Friday, November 20, 2015

draco part 30 (in bengali)

ড্রেকো ৩০

আমার এই ড্রেকো সিরিজ লেখার মূল উদ্দেশ্য হল, বাংলাদেশের মানুষকে বুঝানো যে আমাদের পৃথিবী একটা prison planet। এখানে আমরা কেউ স্বাধীন নই। আমাদের দেশ, সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান, ইত্যাদি সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয় কিছু গোপন প্রক্রিয়ায়, যার সম্পর্কে পৃথিবীর সাধারণ মানুষের প্রায় কোন ধারণাই ছিল না। কিন্তু এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই গোপনীয়তার ইতি ঘটে গেছে। ব্যাপারটা কাকতালীয়ভাবে ঘটেনি, বরং এর পিছনে অজস্র মানুষের পরিশ্রম, সাহস, ত্যাগ, আর তিতিক্ষা আছে। অনেক মানুষকে জীবন দান করতে হইছে বিভিন্ন গোপন রহস্য ফাঁস করে দেয়ার কারণে। কাজেই আমাদের এই জাগরন খুব কষ্টার্জিত, আর এখনও কিন্তু আমাদের মিশন কমপ্লিট হতে অনেক দেরী, কারণ অধিকাংশ মানুষ এত বেশি মগজ ধোলাইয়ের ভিতরে আচ্ছন্ন যে আপনারা এখনও অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না যে আমাদের প্রত্যেকটা কথা সত্যি। আপনাদের বিলিফ সিস্টেম, যেটা মাল্টিজেনারেশনাল ইন্ডক্ট্রিনেশন দিয়ে আস্তে আস্তে বহু বছর ধরে তৈরি করা হইছে, সেটা ভেঙ্গে আপনাদেরকে আলোতে টেনে বের করা যে একটা মিশন ইম্পসিবল টাইপের কাজ, তা বলাই বাহুল্য। আপনাদের নিজেদের ইচ্ছা না থাকলে এটা করা সম্ভব না। একটা ঘোড়াকে পানির কাছে নেয়া যায়, কিন্ত পানিটা ঘোড়ার নিজেরই খেতে হয়। ওকে খাওয়ানো যায় না। কাজেই আমার প্রচেষ্টা হল, আমার গত কয়েক বছরের পড়াশুনা থেকে আমি যেটুকু বুঝতে পেরেছি, সেটাকে সংক্ষেপে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাপারটা হজম করতে যথেষ্ট কষ্ট হলেও, সত্য আসলে এমন একটা জিনিষ, আগে হোক আর পরে হোক, এটা প্রকাশ পাবেই। আমাদের ধারণা যদি ভুল হত, তাহলে আস্তে আস্তে আমাদের আগ্রহ কমতে থাকতো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে দিন দিন আরও বেশি সংখ্যক মানুষ আমাদের মতই একই জিনিষগুলা জেনে আমাদের সাথে একমত হচ্ছে। আর সে কারণে আমাদের কনফিডেন্স প্রতিদিন আরও বাড়ছে। এবং সেটাই স্বাভাবিক। যাইহোক, আজকে আমি আপনাদেরকে পৃথিবীর কন্ট্রোল মেকানিজমে কোন কোন গ্রুপ কিভাবে একদলের সাথে আরেক দল ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে আমাদেরকে কন্ট্রোল করে যাচ্ছে, সেটা বুঝানোর চেষ্টা করবো।

ইটিদের আধুনিক ইতিহাস অনুযায়ী--এটা বলার কারণ হল, অ্যাটলান্টিস আর লেমুরিয়া ধ্বংসের আগেও ইটিরা ছিল, এবং ওদের ধ্বংসের পিছনের ইটিদের হাত ছিল, কিন্ত আমি কন্সেন্ট্রেট করবো আমাদের বর্তমান সভ্যতায় ইটিদের আগমনের জানা অংশটুকুর উপর--ড্রেকো রেপ্টিলিয়ানরা ১৯৩৪ সালের দিকে নাৎসি জার্মানির সাথে গোপন চুক্তিতে আসে। পরবর্তীতে, ১৯৫৪ সালের দিকে গ্রিয়াডা ট্রীটি হয় অ্যামেরিকার সাথে, যেটার ব্যাপারে আগের পর্বে লিখেছি। এখানে একটা বিষয় বোঝার আছে যে ইতিহাসে ১৩টা lost tribe of dan বলে একটা ব্যাপার ছিল। বলা হয়, যে এরা আসলে লস্ট না, এরা হিডেন বা লুকানো। এর পিছনে কারণ হল, এরাই পৃথিবীর প্রধান ব্লু ব্লাড বা তথাকথিত রাজবংশ, কিন্তু এর পিছনেও একটা রহস্য আছে। সেটা হল, এরা আটলান্টিস সভ্যতার সময়ে, রেপ্টিলিয়ানদের জেনেটিকালি ডিজাইন করা একটা হিউম্যান-রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড ব্লাডলাইন যাদের রক্তে কপার বা তামার পরিমাণ খুব বেশি, আর এই তামার কারণেই রক্তের নীল টিন্টটা আসে। কপার কনটেন্ট বেশি থাকার কারণে এই রিসাস নেগেটিভ ব্লাডের মানুষদের সাইকিক পাওয়ার খুব বেশি থাকে। আর সাইকিক পাওয়ারটা খুব ইম্পরট্যান্ট একটা ফ্যাক্টর, কারণ যে যত বেশি সাইকিক, সে আমাদের মাল্টিডিমেনশনাল ইউনিভার্সের তত বেশি "চ্যানেল" বা ডিমেনশন অ্যাকসেস করতে পারবে। এখানে একটা সাইড ইস্যু হচ্ছে, আমাদের সবাইকে গভীর মগজ ধোলাই দেয়ার পিছনের কারণটাও একই -- আমরা যত বেশি লো ভাইব্রেশনে থাকব, আমাদের সাইকিক পাওয়ার তত বেশি নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকবে। আর ঠিক এই কারণেই কিন্তু ড্রেকোদের বিষয়টা একসেপ্ট করতে আমাদের এত কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু এখন পৃথিবীর ভাইব্রেশন খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণে অনেক বেশি বেশি লোক মগজ ধোলাই থেকে বের হয়ে "জেগে যাচ্ছে"।

এই ব্লু ব্লাড রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিডদেরকে দিয়েই রেপ্টিলিয়ানরা পৃথিবী কন্ট্রোল করে, কারণ এরা দেখতে পুরাপুরি মানুষের মত, কিন্তু এদের কনশাস্নেস্টা ড্রেকোরা সহজে ট্যাপ ইন করে ওদেরকে মাইন্ড কন্ট্রোল করতে পারে। আর ড্রেকোদের কন্ট্রোল স্ট্রাকচারে, ড্রেকো, রেপ্টিলিয়ান, গ্রের নিচে যে হাইব্রিডরা পরের স্টেপে আছে, তাদেরকে বলা হয় ইলুমিনাটি। ওদের পরের স্টেপটাকে বলা হয় হাই ফ্রিমেসন্রি। সাধারণ ফ্রি মেসনরা জানে যে মেসন্রির সবচেয়ে উঁচু ডিগ্রি হল ৩৩ তম ডিগ্রি, কিন্তু আসলে ৩৩ তম ডিগ্রি থেকে আসল কন্ট্রোল শুরু হয়। এর নিচের লেভেলের মেসনরা ড্রেকোদের সম্পর্কে কতটুকু জানে এ ব্যাপারে সন্দেহ আছে। হাই মেসনরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খুব হাই প্রোফাইল পোস্টগুলাতে বসে থাকে। যাদের রেপ্টিলিয়ান ব্লাড কনটেন্ট খুব বেশি এরা অনেকে মানুষের রক্ত খাওয়ায় আসক্ত হয়ে যায়। উদাহরনঃ অ্যাল গোর। আরেকটা কারণে এদের মানুষের রক্ত খেতে হয়, কারণ নাহলে ওরা অনেক সময় শেপ শিফট করে রেপ্টিলিয়ান চেহারাটা বের হয়ে আসে।

জেজুইট, রথসচাইল্ডস, খাজারিয়ান জু (এরা আসল ইহুদি নয়), নাৎসি, এরা হল গিয়ে ঐ ট্রাইব অভ ড্যানের উত্তরসূরি রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড। ১৩টা ব্লাডলাইন ফ্যামিলির মধ্যে আছে ওয়ারবারগ, উইন্ডসর, ওপেনহাইমার, রকাফেলার, ইত্যাদি যারা মিলে একটা সিক্রেট গ্লোবাল গভর্নমেন্ট বানাইছে, যেটার বিভিন্ন অরগানাইজেশনের নামগুলা হচ্ছে বিল্ডারবারগস, ট্রাইল্যাটারাল কমিশন, সিএফআর, কমিটি অভ ৩০০, বিআইএস, নেটো, ক্লাব অভ রোম, ইত্যাদি, যারা আস্তে আস্তে বিভিন্ন দেশগুলার উপরে খবরদারি করার জন্য নতুন নতুন ইন্টারন্যাশনাল আইন তৈরি করে যাচ্ছে যাতে আল্টিমেটলি, একটা ওয়ান ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট তৈরি হয়, যার মুঠি থেকে মাছি মশাও পালাতে পারবে না। এই গ্লোবাল গভর্নমেন্টের যাঁতাকল থেকে মুক্তির কোন উপায় থাকবে না, কারণ কোন দেশই এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মত মিলিটারি ক্ষমতা যাতে না থাকে তার ব্যবস্থা আগে থেকে নেয়া থাকবে। বাংলাদেশে যে গত কয়দিন যাবত ফেসবুক আর বিভিন্ন দরকারি সোশ্যাল কমুনিকেশন বন্ধ রাখা হইসে, এটা আসলে সাকা চৌধুরীর ফাঁসির সাথে সম্পর্কিত নাও হতে পারে। ভাব দেখে যা মনে হচ্ছে, এটা ড্রেকোদের ৩য় বিশ্বের উপর একটা এক্সপেরিমেন্ট। আওয়ামী লীগের চরম দুর্নীতি সত্ত্বেও যে বাংলাদেশের মানুষ ওদের অধিনে কুঁকড়ে আছে আর টুঁ শব্দ করার সাহস পাচ্ছে না, বা লীগকে নামানোর কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা একটা বিরাট ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার ড্রেকোদের জন্য। কারণ ওরা ঠিক এটাই এস্টাব্লিশ করার জন্য অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। কাজেই আন্দাজ করা যায় যে আওয়ামী লীগের পারফরমেন্সে ড্রেকোরা খুব খুশি। ওদের এজেন্ডা বাংলাদেশে অনেকদূর অগ্রসর হয়ে গেছে।

No comments:

Post a Comment