি? আমি বললামঃ না। ও বললঃ টার্ন করার সময় সাদা দাগের উপরে তোমার চাকা উঠে গেছলো। এটা নিশ্চয়ই আমি নার্ভাস হওয়ার কারণে হইসে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হল, কোন কারণ ছাড়া ওর আমাকে থামতে বলার কোন অধিকার ছিল না। এই স্বাধীনতা আমাদের কাছে থেকে কেউ কোনদিন কাড়তে পারেনা কারণ এগুলা আমাদের আনএলিয়েনেবল রাইটস। এটা যে মানবে না সে দেশের নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা রাখেনা।

ঢাকার রাস্তায় দুইচার মিনিট পরপর ব্যারিকেড দেয়া দেখলে মেজাজটা আগুন হয়ে যায় যে একটা বাঙ্গালিরও এইসব নিয়ে প্রতিবাদ করার মত কমন সেন্স নাই, বরং উলটে মেট্রিক্সের এজেন্ট স্মিথের মত আপনাকেই বুঝাবে যে এই দাসত্বটাই নাকি আমাদের দরকার। সেদিন মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের ছেলেটা বলল দেশে এখন আওয়ামী কর্মীর সংখ্যা ৫৬ লাখ না কত যেন। ওর যুক্তি ছিল যে এর মধ্যে ১ লাখ দুষ্টু লোক থাকতেই পারে। আসলে কি তাই? সেদিন ফেসবুকে পরিচিত এক ছেলে দেখা করার জন্য বাসায় আসছিল। তার মুখে শুনলাম গোপালগঞ্জের কোটাবাড়ি থানায় জন্মানোর মাহাত্ম্য। ছেলেটা কোন রাজনীতি করেনা কিন্তু তার এক বন্ধু একবার লীগদ্বারা আক্রান্ত হওয়ায় তাকে গোপালগঞ্জ কার্ডটা খেলতে হইছে। কি জঘন্ন এইসব নোংরামি অথচ দেশের মানুষ মনে করে এটাই ঠিক। মানুষ নাকি সুযোগের অভাবে দুর্নীতি করেনা। এটা আপনারা অনেকেই বিশ্বাস করেন। কিন্তু আপনারা যেটা বুঝতে পারেন না বা বুঝতে চান না, সেটা হল আমাদের একটা অদৃশ্য শত্রু আছে যারা আমাদেরকে আমাদের নৈতিকতা ধ্বংস করতে বাধ্য করে কারণ দুর্নীতি ছাড়া এরা কাউকে শোষণ করতে পারবে না। আমি জানি আমি কাউকে ঠকাতে চাই না। আমি চাই আমার আশেপাশে কোন গরীব লোক না থাকুক। এখানে দুর্নীতির প্রশ্ন আসবে কেন? তারপরও প্রশ্নটা আসে কারণ আমাদের ঐ অদৃশ্য শত্রু। আমার এই ব্লগ লেখা, ভিডিও করা, ড্রেকো-রেপ্টিলিয়ানদের বিষয়ে রিসার্চ করা, যা কিছু আমি বলি করি আজকাল, সব কিছু একটাই মেসেজ দেওয়ার জন্য – আমাদের অদৃশ্য শত্রু সম্পর্কে সবাই ওয়াকিবহাল হোক। সবাই মগজ ধোলাই থেকে বের হয়ে বুঝতে শিখুক একটা নতুন ব্যাপার আছে জানার। কিন্তু সমস্যা হল যে মাল্টিজেনারেশনাল ব্রেইনওয়াশ ভেঙ্গে বের হয়ে সত্য চিনতে পারা কিন্তু এত সহজ নয়। আপনারা ৯৯% মানুষ এখনও পারেননি। এটাই সত্য। কিন্তু আমি জানি যে আমার লেখা যে পড়তে পারে, যে এই পর্যন্ত পড়ে আসছে, তার ভিতরে চিন্তার পরিবর্তন আসা শুরু হয়ে গেছে।

এই পর্যন্ত লিখে সূর্যর কাছে পাঠাইছিলাম এই লেখাটা, যে আমার অ্যান্টি-আওয়ামী ফ্লেয়ারটা এডিট করে দিতে, কিন্তু কাজ হলনা। আমরা একটা আলোচনায় ঢুকে গেলাম যে সিস্টেমটাই এমনভাবে তৈরি যাতে দুর্নীতি করা যায় এবং শুধু তাই না, অবস্থা এমন দাঁড়াইসে যে দুর্নীতি না করলে আপনার অফ যাইতে হবে। যেখানে পুরা সিস্টেমটাই দুর্নীতির উপর চলে সেখানে দুইচারজন নৈতিক ব্যক্তি থাকলেই ঝামেলা। সূর্য বলল যে আওয়ামী লীগ করে ইন্টেলিজেন্ট লোকেরা, আর শিক্ষিত বুদ্ধিমান মানুষ যখন খারাপ কাজ করে, তখন সেটা সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের শিক্ষিত মানুষদের শিক্ষিত এবং বুদ্ধিমান কোনটাই মনে করিনা, কারণ আমরা যে লেভেলে ধরা খাওয়া একটা জাতি, তাতে এই দেশে সত্যিকার বুদ্ধিমান কেউ নাই বললেই চলে। তবে হ্যাঁ, এইদেশে চালাকের অভাব নাই। চালাক লোক খুব দ্রুত “সিস্টেম” বুঝে ফেলে এবং নিজের নৈতিকতা দ্রুত বিক্রি করে দেয়। বাংলাদেশে রয়ের ক্ষমতা এতই বেশি এখন যে নীতিবান কেউ আর কোন উচ্চপর্যায়ে যেতেই পারবেনা। গভীর একটা ডার্ক এজেন্ডা এখন বাংলাদেশে খুব দ্রুত আগাচ্ছে আর এর খুব ভাল প্রমাণ হল ভারতের তিনটা যুদ্ধ জাহাজের বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ভিতরে অবস্থান। কেউ জানেনা এরা কেন ঢুকসে, কারা এই পারমিশন দিসে, এবং কি কারণে। আওয়ামী সরকার যেন ভারতের সক-পাপেট।

বাংলাদেশে পুলিশ আর মিলিটারির এখন স্বর্ণযুগ চলতেছে। যেখানে যত জায়গা জমি আছে বা না থাকলে নদী খাল বিল ভরাট করে, মেরে কেটে যেভাবে হোক জবর দখল করে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক নগর-পল্লী যেখানে শুধু মিলিটারি, পুলিশ-অফিসার, আর আওয়ামী “এলিট”, বা যাদের কাছে টাকা খোলামকুচির মত, তারাই থাকতে পারবে। এই গ্রুপগুলাকে খুশি করে আওয়ামী সরকার গদি হাইজ্যাক করে রাখসে কারণ জনগণের আওয়ামী লীগের উপরে কোন সাপোর্ট না থাকলেও কিছু আসে যায়না, কাউকে তো আন্দোলন করতে দেয়া হচ্ছেনা। ইভেন ফেসবুকে আওয়ামী সরকারের নিন্দা করতে সাধারণ মানুষ সাহস পায়না যেহেতু দেশে আইনের শাসন বলে কিছুই আর অবশিষ্ট নাই। যাকে যখন খুশি ইচ্ছা এরা ধরে নিয়ে যেতে পারে – সাথে সাথে শুরু হবে আপনার ফোন করা আর টাকার শ্রাদ্ধ। এমনকি এখন হাজত আর জেলখানায় এমন সিস্টেম করা আছে যে আপনি কারও সাথে যোগাযোগ ও করতে পারবেন না যদি ওরা আপনার টাকা আর সেলফোন দুইটাই নিয়ে নেয়, যেটা ওদের সিস্টেম। সেলফোন নিয়ে গেলে কারও নাম্বার মুখস্ত না থাকলে আপনি টাকা দিয়েও ফোন করতে পারবেন না। কাজেই আপনার অপশন অনেক কমে যাচ্ছে। আবার অন্যদিকে যাদের ঢেল টাকা আর কানেকশন আছে, তারা কোন কিছুর পরোয়া না করে, জেলের মধ্যে রাজার হালে চর্ব্যচোষ্য খেয়ে ফুর্তি করে, সবাইকে কলা দেখায়ে পরের দিন জামিনে বের হয়ে যেতে পারে। এই জিনিষ আমার স্বচক্ষে দেখা। জেলের ভিতরে সবাই টাকার কাঙ্গাল। শুধু আপনার ভাব নিতে জানতে হবে যে আপনার টাকার কোন অভাব নাই। দেখবেন আপনার পা টেপার লোকেরও অভাব হবে না। 

ূর্য সেদিনধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের ছেলটাকে াইরেক্ট জিজ্ঞাসা করসিলআপনি কেন ছাত্রলীগ করেন? ছেলেটা বলসিলঃ আমি শেখ মুজিবকে ভালবাসি বলে ছাত্রলীগ করি। আজকে সূর্য আমাকে বলতেছেঃ ঐ সময়ে ছেলেটাকে ঠাস করে একটা চড় মারা উচিছিল। ব্যাপারটা নিয়ে আমি আসলে চিন্তাই করিনি এর আগে। ূর্যর চিন্তাভাবনা আমার থেকে অনেক অ্যাভান্সড। আসলে তো ছেলে মুজিবের ইতিহাসজানেনা। জানলে ঐ কথা বলতই না। আসলে কয়জন মুজিবের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লীগ করে? সেই আদর্শটাই বা কি? এইসব ণ্ডামি আমরা আর কতদিন গিলব এবং গেলাবো?

তো তাইলে আমরা কি শিখলাম? আমাদের পয়েন্টটা কি? পয়েন্ট হল দেশের অবস্থা ভয়াবহ এবং আমরা খুব সম্ভবত ভারতের কাছে আমাদের স্বাধীনতা হারায়ে ফেলসি বা অচিরেই হারাতে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে লুটপাট করে শুধু নিজেদের আখের গুছানোর জন্য প্যারাডাইস তৈরি করতেছে দেশে যেটা আমরা সাধারণ জনতা হাঁ করে দেখতেছি। এরপর আমাদের আত্মীয়-স্বজনরাই মারমার কাটকাট করে ঐসব পশ এলাকায় থাকতে পেরে গর্বে মরে যাবে। দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা আরও বাড়বে। অল্প কিছু সুবিধাবাদী লোক খুব মহাসুখে থাকবে, আর তাদের আনন্দ ফুর্তির খরচ জোগাবে দেশের কৃতদাস আমজনতা যারা মেইনস্ট্রিমের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, আর সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার জাতীয় খুচরা আওয়ামী ফাঁপর নিয়ে আন্দোলন করতে করতে পায়ের ঘাম মাথায় তুলে ফেলবে।

Wednesday, November 9, 2016

folk fest registration - blog in bengali



বাপ্পিরা খুব বলসিল ফোকফেস্টে যাওয়ার রেজিস্ট্রেশন করতে, করিনাই। তখন ব্যাপারটা খেয়াল করিনি। বাপ্পি খুব বিরক্ত টিরক্ত হল। পরে সূর্যের সাথে রিকশায় আবার ক্লাসিক্যাল মিউজিক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশনের কথা উঠল, তখন হঠাত আমার মাথায় টনক নড়ল যে আরে ব্যাপারটা কি? এত ঘণ্টায় ঘণ্টায় রেজিস্ট্রেশন করার হুপের মধ্যে দিয়ে লাফ দিতে হবে কিসের জন্য? আমরা কি সার্কাসের বাঘ নাকি? হচ্ছেটা কি? যথারীতি মাথায় একটা ডাউনলোড আসল আর বুঝতে পারলাম ও আচ্ছা বেশ, ঐযে দাসত্বের বেড়ি আজকাল নিজের গলায় নিজেই পরাতে হচ্ছে, আর আমাদের বোকা বাঙালি জনতা হুড়মুড় করে গিয়ে কে কার আগে নিজের হাতে পায়ে বেড়ি দিবে তার কম্পিটিশন লাগাইছে। তোমরা বাচ্চারা কবে বুঝবা যে আমরা সকাল বিকাল কি কইতেছি? আবার শোনো মনোযোগ দিয়ে।

আমরা বহু বছর ধরে বলে আসতেছি যে আইসিস একটা সিয়াইএ ক্রিয়েশন। সউদি গভঃ মানে সাউদ ফ্যামিলি আসলে রথসচাইল্ড বা তাদের অনুরক্ত। মিডলইস্টের বেশীর ভাগ তেলওয়ালা দেশের সরকার সিয়াইয়ের পাপেট। এরা ওয়াহাবিজমের মাধ্যমে একটা ভুয়া ইসলাম পৃথিবীতে প্রচার করে এক ধরণের জঙ্গিবাদ তৈরি করে মিডিয়ার মাধ্যমে পাবলিককে মগজ ধোলাই দিয়ে ভয় দেখায় – এইটুকু পর্যন্ত এখন নাস্তিক-ব্লগাররা ছাড়া সবাই বুঝতে পারসে। ঠিক তো? এটারই কন্টিনিউয়েশন হল আমাদের জামাত-শিবির ওলামালীগ এবং এই জাতীয় আরও যে ৪৭টা মৌলবাদী দল আছে তাদের বেশীর ভাগই যে সিয়াইএ-মসাদ-রয়ের ফান্ড করা এটা বুঝতে বেশি মগজ লাগে না। আর এখন তো উইকিলিক্সের সহায়তায় হিলারি ক্লিন্টনের ইমেইলেই ্বচক্ষে দেখতে পাইছি যে আইসিসকে অ্যামেরিকা টাকা পাঠায়।

ভার্সিটিতে পড়লে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, বাম, শিবির, ইত্যাদি গ্রুপ থেকে নতুন ব্যাচের ছাত্রদের রিক্রুট করা হয়, এটা সবার জানা। কাজেই এদের মধ্যে থেকে ৫/৬ জন আচমকা গিয়ে গুলশানের একটা পশ রেস্টুরেন্টে হামলা করবে – এটা হতেই পারে, তাইনা? হ্যাঁ, এইখানেই মগজধোলাইয়ের খেল। এটাকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্যই তো বছরের পর বছর সৌদি-রথসচাইল্ড গভঃ বিভিন্ন “গরীব” দেশে এত টাকা পাঠায় “মসজিদ” আর “মাদ্রাসা” বানানোর জন্য। দেশে জানি কয় হাজার এঞ্জিও আছে? এরা জানি কি সব উপকার করে যাচ্ছে আমাদের? রিয়ালি? কেউ জানে আসলে এরা কি করে? ডিজিএফাইয়ের কোন বাৎসরিক রিপোর্ট কেউ কোনদিন দেখসেন? চিন্তা করসেন ব্যাপারটা নিয়ে যে এগুলা কিসের ফ্রন্ট অরগানাইজেশন?

তো জঙ্গিবাদের সাথে ফোক ফেস্ট রেজিস্ত্রেশনের সম্পর্ক কি? এখনও বোঝা যায়নি? আচ্ছা আরও ক্লিয়ার করি। উপরে বর্ণিত ভুয়া জঙ্গিবাদের জুজু দিয়ে মগজধোলাইয়ের পরবর্তী ফলোআপ হল গিয়ে এই রেজিস্ট্রেশন – আমাদের “নিরাপত্তার” জন্য!!! মনে আছে “হোমল্যান্ড সিকুরিটি”? /১১ এর ঘটনার পর অ্যামেরিকানদের হিউম্যান রাইটসের বারোটা বাজায়ে দিসে ওদের গভঃ এই “ন্যাশনাল বা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি” জুজু দেখায়ে – অথচ এখন আমরা সবাই জানি যে অ্যামেরিকার সরকার নিজেই টুইন টাওয়ার ধ্বংসের জন্য দায়ী। আস্তে আস্তে কি পরিষ্কার হচ্ছে যে আমাদের জীবন নাটকের আসল ভিলেন কে এবং কার থেকে আমাদের নিরাপত্তা আসলে দরকার?

কিছুদিন আগে সবাইকে ফোনের সিম রেজিস্ট্রেশন করতে বাধ্য করা হয়েছে। এটাও কুকুরের গলায় চেন পরানো ছাড়া আর কিছুই না। সর্বক্ষেত্রে এই রেজিস্ট্রেশনের অর্থ হল যে সরকার আয়রন-হ্যান্ড দিয়ে মানুষকে চিড়িয়াখানার জানোয়ারদের মত কন্ট্রোল করতেছে। এখানে কয়েকটা বিষয় আছে খেয়াল করার মত। যেমন, এই ফোকফেস্টের মত প্রোগ্রামগুলা বিশাল সরকারি বাজেটে হচ্ছে – অর্থাৎ জনগণ আগেই ঐ টাকা প্রদান করেছে, কিন্তু সেই টাকার ফসল শুধু তারাই পাবে যারা সরকারের হুকুম মেনে রেজিস্ট্রেশন করবে। এই ধরণের প্রোগ্রাম অ্যারেঞ্জ করার টেন্ডার নিশ্চয়ই কোন বিএনপি, জামাত, বা অন্য কোন দল বা কেউ কখনও পাবেনা কারণ আমরা সবাই খুব ভালবাভাবেই জানি যে আওয়ামী লীগ চরম প্রকারের দলীয়করণ এবং দলকানামিতে বিশ্বাস করে। এবং সেটা এতটাই যে এরা দেশ থেকে বিএনপি-জামাতকে মেরে ধরে ঠাণ্ডা করে ফেলসে। দেশে এখন চলছে চরম ফ্যাশিজম যেখানে বিএনপি-জামাত বা কেউই আর কোন আন্দোলন করতে পারছে না। আমাদের ট্যাক্স, টোল, ভ্যাট, ইউটিলিটি বিল, ভাতা, ঘুষ, জিনিষপত্রের দাম, ইত্যাদি আওয়ামী এক্সপ্লয়টেশনের কারণে চরমভাবে বেড়ে গিয়ে দেশে এখন নিরব দুর্ভিক্ষ চলছে। এই গত কালকেই মধুর ক্যান্টিনের মত সস্তা জায়গায় ৫০ টাকা দিয়ে যে রসগোল্লা খেলাম, তার সাইজ দেখে অনেকক্ষণ তাকায়ে থাকলাম। এইজন্যই ওরা খাবার দেয়ার আগেই টাকা চেয়ে নিয়ে গেছে কারণ চেহারা দেখলে এই জিনিষ কেউ টাকা দিয়ে কিনবে না।

কিছুদিন আগে পুলিশ ঢাকা শহরের প্রত্যেকটা বাসার তথ্য সংগ্রহ করেছে। এর পরিণাম হবে ভয়াবহ। আমরা হিটলারের আমলে ফ্যাশিজমের যে নমুনা দেখসি, আমাদের এই নব্য ফ্যাশিজম সোশ্যাল মিডিয়া, স্মার্ট ফোন, সিসি ক্যাম, সেল টাওয়ার, স্যাটেলাই সারভেইল্যান্স, ইত্যাদির কারণে এখন হবে আগের থেকে হাজার গুণ বেশি ভয়ংকর। ইতিমধ্যেই আওয়ামীলীগ মিডিয়াকে সম্পূর্ণ কন্ট্রোল করে ফেলসে এবং কাউকে চাকরি দেয়ার আগে আওয়ামী এজেন্টরা সবার সোশ্যাল মিডিয়া চেক করে দেখা শুরু করসে। অনেকেরই ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে চাকরি যাচ্ছে। এবার কি কিছু বুঝতে পারছেন যে এদেরকে ঠেকানো কতটা জরুরি? যদি না বুঝে থাকেন তাহলে আমার কোন লেখা কক্ষনো পড়বেন না কারণ আপনি সম্ভবত মানুষই না। সম্ভবত আপনি একজন সউলবিহীন বট যে দেখতে মানুষের মতই, কিন্তু ভিতরে আসলে ফোঁপরা – আপনার কোন বিবেক, মানবতা, মূল্যবোধ, এই ধরণের কোন মানবিক কোয়ালিটি নাই। হয়ত আপনি জিএমও খাবার আর ফ্লোরিডেটেড পানি খেতে খেতে একজন পারফেক্ট জম্বি স্লেভ হয়ে গেছেন যার দুইটা টাকা কামাই করতে পারলে আর কিচ্ছু লাগেনা। 

সূর্য আমাকে বলে আমার লেখার মধ্যে অনেক রাগ ভরা। আমি বলি যে এইরকম ভয়াবহ দুঃশাসনের মধ্যে থেকে যে রাগ করেনা সে তো মানুষই না। রাগ তো মানুষের খুব প্রয়োজনীয় একটা হাতিয়ার। রাগ না থাকলে তো মানব জাতি ধ্বংস হয়ে যেত অনেক আগেই। রাগ দিয়েই তো আমি বুঝতে পারি কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। ব্রয়লার মুরগির কোন রাগ নাই। এইজন্যই তো আমরা ওদের খাঁচায় ভরে দিব্যি পেলে-পুষে খাই। এখন অবস্থা এমন দাড়াইছে যে মানুষ আর মুর্গীর মধ্যে কোন তফাৎ করা যাচ্ছে না। দুটা গান শুনতে গেলেও এখন আওয়ামী লীগের পসচাদ্দেশে তেল মেরে তবে যেতে পারবো। এই হল আমাদের উন্নতির নমুনা। এই হল এই জাতির বুদ্ধির পরাকাষ্ঠা। ধন্য বাঙালি জাতি। তোমরা রেজিস্ট্রেশনের জগতে এক নতুন রেভলুশনারি দিগন্তের সূচনা কর। এই কামনায় শেষ করি।  

পুনশ্চঃ অ্যাসাঞ্জ, স্নোডেন, চেলসি/ব্র্যাডলি্যানিং, কেন ও' কীফ, রন প, বারনি স্যান্ডারস, অ্যালেক্স জোনস, জেফ রেন্স, ডেভিড আইক, এইসব ব্যক্তিবর্গের বদৌলতে অ্যামেরিকার জনগণ এখন তাদের সরকারি দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য বদ্ধপরিকর। ীরে ীরে অ্যামেরিকার জনগোষ্ঠী কিন্তু জেগে উছে এবওদের সরকারি, ব্যাংকিং, কর্পোরেট, আর মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল-কমপ্লেক্সের দুর্নীতি কিন্তু ক্রমাগত বের হয়ে আসছে, যে কারণে ওদের সিক্রেট গভঃ এর প্রথম চয়েস হিলারি হওয়া সত্ত্বেও সে ভোটে হেরে গেছে। তবে কেউ যদি মনে করে যে এতে ্লোবাল কাবালের বিশাল হার হয়েছে এবট্রাম্পের পিছনে ওদের কোন চাবি লাগানো নাই, তাইলে সে খুব নাআমাদের দেশেও এই জাগরণ, আর সরকারি দুর্নীতি নির্মূলের দিকে ফোকাস না করে অন্ কিছু করা অবান্তর ময় অপচয় ছাড়া আর কিছুই না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই সহজ চিন্তাটা গীর মগোলাই আর টাকার লোভের কারণে কিছুতেই পাবলিকের সাইকিতে ঢুকানো যাচ্ছেনা। বেীর ভাগ মানুষই এখনও আমাদের কথা োটেও পাত্তা না দিয়ে মেইন্সট্রিমের "পারসেশন বা রিয়ালিটি্যানেজমেন্ট" হুক-লাইন-অ্যান্ড-সিঙ্কার গিলে যাচ্ছে। এই হিপ্নোসিস ভেঙ্গে আমাদের বের হয়ে আসতে পারতে হবে। ধন্যবাদ।

Tuesday, October 18, 2016

tomare charia - bangla song lyrics by neel akash


তোমারে ছাড়িয়া যাইতে চাহে না তো মন
তোমারে ছাড়িয়া যাইতে চাহে না তো মন
তবুও যাইতে হবে
সময় হইলে সাধন
তবুও যেতে হবে চলে
সময় হইলে সাধন ।।
সকালে উঠিয়া দুই চোখ মেলি চারিদিক
সকালে উঠিয়া দুই চোখ মেলি চারিদিক
সর্ব অঙ্গে ব্যথা আর মন ভরা আকুলতা
কাছে দূরে কারও 
মনে আছে নাকি আরও 
আছে নাকি আজও আমারও কোন প্রয়োজন?
তোমারে ছাড়িয়া 
যাইতে চাহে না যে মন ।।
ভয়ে ভয়ে আমি যেন পার করি আরেকটা দিন
ভয়ে ভয়ে আমি বুঝি পার করি আরেকটা দিন
সূর্য প্রণামে বসি আর বাতাসকে ভালবাসি
কারে ধমকাই রাগে
কেবা টানে প্রেমাবেগে
শক্তি দিও প্রভু টানার এই নিজের ওজন
তোমারে ছাড়িয়া
যাইতে যে চাহেনা এ মন ।।