Tuesday, November 17, 2015

draco part 29 (in bengali)

ড্রেকো ২৯

এই সিরিজে আমি মূলত তিনটা কাজ করিঃ ১। বাংলাদেশের মানুষকে মগজ ধোলাই খাওয়া, অন্ধ, ব্রেইনডেড, হিপ্নোটাইজড কানার হাট বাজার বলি, ২। বাংলাদেশের রাজনীতি, মিডিয়া, ধর্ম, ব্যাংকিং, আর সরকারের কুকর্মের কথা বলি, আর ৩। এক্সোপলিটিক্স অর্থাৎ ইটিরা পৃথিবীর মানুষকে কিভাবে মুর্গীর মত চাষ করে, মগজ ধোলাই দিয়ে ওদের মাইন্ড কন্ট্রোল্ড স্লেভ বানায়ে রাখসে, সেটা বলি। এখানে, এই তিনটা জিনিষই এক সুতায় গাঁথাঃ কারণ ড্রেকোদের কারণেই কিন্তু আমাদের দেশে এত সমস্যা। আমাদের সরকার যে এত দুর্নীতিবাজ, এর জন্য ড্রেকোরা পুরাপুরি দায়ী, কারণ ওরা আমাদের দেশের অর্থ সম্পদ লুট করে আমাদের সরকার আর কর্পোরেশনগুলার মাধ্যমে। দুর্নীতি না থাকলে এই লুটপাটটা ওরা এভাবে এত সহজে করতে পারত না। কাজেই জিয়াউর রহমানের মত কোন সত্যিকার দেশকপ্রেমিক নেতা যদি ভাগ্যক্রমে আমাদের কপালে জুটে যায়, খুব তাড়াতাড়ি ড্রেকোরা এঁদেরকে মেরে ফেলে। এই ঘটনা শুধু বাংলাদেশে না, পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশেই সারাক্ষণ ঘটতে থাকে, এমন কি ইউরোপ আমেরিকাতেও। কারণ প্রত্যেকটা দেশই কম বেশি ড্রেকোরা কন্ট্রোল করে। আজকের পৃথিবীতে আমরা যে আইসিস আর ইসলামিক টেররিজমের একটা উত্থান দেখতে পাচ্ছি, এর সাথে ইসলামের কোন যোগই নাই, শুধু কিছু ভাড়াটে গুন্ডা ছাড়া। এই পুরা নাটকটাই ড্রেকোদের সাজানো একটা চাল যেটা দিয়ে ওরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধটাকে কিকস্টার্ট করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে প্রায় গত ১০ থেকে ১৫ বছর যাবত। কিন্তু পারছে না। এর পিছনে কারণ হল অ্যান্ড্রোমিডান, প্লিয়েডিয়ান, সিরিয়ান, ইত্যাদি রেসের ইটিরা ওদের বিরুদ্ধে চরম যুদ্ধ চালাচ্ছে এবং জিতে যাওয়ার মত একটা পর্যায়ে চলে আসছে। এই যুদ্ধটাকে বলা হয় স্টার ওয়ার্স, যেটা নাকি লক্ষ লক্ষ বছর ধরে চলছে। যাহোক, দুই একদিন আগে একটা টেররিস্ট অ্যাটাকে প্যারিসে ২০০র মত মানুষ মারা গেছে। যারা এখনও মগজ ধোলাই থেকে বের হতে পারেনি, এরা সবাই ভাবছে এটা ইসলামিক টেররিজম, কিন্তু আসলে এটা ড্রেকোদের কাজ। এখানে সন্দেহের অবকাশ নাই বললেই চলে। আপনাদের মগজ ধোলাই যখন ভাঙবে, তখন আপনারাও বুঝতে পারবেন কেন এতটা কনফিডেন্টলি বলতে পারছি।

এখন ড্রেকোদের বিষয়ে একটা সংক্ষিপ্ত ইতিহাস দেইঃ ওরা আলফা ড্রেকোনিস স্টার সিস্টেম থেকে আসা একটা রেপ্টিলিয়ান ওয়ারিয়ার জাতি যারা বিভিন্ন গ্রহ কলোনাইজ করতে পছন্দ করে, আর অন্যদের উপর আধিপত্য অর্জন করাটাকে সম্মানজনক আর ওদের জাতিগত অধিকার বলে মনে করে। পৃথিবীর মানুষকে ওরা নিচু চোখে দেখে আর দুর্বল প্রজাতি হিসাবে ঘৃণা করে। এখানে বলে নেয়া ভাল, এটা শতকরা ১০০% ভাগ ড্রেকো বা রেপ্টিলিয়ানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এদের ভিতরে ভাল স্বভাবের বা প্রজাতির রেপ্টিলিয়ানও আছে। মানুষের মতই এদের মধ্যেও ভাল মন্দ আছে। বলা হয় রেপ্টিলিয়ানরা (ড্রেকোরা) মাস্টার জেনেটিসিস্ট। জাকারিয়া সিচিন যে সুমেরিয়ান ট্যাবলেট ট্র্যান্সলেট করে আনুনাকিদের কথা বলেছেন, যারা প্রাইমেট আর আনুনাকি জেনেটিক্স ক্রসব্রীড করে হোমো স্যাপিয়েন্স ডিজাইন করেছে বলে মনে করা হয়, এই আনুনাকিরাও খুব সম্ভবত রেপ্টিলিয়ান, কিন্তু এটা নিয়ে কিছু দ্বন্দ্ব আছে। যাই হোক, রেপ্টিলিয়ানরা জেনেটিক ম্যানিপুলেশন করে ওদের অধিনস্থ একটা ওয়ার্কার প্রজাতি তৈরি করেছে, যাদেরকে আমরা বলি গ্রে। যারা এলিয়েন অ্যাবডাকশনের শিকার, তারা প্রায়ই ওদের এক্সপেরিয়েন্সে এই গ্রেদের কথা উল্লেখ করে। গ্রের মধ্যে অনেক রকম ফের আছে। কিছু কিছু গ্রে এক ধরণের ক্লোন ডল-বডি যেটার মধ্যে রেপ্টিলিয়ানরা ওদের কনশাস্নেস ট্র্যান্সফার করে আভাটার ছবিটার মত চলা ফেরা করতে পারে।

১৯৫০ দশকের দিকে গ্রেরা (ওদের মাধ্যমে ড্রেকোরা) অ্যামেরিকা আর ইংলান্ডের সরকারের সাথে একটা চুক্তি করে যেটার নাম ছিল greada treaty। এই চুক্তিটা মানুষপক্ষ করতে বাধ্য হয়, কারণ ওরা বুঝতে পারছিল যে চুক্তি না করলেও গ্রেরা ওদের এজেন্ডাটা গোপনে চালাবে এবং ঐ ব্যাপারে কিছু করার থাকবে না। কাজেই এটাকে এক ধরণের আত্মসমর্পণ মনে করা হয় যেখানে আমরা গ্রেদের শর্তগুলা মানতে বাধ্য হই। শর্ত ছিল যে গ্রেরা প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অল্প কিছু মানুষ অ্যাবডাক্ট করে জেনেটিক এক্সপেরিমেন্ট করবে। এক্সপেরিমেন্ট শেষে, মেমরি মুছে দিয়ে ঐ মানুষগুলাকে আবার ফেরত দিয়ে দিবে অক্ষত অবস্থায়। কিন্তু পরে দেখা যায় যে গ্রেরা লক্ষ লক্ষ মানুষ অ্যাবডাক্ট করা শুরু করে, কিছু লোককে পারমানেন্টলি ওদের ডালসি বেসে রেখে দেয়, আর চুক্তির আরও অনেক শর্ত ভাঙ্গা শুরু করে। এখান থেকেই শুরু হয় ইউএস-ইউকে সরকারের ইটি সিচুয়েশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রন হারানো। আইসেনহাওয়ার আর রেগ্যানের দুইটা বিখ্যাত উক্তি বা লেকচার আছে যেখানে উনারা এই বিষয়টার উপর ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন। যাই হোক, চুক্তির অন্য দিকটা ছিল যে গ্রেরা মানুষকে বিভিন্ন রকম অ্যাডভান্সড টেকনোলজি শিখাবে যার মধ্যে আছে মাইন্ড কন্ট্রোল, অ্যান্টিগ্র্যাভিটি, ইত্যাদি।

পরবর্তীতে যেটা হয় যে ঐ দুই দেশের সরকার আর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স বেশ পাকাপোক্তভাবে ড্রেকোদের দিয়ে ইনফিল্ট্রেটেড হয়ে যায়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের শেষে নাৎসিদের গোপন স্পেস টেকনোলজি চলে আসে অ্যামেরিকান ড্রেকোদের হাতে। এই সময় বুশ সিনিয়রের নেতৃত্বে সিআইএ পৃথিবীতে একটা নতুন ধারা চালু করে। সেটা হলঃ এরা পুরা পৃথিবীর ড্রাগ রানিং এর নেতৃত্ব ওদের হাতে নিয়ে নেয়। সেই সময় থেকে সিআইএ, এমআই৬, মোসাদ, এরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ড্রাগ, সেক্স, পর্ণগ্রাফি, পেডোফিলিয়া, স্নাফ ফিল্ম, ইত্যাদির কার্টেলগুলা ওদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। যে কারণে বাংলাদেশে যত ডাইল, গাঞ্জা, ইয়াবা, হেরোইন, কোকেন, আইস, এমডিএমএ ইত্যাদি যা যা পাওয়া যায়, সব সরকার আর পুলিশের সহায়তায় আমদানি হয়। পত্র পত্রিকায় মাঝে মাঝে যে কিছু মানুষ ধরা খাইতে দেখা যায়, এরা ছিঁচকে ব্যবসায়ি, বা কোন ভাবে ফেঁসে যাওয়া লোকজন। উচ্চপদস্থ সরকারি আর পুলিশ কর্মচারীরা কখনও ধরা খায় না।

তো এই ড্রাগ রানিং এর টাকাটা এরা খরচ করে সিক্রেট ব্ল্যাক প্রজেক্টগুলাতে যার মধ্যে অন্যতম খুব সম্ভবত সিক্রেট স্পেস প্রজেক্টস আর ব্রেকঅ্যাওয়ে সিভিলাইজেশন। এখানে একটা ব্যাপার বোঝা জরুরি যে, যে সিস্টেমের মাধ্যমে ওরা ইটিদের গোপনীয়তা বজায় রাখে সেটাকে বলে কম্পারট্মেন্টালাইজেশন। মিলিটারি আর ইন্টেলিজেন্সের বিভিন্ন লেভেলে বা প্রজেক্টে ওরা আলাদা আলাদা সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্স দেয়। যে কারণে এক প্রজেক্টের লোক অন্য প্রজেক্ট সম্পর্কে কিচ্ছু জানতে পারে না। নিচু ক্লিয়ারেন্সের লোকেরা অন্ধভাবে আদেশ পালন করে যায়। প্রায়ই এদের কোন ধারণা থাকে না যে ওভারঅল প্রজেক্টটা কি বা কি বিষয়ে। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টদেরকে ইটিদের বিষয়ে হাল্কা ধারণা দেয়া থাকে। শুধু মাত্র need to know basis-এ প্রেসিডেন্ট বা কংগ্রেসকে ব্রিফিং করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে সব থেকে বেশি জানে লকহীড মারটিন, নরথ্রপ, বোইং এর মত বড়বড় ডিফেন্স কন্ট্রাক্টররা যারা অ্যাডভান্সড টেকনোলজিগুলা তৈরি করে। এই কারণে এই গভর্নমেন্টগুলার ভিতরে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ফ্যাকশন তৈরি হয়ে একটা হজপজ অবস্থা হয়ে আছে। তার উপরে আছে নেগেটিভ আর পজেটিভ ইটি ফ্যাকশনের ইনফিল্ট্রেশন। এর সাথে অ্যাড করেন শেপ শিফটিং, টাইম ট্র্যাভেল, ইন্টারডিমেনশনাল পোর্টাল, কনশাস্নেস ট্র্যান্সফার বা বডি স্ন্যাচিং -- মানে একজন মানুষের উপর টেম্পোরারি কন্ট্রোল নিয়ে, কিছু কাজ উদ্ধার করে, আবার তাকে ছেড়ে দেয়া। এটা অনেকটা মাঞ্চুরিয়ান ক্যান্ডিডেটের মত। যে কাজটা করে ধরা খায়, সে বলতেই পারে না যে কেন কিভাবে ঘটনাটা ঘটলো। এর উপরে যোগ করেন ন্যানো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা ব্ল্যাক গু যেটা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয় পৃথিবীর লে-লাইন (ley lines), মানুষের ধর্মবোধ, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ইত্যাদি। সব মিলায়ে পরিস্থিতি চূড়ান্ত রকমের জটিল। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এর থেকে বের হওয়ার রাস্তা কিন্তু আমাদের কনশাস্নেস। এই জন্যই আমাদের মগজ ধোলাই ভেঙ্গে বের হয়ে পরিস্থিতি ট্যাকল দেয়াটা খুব জরুরি। এই মুহূর্তে আমাদের দায়িত্ব হল এই বিষয়গুলা সম্পর্কে নিজে জানা আর অন্যদেরকে জানানো, যাতে আমরা সবাই বলির পাঁঠার মত ড্রেকোদের মিডিয়া সাইঅপ্স বিশ্বাস করে চিরতরে ওদের স্লেভ হয়ে না থাকি।

সাধারণ জনগণের পাশাপাশি নিচু ক্লিয়ারেন্সের মিলিটারি আর ইন্টেলিজেন্সের লোকেরাও আস্তে আস্তে বোঝা শুরু করসে ইটি ইনফিল্ট্রেশনের ব্যাপারটা। সিআইএ এমআই৬ এরা ড্রেকোদের হাত থেকে কন্ট্রোল ফিরায়ে আনার জন্য প্রাণপণে কাজ করে যাচ্ছে। এখানে জনগণের কনশাস্নেসটা কোন লেভেলে আছে এটা মারাত্মক রকমের গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর সবাই যদি শুধু মেট্রিক্সের কুলনেস দেখানো নিয়ে ব্যস্ত থাকে তাহলে ড্রেকোরাই জিতবে, আর আমাদের সরকার-পুলিশ-মিলিটারি ইত্যাদি মিলে এমনভাবে আমাদের উপর চড়াও হবে যে আমাদের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে যাবে। জীবন যাত্রা হবে এখনকার চেয়ে ১০০% গুণ বেশি দুর্বিষহ। এর নমুনা কিন্তু অলরেডি দেখা যাচ্ছে যদি একটু খেয়াল করেন। কাজেই আপনাদেরকে শুধু একটা কথাই বারবার বলে যাচ্ছি, সময় থাকতে আপনারা ঘোর ভেঙ্গে উঠেন। সময় গেলে সাধন হবে না। আমি যেসব বিষয়ে লিখলাম, এগুলা রিসার্চ করেন। আপনাদের মাইন্ড কন্ট্রোল ভেঙ্গে বের হন। নাহলে আমাদের সবার কপালে খারাবি আছে।

No comments:

Post a Comment