Friday, November 20, 2015

draco part 30 (in bengali)

ড্রেকো ৩০

আমার এই ড্রেকো সিরিজ লেখার মূল উদ্দেশ্য হল, বাংলাদেশের মানুষকে বুঝানো যে আমাদের পৃথিবী একটা prison planet। এখানে আমরা কেউ স্বাধীন নই। আমাদের দেশ, সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, ইতিহাস, বিজ্ঞান, ইত্যাদি সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয় কিছু গোপন প্রক্রিয়ায়, যার সম্পর্কে পৃথিবীর সাধারণ মানুষের প্রায় কোন ধারণাই ছিল না। কিন্তু এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই গোপনীয়তার ইতি ঘটে গেছে। ব্যাপারটা কাকতালীয়ভাবে ঘটেনি, বরং এর পিছনে অজস্র মানুষের পরিশ্রম, সাহস, ত্যাগ, আর তিতিক্ষা আছে। অনেক মানুষকে জীবন দান করতে হইছে বিভিন্ন গোপন রহস্য ফাঁস করে দেয়ার কারণে। কাজেই আমাদের এই জাগরন খুব কষ্টার্জিত, আর এখনও কিন্তু আমাদের মিশন কমপ্লিট হতে অনেক দেরী, কারণ অধিকাংশ মানুষ এত বেশি মগজ ধোলাইয়ের ভিতরে আচ্ছন্ন যে আপনারা এখনও অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না যে আমাদের প্রত্যেকটা কথা সত্যি। আপনাদের বিলিফ সিস্টেম, যেটা মাল্টিজেনারেশনাল ইন্ডক্ট্রিনেশন দিয়ে আস্তে আস্তে বহু বছর ধরে তৈরি করা হইছে, সেটা ভেঙ্গে আপনাদেরকে আলোতে টেনে বের করা যে একটা মিশন ইম্পসিবল টাইপের কাজ, তা বলাই বাহুল্য। আপনাদের নিজেদের ইচ্ছা না থাকলে এটা করা সম্ভব না। একটা ঘোড়াকে পানির কাছে নেয়া যায়, কিন্ত পানিটা ঘোড়ার নিজেরই খেতে হয়। ওকে খাওয়ানো যায় না। কাজেই আমার প্রচেষ্টা হল, আমার গত কয়েক বছরের পড়াশুনা থেকে আমি যেটুকু বুঝতে পেরেছি, সেটাকে সংক্ষেপে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাপারটা হজম করতে যথেষ্ট কষ্ট হলেও, সত্য আসলে এমন একটা জিনিষ, আগে হোক আর পরে হোক, এটা প্রকাশ পাবেই। আমাদের ধারণা যদি ভুল হত, তাহলে আস্তে আস্তে আমাদের আগ্রহ কমতে থাকতো। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে দিন দিন আরও বেশি সংখ্যক মানুষ আমাদের মতই একই জিনিষগুলা জেনে আমাদের সাথে একমত হচ্ছে। আর সে কারণে আমাদের কনফিডেন্স প্রতিদিন আরও বাড়ছে। এবং সেটাই স্বাভাবিক। যাইহোক, আজকে আমি আপনাদেরকে পৃথিবীর কন্ট্রোল মেকানিজমে কোন কোন গ্রুপ কিভাবে একদলের সাথে আরেক দল ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে আমাদেরকে কন্ট্রোল করে যাচ্ছে, সেটা বুঝানোর চেষ্টা করবো।

ইটিদের আধুনিক ইতিহাস অনুযায়ী--এটা বলার কারণ হল, অ্যাটলান্টিস আর লেমুরিয়া ধ্বংসের আগেও ইটিরা ছিল, এবং ওদের ধ্বংসের পিছনের ইটিদের হাত ছিল, কিন্ত আমি কন্সেন্ট্রেট করবো আমাদের বর্তমান সভ্যতায় ইটিদের আগমনের জানা অংশটুকুর উপর--ড্রেকো রেপ্টিলিয়ানরা ১৯৩৪ সালের দিকে নাৎসি জার্মানির সাথে গোপন চুক্তিতে আসে। পরবর্তীতে, ১৯৫৪ সালের দিকে গ্রিয়াডা ট্রীটি হয় অ্যামেরিকার সাথে, যেটার ব্যাপারে আগের পর্বে লিখেছি। এখানে একটা বিষয় বোঝার আছে যে ইতিহাসে ১৩টা lost tribe of dan বলে একটা ব্যাপার ছিল। বলা হয়, যে এরা আসলে লস্ট না, এরা হিডেন বা লুকানো। এর পিছনে কারণ হল, এরাই পৃথিবীর প্রধান ব্লু ব্লাড বা তথাকথিত রাজবংশ, কিন্তু এর পিছনেও একটা রহস্য আছে। সেটা হল, এরা আটলান্টিস সভ্যতার সময়ে, রেপ্টিলিয়ানদের জেনেটিকালি ডিজাইন করা একটা হিউম্যান-রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড ব্লাডলাইন যাদের রক্তে কপার বা তামার পরিমাণ খুব বেশি, আর এই তামার কারণেই রক্তের নীল টিন্টটা আসে। কপার কনটেন্ট বেশি থাকার কারণে এই রিসাস নেগেটিভ ব্লাডের মানুষদের সাইকিক পাওয়ার খুব বেশি থাকে। আর সাইকিক পাওয়ারটা খুব ইম্পরট্যান্ট একটা ফ্যাক্টর, কারণ যে যত বেশি সাইকিক, সে আমাদের মাল্টিডিমেনশনাল ইউনিভার্সের তত বেশি "চ্যানেল" বা ডিমেনশন অ্যাকসেস করতে পারবে। এখানে একটা সাইড ইস্যু হচ্ছে, আমাদের সবাইকে গভীর মগজ ধোলাই দেয়ার পিছনের কারণটাও একই -- আমরা যত বেশি লো ভাইব্রেশনে থাকব, আমাদের সাইকিক পাওয়ার তত বেশি নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকবে। আর ঠিক এই কারণেই কিন্তু ড্রেকোদের বিষয়টা একসেপ্ট করতে আমাদের এত কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু এখন পৃথিবীর ভাইব্রেশন খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণে অনেক বেশি বেশি লোক মগজ ধোলাই থেকে বের হয়ে "জেগে যাচ্ছে"।

এই ব্লু ব্লাড রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিডদেরকে দিয়েই রেপ্টিলিয়ানরা পৃথিবী কন্ট্রোল করে, কারণ এরা দেখতে পুরাপুরি মানুষের মত, কিন্তু এদের কনশাস্নেস্টা ড্রেকোরা সহজে ট্যাপ ইন করে ওদেরকে মাইন্ড কন্ট্রোল করতে পারে। আর ড্রেকোদের কন্ট্রোল স্ট্রাকচারে, ড্রেকো, রেপ্টিলিয়ান, গ্রের নিচে যে হাইব্রিডরা পরের স্টেপে আছে, তাদেরকে বলা হয় ইলুমিনাটি। ওদের পরের স্টেপটাকে বলা হয় হাই ফ্রিমেসন্রি। সাধারণ ফ্রি মেসনরা জানে যে মেসন্রির সবচেয়ে উঁচু ডিগ্রি হল ৩৩ তম ডিগ্রি, কিন্তু আসলে ৩৩ তম ডিগ্রি থেকে আসল কন্ট্রোল শুরু হয়। এর নিচের লেভেলের মেসনরা ড্রেকোদের সম্পর্কে কতটুকু জানে এ ব্যাপারে সন্দেহ আছে। হাই মেসনরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খুব হাই প্রোফাইল পোস্টগুলাতে বসে থাকে। যাদের রেপ্টিলিয়ান ব্লাড কনটেন্ট খুব বেশি এরা অনেকে মানুষের রক্ত খাওয়ায় আসক্ত হয়ে যায়। উদাহরনঃ অ্যাল গোর। আরেকটা কারণে এদের মানুষের রক্ত খেতে হয়, কারণ নাহলে ওরা অনেক সময় শেপ শিফট করে রেপ্টিলিয়ান চেহারাটা বের হয়ে আসে।

জেজুইট, রথসচাইল্ডস, খাজারিয়ান জু (এরা আসল ইহুদি নয়), নাৎসি, এরা হল গিয়ে ঐ ট্রাইব অভ ড্যানের উত্তরসূরি রেপ্টিলিয়ান হাইব্রিড। ১৩টা ব্লাডলাইন ফ্যামিলির মধ্যে আছে ওয়ারবারগ, উইন্ডসর, ওপেনহাইমার, রকাফেলার, ইত্যাদি যারা মিলে একটা সিক্রেট গ্লোবাল গভর্নমেন্ট বানাইছে, যেটার বিভিন্ন অরগানাইজেশনের নামগুলা হচ্ছে বিল্ডারবারগস, ট্রাইল্যাটারাল কমিশন, সিএফআর, কমিটি অভ ৩০০, বিআইএস, নেটো, ক্লাব অভ রোম, ইত্যাদি, যারা আস্তে আস্তে বিভিন্ন দেশগুলার উপরে খবরদারি করার জন্য নতুন নতুন ইন্টারন্যাশনাল আইন তৈরি করে যাচ্ছে যাতে আল্টিমেটলি, একটা ওয়ান ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট তৈরি হয়, যার মুঠি থেকে মাছি মশাও পালাতে পারবে না। এই গ্লোবাল গভর্নমেন্টের যাঁতাকল থেকে মুক্তির কোন উপায় থাকবে না, কারণ কোন দেশই এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মত মিলিটারি ক্ষমতা যাতে না থাকে তার ব্যবস্থা আগে থেকে নেয়া থাকবে। বাংলাদেশে যে গত কয়দিন যাবত ফেসবুক আর বিভিন্ন দরকারি সোশ্যাল কমুনিকেশন বন্ধ রাখা হইসে, এটা আসলে সাকা চৌধুরীর ফাঁসির সাথে সম্পর্কিত নাও হতে পারে। ভাব দেখে যা মনে হচ্ছে, এটা ড্রেকোদের ৩য় বিশ্বের উপর একটা এক্সপেরিমেন্ট। আওয়ামী লীগের চরম দুর্নীতি সত্ত্বেও যে বাংলাদেশের মানুষ ওদের অধিনে কুঁকড়ে আছে আর টুঁ শব্দ করার সাহস পাচ্ছে না, বা লীগকে নামানোর কোন রাস্তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা একটা বিরাট ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার ড্রেকোদের জন্য। কারণ ওরা ঠিক এটাই এস্টাব্লিশ করার জন্য অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। কাজেই আন্দাজ করা যায় যে আওয়ামী লীগের পারফরমেন্সে ড্রেকোরা খুব খুশি। ওদের এজেন্ডা বাংলাদেশে অনেকদূর অগ্রসর হয়ে গেছে।

Tuesday, November 17, 2015

draco part 29 (in bengali)

ড্রেকো ২৯

এই সিরিজে আমি মূলত তিনটা কাজ করিঃ ১। বাংলাদেশের মানুষকে মগজ ধোলাই খাওয়া, অন্ধ, ব্রেইনডেড, হিপ্নোটাইজড কানার হাট বাজার বলি, ২। বাংলাদেশের রাজনীতি, মিডিয়া, ধর্ম, ব্যাংকিং, আর সরকারের কুকর্মের কথা বলি, আর ৩। এক্সোপলিটিক্স অর্থাৎ ইটিরা পৃথিবীর মানুষকে কিভাবে মুর্গীর মত চাষ করে, মগজ ধোলাই দিয়ে ওদের মাইন্ড কন্ট্রোল্ড স্লেভ বানায়ে রাখসে, সেটা বলি। এখানে, এই তিনটা জিনিষই এক সুতায় গাঁথাঃ কারণ ড্রেকোদের কারণেই কিন্তু আমাদের দেশে এত সমস্যা। আমাদের সরকার যে এত দুর্নীতিবাজ, এর জন্য ড্রেকোরা পুরাপুরি দায়ী, কারণ ওরা আমাদের দেশের অর্থ সম্পদ লুট করে আমাদের সরকার আর কর্পোরেশনগুলার মাধ্যমে। দুর্নীতি না থাকলে এই লুটপাটটা ওরা এভাবে এত সহজে করতে পারত না। কাজেই জিয়াউর রহমানের মত কোন সত্যিকার দেশকপ্রেমিক নেতা যদি ভাগ্যক্রমে আমাদের কপালে জুটে যায়, খুব তাড়াতাড়ি ড্রেকোরা এঁদেরকে মেরে ফেলে। এই ঘটনা শুধু বাংলাদেশে না, পৃথিবীর প্রত্যেকটা দেশেই সারাক্ষণ ঘটতে থাকে, এমন কি ইউরোপ আমেরিকাতেও। কারণ প্রত্যেকটা দেশই কম বেশি ড্রেকোরা কন্ট্রোল করে। আজকের পৃথিবীতে আমরা যে আইসিস আর ইসলামিক টেররিজমের একটা উত্থান দেখতে পাচ্ছি, এর সাথে ইসলামের কোন যোগই নাই, শুধু কিছু ভাড়াটে গুন্ডা ছাড়া। এই পুরা নাটকটাই ড্রেকোদের সাজানো একটা চাল যেটা দিয়ে ওরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধটাকে কিকস্টার্ট করার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে প্রায় গত ১০ থেকে ১৫ বছর যাবত। কিন্তু পারছে না। এর পিছনে কারণ হল অ্যান্ড্রোমিডান, প্লিয়েডিয়ান, সিরিয়ান, ইত্যাদি রেসের ইটিরা ওদের বিরুদ্ধে চরম যুদ্ধ চালাচ্ছে এবং জিতে যাওয়ার মত একটা পর্যায়ে চলে আসছে। এই যুদ্ধটাকে বলা হয় স্টার ওয়ার্স, যেটা নাকি লক্ষ লক্ষ বছর ধরে চলছে। যাহোক, দুই একদিন আগে একটা টেররিস্ট অ্যাটাকে প্যারিসে ২০০র মত মানুষ মারা গেছে। যারা এখনও মগজ ধোলাই থেকে বের হতে পারেনি, এরা সবাই ভাবছে এটা ইসলামিক টেররিজম, কিন্তু আসলে এটা ড্রেকোদের কাজ। এখানে সন্দেহের অবকাশ নাই বললেই চলে। আপনাদের মগজ ধোলাই যখন ভাঙবে, তখন আপনারাও বুঝতে পারবেন কেন এতটা কনফিডেন্টলি বলতে পারছি।

এখন ড্রেকোদের বিষয়ে একটা সংক্ষিপ্ত ইতিহাস দেইঃ ওরা আলফা ড্রেকোনিস স্টার সিস্টেম থেকে আসা একটা রেপ্টিলিয়ান ওয়ারিয়ার জাতি যারা বিভিন্ন গ্রহ কলোনাইজ করতে পছন্দ করে, আর অন্যদের উপর আধিপত্য অর্জন করাটাকে সম্মানজনক আর ওদের জাতিগত অধিকার বলে মনে করে। পৃথিবীর মানুষকে ওরা নিচু চোখে দেখে আর দুর্বল প্রজাতি হিসাবে ঘৃণা করে। এখানে বলে নেয়া ভাল, এটা শতকরা ১০০% ভাগ ড্রেকো বা রেপ্টিলিয়ানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এদের ভিতরে ভাল স্বভাবের বা প্রজাতির রেপ্টিলিয়ানও আছে। মানুষের মতই এদের মধ্যেও ভাল মন্দ আছে। বলা হয় রেপ্টিলিয়ানরা (ড্রেকোরা) মাস্টার জেনেটিসিস্ট। জাকারিয়া সিচিন যে সুমেরিয়ান ট্যাবলেট ট্র্যান্সলেট করে আনুনাকিদের কথা বলেছেন, যারা প্রাইমেট আর আনুনাকি জেনেটিক্স ক্রসব্রীড করে হোমো স্যাপিয়েন্স ডিজাইন করেছে বলে মনে করা হয়, এই আনুনাকিরাও খুব সম্ভবত রেপ্টিলিয়ান, কিন্তু এটা নিয়ে কিছু দ্বন্দ্ব আছে। যাই হোক, রেপ্টিলিয়ানরা জেনেটিক ম্যানিপুলেশন করে ওদের অধিনস্থ একটা ওয়ার্কার প্রজাতি তৈরি করেছে, যাদেরকে আমরা বলি গ্রে। যারা এলিয়েন অ্যাবডাকশনের শিকার, তারা প্রায়ই ওদের এক্সপেরিয়েন্সে এই গ্রেদের কথা উল্লেখ করে। গ্রের মধ্যে অনেক রকম ফের আছে। কিছু কিছু গ্রে এক ধরণের ক্লোন ডল-বডি যেটার মধ্যে রেপ্টিলিয়ানরা ওদের কনশাস্নেস ট্র্যান্সফার করে আভাটার ছবিটার মত চলা ফেরা করতে পারে।

১৯৫০ দশকের দিকে গ্রেরা (ওদের মাধ্যমে ড্রেকোরা) অ্যামেরিকা আর ইংলান্ডের সরকারের সাথে একটা চুক্তি করে যেটার নাম ছিল greada treaty। এই চুক্তিটা মানুষপক্ষ করতে বাধ্য হয়, কারণ ওরা বুঝতে পারছিল যে চুক্তি না করলেও গ্রেরা ওদের এজেন্ডাটা গোপনে চালাবে এবং ঐ ব্যাপারে কিছু করার থাকবে না। কাজেই এটাকে এক ধরণের আত্মসমর্পণ মনে করা হয় যেখানে আমরা গ্রেদের শর্তগুলা মানতে বাধ্য হই। শর্ত ছিল যে গ্রেরা প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অল্প কিছু মানুষ অ্যাবডাক্ট করে জেনেটিক এক্সপেরিমেন্ট করবে। এক্সপেরিমেন্ট শেষে, মেমরি মুছে দিয়ে ঐ মানুষগুলাকে আবার ফেরত দিয়ে দিবে অক্ষত অবস্থায়। কিন্তু পরে দেখা যায় যে গ্রেরা লক্ষ লক্ষ মানুষ অ্যাবডাক্ট করা শুরু করে, কিছু লোককে পারমানেন্টলি ওদের ডালসি বেসে রেখে দেয়, আর চুক্তির আরও অনেক শর্ত ভাঙ্গা শুরু করে। এখান থেকেই শুরু হয় ইউএস-ইউকে সরকারের ইটি সিচুয়েশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রন হারানো। আইসেনহাওয়ার আর রেগ্যানের দুইটা বিখ্যাত উক্তি বা লেকচার আছে যেখানে উনারা এই বিষয়টার উপর ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন। যাই হোক, চুক্তির অন্য দিকটা ছিল যে গ্রেরা মানুষকে বিভিন্ন রকম অ্যাডভান্সড টেকনোলজি শিখাবে যার মধ্যে আছে মাইন্ড কন্ট্রোল, অ্যান্টিগ্র্যাভিটি, ইত্যাদি।

পরবর্তীতে যেটা হয় যে ঐ দুই দেশের সরকার আর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স বেশ পাকাপোক্তভাবে ড্রেকোদের দিয়ে ইনফিল্ট্রেটেড হয়ে যায়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের শেষে নাৎসিদের গোপন স্পেস টেকনোলজি চলে আসে অ্যামেরিকান ড্রেকোদের হাতে। এই সময় বুশ সিনিয়রের নেতৃত্বে সিআইএ পৃথিবীতে একটা নতুন ধারা চালু করে। সেটা হলঃ এরা পুরা পৃথিবীর ড্রাগ রানিং এর নেতৃত্ব ওদের হাতে নিয়ে নেয়। সেই সময় থেকে সিআইএ, এমআই৬, মোসাদ, এরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ড্রাগ, সেক্স, পর্ণগ্রাফি, পেডোফিলিয়া, স্নাফ ফিল্ম, ইত্যাদির কার্টেলগুলা ওদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। যে কারণে বাংলাদেশে যত ডাইল, গাঞ্জা, ইয়াবা, হেরোইন, কোকেন, আইস, এমডিএমএ ইত্যাদি যা যা পাওয়া যায়, সব সরকার আর পুলিশের সহায়তায় আমদানি হয়। পত্র পত্রিকায় মাঝে মাঝে যে কিছু মানুষ ধরা খাইতে দেখা যায়, এরা ছিঁচকে ব্যবসায়ি, বা কোন ভাবে ফেঁসে যাওয়া লোকজন। উচ্চপদস্থ সরকারি আর পুলিশ কর্মচারীরা কখনও ধরা খায় না।

তো এই ড্রাগ রানিং এর টাকাটা এরা খরচ করে সিক্রেট ব্ল্যাক প্রজেক্টগুলাতে যার মধ্যে অন্যতম খুব সম্ভবত সিক্রেট স্পেস প্রজেক্টস আর ব্রেকঅ্যাওয়ে সিভিলাইজেশন। এখানে একটা ব্যাপার বোঝা জরুরি যে, যে সিস্টেমের মাধ্যমে ওরা ইটিদের গোপনীয়তা বজায় রাখে সেটাকে বলে কম্পারট্মেন্টালাইজেশন। মিলিটারি আর ইন্টেলিজেন্সের বিভিন্ন লেভেলে বা প্রজেক্টে ওরা আলাদা আলাদা সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্স দেয়। যে কারণে এক প্রজেক্টের লোক অন্য প্রজেক্ট সম্পর্কে কিচ্ছু জানতে পারে না। নিচু ক্লিয়ারেন্সের লোকেরা অন্ধভাবে আদেশ পালন করে যায়। প্রায়ই এদের কোন ধারণা থাকে না যে ওভারঅল প্রজেক্টটা কি বা কি বিষয়ে। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টদেরকে ইটিদের বিষয়ে হাল্কা ধারণা দেয়া থাকে। শুধু মাত্র need to know basis-এ প্রেসিডেন্ট বা কংগ্রেসকে ব্রিফিং করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে সব থেকে বেশি জানে লকহীড মারটিন, নরথ্রপ, বোইং এর মত বড়বড় ডিফেন্স কন্ট্রাক্টররা যারা অ্যাডভান্সড টেকনোলজিগুলা তৈরি করে। এই কারণে এই গভর্নমেন্টগুলার ভিতরে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ফ্যাকশন তৈরি হয়ে একটা হজপজ অবস্থা হয়ে আছে। তার উপরে আছে নেগেটিভ আর পজেটিভ ইটি ফ্যাকশনের ইনফিল্ট্রেশন। এর সাথে অ্যাড করেন শেপ শিফটিং, টাইম ট্র্যাভেল, ইন্টারডিমেনশনাল পোর্টাল, কনশাস্নেস ট্র্যান্সফার বা বডি স্ন্যাচিং -- মানে একজন মানুষের উপর টেম্পোরারি কন্ট্রোল নিয়ে, কিছু কাজ উদ্ধার করে, আবার তাকে ছেড়ে দেয়া। এটা অনেকটা মাঞ্চুরিয়ান ক্যান্ডিডেটের মত। যে কাজটা করে ধরা খায়, সে বলতেই পারে না যে কেন কিভাবে ঘটনাটা ঘটলো। এর উপরে যোগ করেন ন্যানো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা ব্ল্যাক গু যেটা দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয় পৃথিবীর লে-লাইন (ley lines), মানুষের ধর্মবোধ, ব্ল্যাক ম্যাজিক, ইত্যাদি। সব মিলায়ে পরিস্থিতি চূড়ান্ত রকমের জটিল। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এর থেকে বের হওয়ার রাস্তা কিন্তু আমাদের কনশাস্নেস। এই জন্যই আমাদের মগজ ধোলাই ভেঙ্গে বের হয়ে পরিস্থিতি ট্যাকল দেয়াটা খুব জরুরি। এই মুহূর্তে আমাদের দায়িত্ব হল এই বিষয়গুলা সম্পর্কে নিজে জানা আর অন্যদেরকে জানানো, যাতে আমরা সবাই বলির পাঁঠার মত ড্রেকোদের মিডিয়া সাইঅপ্স বিশ্বাস করে চিরতরে ওদের স্লেভ হয়ে না থাকি।

সাধারণ জনগণের পাশাপাশি নিচু ক্লিয়ারেন্সের মিলিটারি আর ইন্টেলিজেন্সের লোকেরাও আস্তে আস্তে বোঝা শুরু করসে ইটি ইনফিল্ট্রেশনের ব্যাপারটা। সিআইএ এমআই৬ এরা ড্রেকোদের হাত থেকে কন্ট্রোল ফিরায়ে আনার জন্য প্রাণপণে কাজ করে যাচ্ছে। এখানে জনগণের কনশাস্নেসটা কোন লেভেলে আছে এটা মারাত্মক রকমের গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর সবাই যদি শুধু মেট্রিক্সের কুলনেস দেখানো নিয়ে ব্যস্ত থাকে তাহলে ড্রেকোরাই জিতবে, আর আমাদের সরকার-পুলিশ-মিলিটারি ইত্যাদি মিলে এমনভাবে আমাদের উপর চড়াও হবে যে আমাদের ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে যাবে। জীবন যাত্রা হবে এখনকার চেয়ে ১০০% গুণ বেশি দুর্বিষহ। এর নমুনা কিন্তু অলরেডি দেখা যাচ্ছে যদি একটু খেয়াল করেন। কাজেই আপনাদেরকে শুধু একটা কথাই বারবার বলে যাচ্ছি, সময় থাকতে আপনারা ঘোর ভেঙ্গে উঠেন। সময় গেলে সাধন হবে না। আমি যেসব বিষয়ে লিখলাম, এগুলা রিসার্চ করেন। আপনাদের মাইন্ড কন্ট্রোল ভেঙ্গে বের হন। নাহলে আমাদের সবার কপালে খারাবি আছে।

Friday, November 13, 2015

draco part 28 (in bengali)


ড্রেকো ২৮

বাই ডিফল্ট, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমরা যা কিছু ভাবি আর করি, সেই এনার্জিটা একটা মেট্রিক্স সিস্টেমকে ফীড করে। এই সিস্টেমটা সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত একটা স্লেভারি সিস্টেম। জেলখানার ভিতরে মানুষ বছরের পর বছর বাস করে, ঠিক সেরকম, আমাদের প্রত্যেকের জীবন কাটে একটা বড় সাইজের জেলখানার ভিতরে যার গরাদ্গুলা আমরা দেখতে পাইনা। আমরা টের পাই শুধু আমাদের দুঃখ, কষ্ট, পেটের ক্ষুধা, আর অভিমানগুলা। কিন্তু সারাজীবন জেলখাটা আসামীর মত আমরাও অভ্যস্ত হয়ে গেছি এই বন্দী জীবনে। মানুষ বড্ড আজব এক প্রাণী; খুব সহজে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এই মুহূর্তে দেশ শোষণ করতেছে র আর আওয়ামী লীগ নামে একটা ড্রেকো রেজিম। কিন্তু আশেপাশে কাউকে কিছু বলতে শুনছেন? কি বলবে? কেন বলবে? বলে লাভ নাই, কিন্তু ক্ষতি আছে। সবাই বলবে, ঐ দ্যাখ, বগুড়ার লোক তো, তাই লীগের বিরুদ্ধে কথা বলে। এইসব বলে কি লাভ ভাই? লীগ-বিএনপি সব সমান। এই মনোভাবটাকেই আমি বলি মগজ ধোলাই। যেমন অনেকে বলে, সব রবীন্দ্র সঙ্গীত নাকি একই রকম। একটা শুনলে সবগুলা শোনা হয়ে যায়। আসলে মনোযোগ দিয়ে না শুনলে কিন্তু কথাটা একদম ভুল না। প্রত্যেকটা বড় শিল্পীরই নিজস্ব একটা স্টাইল থাকে। ছোট শিল্পীদের এটা থাকে না। গান শুনলে যদি বোঝা যায় যে এটা কার গান, এটা তো একটা বিরাট ব্যাপার। কাজেই, সব রবীন্দ্রসঙ্গীত একই রকম, এটা একটা আনকালচারড কথা। আসলে প্রত্যেকটা গান খুবই আলাদা আর প্রচুর সূক্ষ্ম কারুকাজ থাকে কথায়, সুরে, তালে, রাগে, মার্গে। এখন একটা কুকুরকে মার্গ বোঝান দেখি? পারবেন? আসলে ওরা মার্গ অনেক ভালই বোঝে। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে বেশী। আর ঠিক এই কারণেই আমি অসভ্য, অপগণ্ড, মূর্খ, ইগোম্যানিয়াক, মৌলবাদী, ধর্মান্ধ বাঙ্গালিকে এত কথা বলি। এটা ডন হোয়ানের শিক্ষা। ওর মতে, নলেজ যে কোন ব্যক্তির কাছে আসতে পারে, সে ধনী, গরীব, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, যাইই হোক না কেন। এই ব্যাপারটা ভাল বোঝা যায় আমাদের বাউল সমাজকে দেখলে। আমাদের গরীব রিকশা ড্রাইভার সমাজ দিনের শেষে বাউলের আসর বসায়। দুই এক ছিলিম খায় আর গান শোনে। ফকির শাহ আব্দুল করিম, আমাদের প্রিয় লালন, এঁরা তো রুমি হাফিজের মার্গের লোক। এঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি? দেড়শ বছর আগে লালন বলে গেছে "এসব দেখি কানার হাটবাজার" -- সকাল বিকাল আমরা আজকাল গুরুর গান গাই, কিন্তু সেই অন্ধত্ব তো ঘুচল না। "নিজে কানা, পথ চেনেনা, পরকে ডাকে বারংবার" -- এর মানে কি? "সময় গেলে সাধন হবে না" -- তো সময় তো চলে যাচ্ছে, র আর আওয়ামীলীগ মিলে দেশটাকে চুষে ছিবড়া করে কোন কুমার্গে নিয়ে পুঁতে দিচ্ছে, কই, কারও তো সাধন হল না! সবাই ফোক ফেস্টিভালে সেলফি তুলতে ব্যস্ত। গত দুই মাসে যে দুইহালি খুন করল আমাদের সরকার, তার বিচার অবশ্য আল্লাহ করবে। এখানে বাঙালির কোন দায় দায়িত্ব নাই। বিল্ডারসকে জমি দেয়া হয়ে গেছে। তিন বছর পরে কয়েক ডজন ফ্ল্যাটের মালিক হয়ে পায়ের উপর পা তুলে...

রাস্তায় যদি বের হন, একটু খেয়াল করলে দেখবেন চুল ছাঁটা, বাটার চপ্পল পরা, হাতে ওয়াকিটকি ধরা লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে এদিক সেদিক। এরা সব বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্সের লোক, ডিবি, এসবি, ডিজিএফআই, এইসব নানান ডেজিগনেশন। এরপর আছে পুলিশ, র‍্যাব, বর্ডার গার্ড, আনসার, পুলিশের ইনফরমার, ইত্যাদি ইত্যাদি। এরকম সিচুয়েশনে বড় ক্রাইম হওয়া যথেষ্ট দুঃসাধ্য ব্যাপার। ডিজিএফআই এর ভিতরে G5, G8, G20, ইত্যাদি দেশের চর থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মূল সমস্যা হল -- কন্ট্রোল কার হাতে? র, সিআইএ, এমআই৬, না মোসাদ? মজার ব্যাপার হচ্ছে, এদের মধ্যে যে বা যারাই ডমিনেট করুক, তাতে কোন তফাৎ হয় না কারণ এরা সবাই ড্রেকোদের চামচা। আওয়ামী লীগের মত রেজিমের সমস্যাটা খুব সিম্পলঃ এরা একটা সাইকোপ্যাথিক গ্রুপ, কাজেই উপরের পোস্টগুলাতে এরা দেশের সবচেয়ে বড়বড় সাইকোপ্যাথদেরই বসাবে। আর কোন কোন ক্ষেত্রে এরা মেরুদণ্ডহীন উজবুকদের বড় পদ দেয় যাতে এরা খুব ভাল ইয়েসম্যান হিসাবে কাজে দেয়। এদের সবার প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের সমস্ত ব্যবসা বাণিজ্য, ট্যাক্স, ভ্যাট, বিল, ফী, ভর্তুকি, চাঁদা, যেখানে যে দুই পয়সা কামাচ্ছে, তার একটা ভাগ আদায় করার জন্য যা যা করা দরকার, শুধু সেইটুকু কাজ করা। গদিটা যাতে পাছার নিচ থেকে সরে না যায়, এর জন্য এরা যতরকম অপকর্ম করা সম্ভব, সব করে শেষ করে ফেলে এখন নতুন লেভেলে ওঠার চেষ্টা করতেছে। দেশ আর জনগণের উন্নতির কথা শুনলে এরা সম্ভবত অট্টহাসি দেয়। এরা ঐ ধরণের মানুষই নয়। এদের চিন্তাধারা আর কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ আলাদা। এটা আমি কীভাবে বুঝলাম? না এই প্রশ্ন আসলে কেউ আমাকে করবে না। এই দেশের জনগণ এত ভোদাই না।

আওয়ামীলীগও একসময় গদি থেকে নামবে। তাতে দেশে সামান্য হলেও সরকারি ক্রাইম কিছু কমবে। এটা আমার ব্যক্তিগত মত। কিন্তু দেশের অবস্থার কোন উন্নতি হবে না কারণ আমাদের কালচার। একটা রাজনৈতিক রেজিম গদিতে চড়ে বসে ৮, ১০, ১৫ বছরের জন্য। ঐ সময়ের মধ্যে এরা যা পারে হাতায়ে নেয়। কিন্তু ঠিক এদের নিচের স্তরেই থাকে সরকারি আমলারা যারা যুগ যুগ ধরে ছারপোকার মত সিস্টেমটাকে চুষতে থাকে। এদের কোন পরিবর্তন হয় না। নতুন কোন রেজিম আসলে এরা হাওয়া বুঝতে কয়দিন সময় নেয়। আওয়ামী রেজিমটাকে এরা খুব ভাল চেনে। এদের ইডিওলজি বাঙালির খুব পরিচিত। এরা গদিতে বসলে ওরা হাত ধুয়ে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে খাওয়া, আর খাওয়ার পরে আলহামদুলিল্লাহ বলতে কক্ষনো ভোলে না। দেশে যে রেজিমই আসুক, কিছু লোক খুব বড়লোক হয়ে যায়। আর আওয়ামী লীগের আমলে কিছু দুষ্টু লোক অস্বাভাবিক রকম বড়লোক হয়ে যায়। স্টক মার্কেটটা কিছুদিন পরপর ক্র্যাশ হয়। ইত্যাদি ইত্যাদি।

জিয়াকে যারা ফলো করেছেন, তারা জানেন যে যারা দেশের মানুষের জন্য কাজ করে, তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অন্য রকম হয়। এই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আপনারা লীগের কারও মধ্যে পাবেন না। আপনাদের মধ্যে যারা লীগ সাপোর্ট করেন তারা লীগের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্য করেন। আপনারা প্রকাশ্যে এদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন না কারণ এতে কাজে কর্মে বাধা সৃষ্টি হবে। আর লীগের কানেকশনে যারা কাজ পান তারা লীগের বিরুদ্ধে কথা বলতেও অস্বস্তি বোধ করেন। এটাই হয়ত স্বাভাবিক। কারণ সত্য বলা আমাদের কালচার থেকে উঠে গেছে অনেক আগেই। এখন সত্য হল সেটাই যেটাতে আমার কোন ফায়দা হবে। খামোখা সদা সত্য কথা বলিব কপচায় কোন বেকুব এই যুগে? কাজেই জিয়ার কবরটা সরাতে হবে। ঐ কবরটাকে জিয়ার মাজার বলা খুব বিরক্তিকর লাগে আমার। একজন মানুষকে পছন্দ করলে তাকে ধরে পীর বানায়ে দিতে হবে কেন? এ কেমন অসভ্যতা? তবে জিয়ার কবর উৎখাত করার মধ্যে যে পৈশাচিক আনন্দ লীগের কেউ কেউ পাচ্ছে, এটা আমাদের বুদ্ধিমান বাঙ্গালিরা হাড়ে হাড়ে জানলেও মুখে কিছু বলবে না। এই উপহাস পার্টি হবে গোপনে, খুব দামী কোন হোটেলে -- হাসাহাসি পার্টি।

তো কি বুঝলেন? খুব না? খুব! আমি বগুড়ার লোক বলেই কি এসব লিখলাম? এতটাই একচোখা আর অন্ধ আমি? কি জানি, হতেও পারে। আমি শুধু জানি আমি সত্যবাদী। যা দেখি, তাইই লিখি। তবে অনেক কিছু দেখতে পাই না, সেটা জানি। তবে আমার মূল উদ্দেশ্য তো বাংলাদেশের রাজনীতির অ্যানালিসিস না। আমার উদ্দেশ্য হল আপনাদের চিন্তা ভাবনাকে উন্মুক্ত করতে সাহায্য করা। এখানে আমি একগাদা ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছি এটা সত্যি, কিন্তু আমি মনে করি এই কথাগুলা বলা অনেক জরুরি। ভয় দেখায়ে সবার মুখ বন্ধ করা যায় না। মগজ ধোলাইয়ে সবাইকে বেকুব বানানো যায় না। ড্রেকোরা ১৩ হাজার বছর ধরে এই কাজ করে আসছে কিন্ত এখন ধরা পড়ে গেছে। পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ লোক ওদের সমস্ত দুষ্কর্ম ফাঁস করে দিচ্ছে। আমাদের দেশেও তাই হবে। মেক নো মিস্টেক যে পৃথিবীতে একটা আমূল পরিবর্তন আসতেছে। কত তাড়াতাড়ি এটা আমাদের কাছে পৌঁছাবে সেটা নির্ভর করবে আমাদের পারফরমান্সের উপর। আমরা কি নিজেদেরকে বদলাবো, নাকি আমাদের ঐ থোড়-বড়ি-খাঁড়া চলতে থাকবে? কোনটা?

Thursday, November 12, 2015

draco part 27 (in bengali)

ড্রেকো ২৭

আজকে একটা বেসিক ব্যাপারে আলাপ করবো, যে মগজ ধোলাইটা কি। রাইট? অনেকেই কিন্তু এই ব্যাপারটাই ধরতে পারি নাই। আমার মনে হয় উদাহরন দিয়ে বুঝাইলে ব্যাপারগুলা পরিষ্কার হতে পারে। যেমন, মেহেদিকে আমি অনেক হাই রিগার্ডে ধরি বা ধরতাম। ও ওশোর লেকচার শোনে, আর নিজেকে স্পিরিচুয়াল গুরু মনে করে। কিন্তু আমি যে ওর বন্ধুর ফিয়াসের প্রেমে পড়ে গেছলাম, এটা ও হজম করতে পারেনি। পরে আমাকে যা তা বলল যে আমি নাকি ওর বন্ধুর নামে বাজে কথা বলে মেয়েটাকে ফুসলানোর চেষ্টা করসি, ইত্যাদি ইত্যাদি টিপিকাল বাংলা নাটক যেটা ওর মত ছেলের কাছে আশা করা যায় না। এটা অবশ্য মগজ ধোলাই না, ছ্যাঁচড়ামি। কিন্তু প্রত্যেকটা ব্লগার হত্যার পরে ওকে বারবার দেখসি মৌলবাদীদের হিট করা পোস্ট দিতে -- যেন ও আগেই জেনে গেছে যে খুনগুলা ওদের করা। যখন আমি ওকে বলসি যে যৌক্তিকভাবে দেখলে এই খুনগুলা র বা লীগের করার সম্ভাবনা অনেক বেশী, তখন কিন্তু ও আমাকে বেনিফিট অফ ডাউট দেয়ার মত উদারতা দেখাতে পারেনি। জেনারালি স্পিকিং, বাঙ্গালিরা বেনিফিট অফ ডাউট কি, কেন এবং কখন এটা অ্যাপ্লাই করতে হয় এটা জানেনা এবং বোঝে না। এই কালচারাল ডেভেলপমেন্টটা আমাদের মুসলিম সমাজের অন্তত হয়নি। যারা ধর্মের পক্ষে কথা বলে, এরা সব সময় অ্যাবসোলুটে কথা বলে, যেন সবকিছু ঈশ্বরের গস্পেল, আর এর পরে কোন কথা থাকতে পারে না। এর থেকে বড় মগজ ধোলাই আসলে কিছুই নাই। আসলে সবকিছুই আপেক্ষিক। মুসলমানরা মনে করে আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, কিন্তু আল্লাহর কোন সৃষ্টিকর্তা নাই। হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। এখানে বেনিফিট অফ ডাউটের ব্যাপার আছে। কিন্তু মৌলবাদীরা এমন অ্যাটিচুড করবে যেন কেউ যদি ওদের সাথে একমত না হয়, তাহলে তাদেরকে আসলে মেরে ফেলা উচিৎ। এইটা হল সবথেকে বড় মগজ ধোলাই। মুসলমানরা জেনারেলি মনে করে যে ওরা অমুসলিমদের চেয়ে বেশী বোঝে এবং জানে। এর থেকে বড় মিথ্যা বোধহয় আর নাই দুনিয়ায়। আসলে মুসলমানরা পৃথিবীতে সবথেকে বেশী অজ্ঞ এবং মূর্খ, এটাতে মাইন্ড করলে চলবে না, ব্যাপারটা বুঝতে হবে। এই মুহূর্তে এই লাইনটা পড়ে দুই একজন মৌলবাদীর মাথায় আগুন ধরে গেছে, ঠিক কিনা? যদি ঠিক হয়, তাহলে সেটাই প্রমাণ করে যে আমার কথা সত্যি। এইটাই মুসলিম মৌলবাদীদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। এই মগজ ধোলাই থেকে আপনাদের বের হয়ে আসতে হবে। বুঝতে হবে যে এই মাল্টিভারসটা কোরানের কথা অনুযায়ী চলে না। পৃথিবীতে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের স্ট্যাটাস নিচে, এই কথাটা কোরানে ভুল আছে। এরকম আরও অনেক কথাই কোরানে আছে যেটা যুক্তিসঙ্গতভাবে মানা যায় না। এই মেনে নেয়াটা ব্যক্তিগত এবং আপেক্ষিক ব্যাপার। আমার ধারণা মতে, কোরান শরীফটা ৪র্থ বা ৫ম ডিমেনশনাল এলোহিমদের রচনা করা যারা ফলেন এঞ্জেলস। ওরা চায় পৃথিবীর মানুষের কাছে নিজেদেরকে ঈশ্বর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে, যেটা একটা মিথ্যা এবং মগজ ধোলাই। এই ব্যাপারে বুঝতে হলে আপনাদের প্রথমে পড়তে হবে জাকারিয়া সিচিনের বইগুলা যেখানে সুমেরিয়ান সভ্যতা আর আনুনাকি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করা হয়েছে। এর সাথে সাথে আপনারা পড়তে পারেন রবার্ট মর্নিংস্টারের টেরা-পেপারস। এখানে বলে রাখা ভাল যে সিচিন কিন্তু রথসচাইল্ডসদের শিল বা ভিতরের লোক। অ্যারিজনা উইল্ডারের টেস্টিমনি মতে, সিচিনকে শেপ শিফটিং রেপ্টিলিয়ানদের সাথে পার্টি করতে দেখা গেছে। এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে খুব ইম্পরট্যান্ট একটা ব্যাপার। এর কারণ হল, ড্রেকোদের একটা সবচেয়ে বড় এজেন্ডা হল মানুষকে একটা মগজ ধোলাই থেকে বের করে, আরেকটা মগজ ধোলাইয়ের ভিতরে ঢুকায়ে দেয়া, যাতে আমরা আসল সত্যটা কিছুতেই বুঝতে না পারি।

এবার আসি মিরাজের মগজ ধোলাইয়ের বিষয়ে। ও প্রথম দুই চার দিন আগ্রহ দেখাল যতদিন ওর ইনভেন্টরি বাড়াটা ওর বিলিফ সিস্টেমের ভিতরে ছিল। কিন্তু তারপর এক পর্যায়ে ও আস্তে লাইট বাল্বের মত অফ হয়ে গিয়ে সুড়ুত করে আবার মেট্রিক্সে ঢুকে পড়ল, এবং এর পর থেকে কোন আলোকিত বিষয়ে ওকে আর কোন আগ্রহ দেখাতে দেখা যায়নি। ব্যাপারটা এরকম যেন কয়দিন সামান্য পর্যবেক্ষণ করেই ও ব্যাপারটা পুরাপুরি বুঝে ফেলসে, এবং এখানে আর কিছু পাওয়ার নাই বিধায় সে আবার আগের বাবলে ঢুকে পড়ল। এই ঘটনা যার ঘটে তাকে আর কোনভাবেই মগজ ধোলাই থেকে বের করে আনা যায় না, আমার এক্সপেরিয়েন্স মতে। আমি এদেরকে বলি সেন্সেশনালিস্ট। যেখানেই সস্তা সেন্সেশন, সেখানেই এরা হাজির। প্রথম কয়দিন ও আনন্দ পাইল কন্সপিরেসি থিওরিতে কারণ ওর আশেপাশের সবাই এটা অ্যাভয়েড করে। তাই এটা উদারতা প্রদর্শনের একটা ফিল্ড হিসাবে কয়দিন বেশ অ্যাপিলিং ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল যে মগজ ধোলাই থেকে সত্যি সত্যি বের হতে হলে ওকে অনেক কিছুই বদলাতে হবে, অনেক ছাড় দিতে হবে, আর সবচেয়ে ভয়ংকর যেটা, ওর কম্ফোরট জোন থেকে নড়তে হবে। তখনই ব্যাপারটার চার্ম শেষ হয়ে গিয়ে ও আবার ব্যাক টু দ্য প্যাভিলিয়ন -- ব্যাক ইনসাইড দ্য মেট্রিক্স বাবল।

নেক্সট বলির পাঁঠা হল গিয়ে আমার প্রিয় নুহু ভাই। থ্যাংকস টু মি যে উনি এখন রূপসী বাংলা ইন্টার্নেট টিভিতে প্রত্যেক সপ্তাহে সংবিধান শিক্ষার উপর একটা করে প্রোগ্রাম করবেন। এই ক্রেডিটটা আমি নিচ্ছি কারণ আমিই উনাকে প্রথম আমার মগজ ধোলাই ভিডিও ব্লগ সিরিজে গেস্ট হিসাবে ডাকি, যেখান থেকে এই সাপ্তাহিক সিরিজের আইডিয়াটা বের হয়ে আসে। যাই হোক, উনার কাছে আমার বক্তব্য হচ্ছে, এই সংবিধানগুলাও এক ধরণের পাবলিককে বোকা বানানোর চাল। এটা বুঝতে হলে আপনাদেরকে ভ্যাটিকান জেজুইট আর রথসচাইল্ড ড্রেকো ব্যাংকার সম্পর্কে পড়াশুনা করতে হবে। পৃথিবীর যে কোন শিক্ষিত লোকই বোঝে যে বাংলাদেশের মত অপোগণ্ড মূর্খ দেশে আসলে কখনই গনতন্ত্র কাজ করবে না। এমনকি অ্যামেরিকার মত শিক্ষিত দেশে পর্যন্ত ফ্রিমেসন, জেজুইট, নাৎসি, আর ড্রেকো ব্যাংকাররা মিলে দেশটাকে একটা ফ্যাশিস্ট পুলিশ স্টেটে কনভার্ট করে ফেলসে ধীরে ধীরে, আর অ্যামেরিকানরা জম্বির মত ঘুমাচ্ছে। এখনও ওদের দেশে বহু লোক জানে না যে ৯/১১ ঘটাইসে বুশ আর নেতানিয়াহু। ওদের আকাশে প্রত্যেকদিন প্লেন দিয়ে বিষাক্ত কেমট্রেইল ছড়ানো হয়, অথচ কেউই ঠিকমত জানে না কেন বা কারা এই কাজ করে যাচ্ছে। এত শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও ওরা এটা বন্ধ করতে পারছে না। আর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ যা করে যাচ্ছে, এটা তো কোন শিক্ষিত এবং জাগ্রত দেশে করা সম্ভব হত না। আচমকা দেশে চলে আসলো ৫৪ ধারা। কেন আসলো, কীভাবে আসলো, কে জানে? গত ২/৩ বছরে বিএনপি আর জামাতকে ধুলায়ে মিশায়ে ফেলসে আওয়ামী লীগ আর র, কিন্তু ঘুমন্ত বাঙালি ক্রিকেট খেলা আর ব্লগার হত্যা নিয়ে ব্যস্ত। মিডিয়াতে যা বলে, তার বাইরে একটা বাঙ্গালিকে চিন্তা করতে দেখা যায় না। আমি নুহু ভাইকে বলসি, যে বাংলাদেশের সংবিধান বুঝতে আমার একদিন লাগবে। এটা নিয়ে আপনি মাসের পর মাস প্রোগ্রাম করতে যাবেন কেন? সংবিধান বোঝা একটা কমন সেন্সের ব্যাপার। বিরোধী দলকে সরকারি অবকাঠামো আর ফান্ড অপব্যবহার করে, মাইর আর মিথ্যা মামলা দিয়ে বিপর্যস্ত করে, দেশের সমস্ত আন্দোলন করার রাস্তা অকার্যকর করে গদিতে গ্যাঁট হয়ে বসে যাওয়া কোন সংবিধানে নাই। যেখানে সরকার নিজেই সংবিধানের ধার ধারে না, সেখানে জনগনকে সংবিধান পুথিপড়া করে লাভ কি? কেউ যদি বলতে যায় যে সরকার সংবিধান বিরোধী কাজ হরহামেশা করে যাচ্ছে, যেটা দেশের প্রত্যেকটা লোক জানে, তখন তো ঐ ব্যক্তির জান নিয়ে টানাটানি পড়ে যাবে।

উপসংহারে বলব যে কাউকেই আমি বলছিনা আপনারা যা করছেন, তা বন্ধ করতে। সবাইই তো চিন্তা ভাবনা করেই আমরা কাজ করি, আর প্রত্যেকটা কাজের কিছু না কিছু মূল্য আছে, ইভেন আমার এই ড্রেকো সিরিজেরও। অন্তত আমি তাই মনে করি। কিন্তু আমাদের রথসচাইল্ড, জেজুইট, নাৎসি, ড্রেকো, ব্লাডলাইন, ব্যাংকিং, ফ্রিমেসন্রি, ইলুমিনাটি, র, আইএসআই, মোসাদ, সিআইএ, ড্রাগন, এদের সম্পর্কে ধারণা না থাকলে, শুধু মেট্রিক্সের ভিতরে বসে অজ্ঞ লেভেলে পণ্ডিতি করতে থাকলে আর কোনদিন আমাদের নিজের দেশের মানুষের দাসত্ব থেকে বের হতে হবে না। আমার নিজের জন্য একটা হাই স্যালারি কর্পোরেট চাকরি বের করা খুব একটা কঠিন না, এই দেশে অথবা অ্যামেরিকায়, কারণ আমি আইটির লোক। কিন্তু সেটাই সমাধান না। শুধু একটা বড় মাপের চাকরি করার জন্য আমরা পৃথিবীতে আসিনি। এখানে আরও অনেক কিছু হওয়া বাকি, অনেক কিছু করা বাকি। আমি ইন্টুইট করতে পারি যে আমাদের সামনে একটা বিরাট পরিবর্তন আসবে, আর সেটা নিয়েই এত কথা বলা। যাদেরকে এই লেখার মাধ্যমে বাঁশ দিলাম তারা যেন আমাকে ক্ষমা করে দেয়! আই লাভ ইউ গাইজ!

Tuesday, November 10, 2015

draco part 26 (in bengali)


ড্রেকো ২৬

ডন হোয়ান মাতুসের মতে, পৃথিবীতে ৩ ধরণের মানুষ আছেঃ হিসু, বমি, আর পাদু। হিসুরা সবুজ উত্তপ্ত তরলের মত, কিন্তু অখাদ্য। বমিরা নিজেকে ঢেলে দিবে আপনার উপর, এখন সামলান। আর পাদুরা আপনাকে বলবে, আমি তোমার থেকে বড় এবং বেশী জানি। সেদিন আঞ্জির ছোটভাইয়ের জন্মদিনে গিয়ে ওর ভাবীর হাতে আচমকা মুখ-মাথা-শার্টে কেকাচ্ছন্ন হয়ে ধরা খাওয়ায় একটা গল্প মনে পড়ল। একদিন ডন হোয়ান ক্যাস্টানেডাকে সিল্ভিও মানুয়েল আর ভিসেন্ট মেদ্রানোর সাথে পরিচয় করতে নিয়ে গেল। কিন্তু পরিচয় হওয়ার সময় ভিসেন্ট বলল, এই লোককে ভিতরে আনছ কেন? একে দিয়ে কাজ হবে না। ওকে  বাইরে নিয়ে যাও। আর সিল্ভিও বলল, ওকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখ। ডন হোয়ান কাস্টানেডাকে আস্তে করে বলল, আস। বলে ওকে পিছনের বারান্দায় নিয়ে গিয়ে মাটি থেকে একটা চামড়ার দড়ি উঠায়ে মুহূর্তের মধ্যে ওর গলায় প্যাঁচায়ে ফেলল, আর কিছু বুঝে ওঠার আগেই ডন হোয়ান ওকে বারান্দার একটা কলামের সাথে বেঁধে ফেলে ভিতরে চলে গেল। রাগে কার্লোস চিৎকার করে ডন হোয়ানকে ডাকা শুরু করল কিন্তু কোন লাভ হল না। অপমানে অন্ধ হয়ে ও তখন পিলারের একটা কোণার সাথে দড়ি ঘষতে শুরু করল, আর এক পর্যায়ে টানের চোটে দড়িটা ছিঁড়ে ও হুড়মুড় করে উলটা হেঁটে পিছনের দরজা খুলে ঘরে বসে থাকা তিনজনের সামনে ছিটকে পড়ল, আর ওরা উঠে দাঁড়ায়ে হোহো করে হাসা শুরু করল। ডন হোয়ান ওকে বসতে সাহায্য করতে করতে বলল, কারলিতো, তুমি পারও বটে। তুমি যদি এত্ত বড় ইগোম্যানিয়াক না হতা, তাহলে একটু খেয়াল করলে দেখতা কাছেই একটা কাঁচি রাখা ছিল। অথবা আরেকটু ঠাণ্ডা মাথায় খেয়াল করলে বুঝতা যে ঐ গিট্টূটা ফলস। তোমাকে স্টকিংয়ের চারটা মুড শেখানোর জন্য এই কাজটা করা হইছে। স্টকিংয়ের চারটা মুড হলঃ সুইট, পেশেন্ট, রুথলেস, আর কানিং।

যাইহোক, টোল্টেক টিচিং অনেক গভীর জিনিষ। কার্লোস ৩৫ বছর ডন হোয়ানের এপ্রেন্টিসশিপ করেও নিজেকে ফেইলিয়র মনে করে। আমরা অবশ্য তা মনে করি না। শমনিক সোরসারি একটা অল্টারনেটিভ রিয়্যালিটির দরজা খুলে দেয়। যে কারনে, আমার ক্ষেত্রে অন্তত, তথাকথিত কন্সপিরেসি থিওরিস্ট টাইটেলে অভিষিক্ত হওয়া সত্ত্বেও সত্যানুসন্ধান থেকে কেউ থামাতে পারেনি। ইগোর ব্যারিয়ার থেকে বের হতে না পারলে কেউ মগজ ধোলাই ভাংতে পারবে না। সিভিয়ার ট্রমা সাফার না করলে কেউ সাধারণত ইগো ট্রিপ থেকে বের হয়ে আসতে পারে না। পেইন হল গিয়ে বেস্ট টীচার। আমাদের মধ্যে যারা উচ্চবিত্ত, এরা আমাদের আনফেয়ার সিস্টেমের সুবিধাগুলা ভোগ করে, কাজেই সিস্টেম চেঞ্জ করতে অনাগ্রহী। যারা নিম্নবিত্ত, তারা এতই অকাট মূর্খ আর নিষ্পেষিত যে এরা হার শিকার করেই বসে থাকে, আর যারা চালাক তারা চুরি চামারি করে সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করে, আর আমাদের চরম দুর্নীতিগ্রস্ত সিস্টেমের কারণে মাঝে মাঝে একেবারে উপরে উঠে যায়। এবং উপরে গিয়ে সিস্টেমটাকে আরও চুষতে থাকে। এরপর বাকি থাকল শুধু মধ্যবিত্ত। মধ্যবিত্তরা হল আমাদের সিস্টেমটার চাকার স্পোকের মত। দুইটাকা বেতন পেলে মধ্যবিত্ত এত খুশি হয়ে যায় যে এদের দিয়ে যা খুশি তাই করানো যায়। যেহেতু মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বেশী কম্পিটিশনের মধ্যে পড়তে হয়, এই কারণে এরা সবচেয়ে শার্প হয়। এরা নিজেদের বুদ্ধি দিয়ে চলে বলে এদের কনফিডেন্স আর ইগো অনেক বেশী। যে কারণে, ড্রেকোরা এদেরকে মগজ ধোলাই দেয়ার পিছনে সবচেয়ে বেশী এনার্জি ব্যয় করে।

টাইম, নিউজউইক, অবজারভার, ন্যাট জিও, রিডারস ডাইজেস্ট, ভোগ, আপনারা যেসব ম্যাগাজিন পড়েন, এর প্রত্যেকটাই জায়োনিস্ট মগজ ধোলাই মিডিয়া। বাংলাদেশের ডেইলি স্টার বা প্রথম আলো পড়লে আপনাদের মাথায় নিরেট গোবর ছাড়া আর কিছু থাকবে না। কারণ কোন অর্থপূর্ণ খবর দেয়ার সাহসই এদের কারও নাই। বাংলাদেশে ভিন্নমত প্রকাশ করার কোন অবকাশ আওয়ামী লীগ অবশিষ্ট রাখেনি, আর রাখলেও খুব একটা লাভ নাই। যে যে পক্ষেই কথা বলুক, প্রত্যেকেই মগজ ধোলাই খাওয়া। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ একটা অর্থহীন লেভেলে কথা বলে এবং চিন্তা করে। দেশের সবথেকে বুদ্ধিমান যারা, তারা কি করে? কোন একটা মালটিন্যাশনালে কাজ করে? লীগের মাথায় তেল দিয়ে বড় বড় ব্যবসাগুলা ধরে? নেপোটিজমের মাধ্যমে জয়ের মত দেশের সবচেয়ে বড় পোস্টগুলাতে বসে যায়? বেসিক্যালি এরা ছলে বলে কৌশলে টাকা বানানোর ধান্দা খুঁজতে থাকে। এর বাইরে চিন্তা করাকে এরা ফাজলেমি মনে করে। ঠিক কিনা? আপনি নিজে কি এই দলে পড়েন? পড়াটাই স্বাভাবিক। কারণ আমরা প্রত্যেকেই গভীরভাবে মগজ ধোলাই খাওয়া হিপ্নোটাইজড জম্বি। আমাদেরকে যেভাবে চিন্তা করতে শিখানো হইছে, তার বাইরে আমরা এক পা ফেলার কথা চিন্তা করিনা। আর ঠিক এই কারণেই পৃথিবীতে কোন পরিবর্তন আসে না। সারাজীবন আমরা একটা জিনিষই দেখে যাইঃ যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ।

পরিবর্তন আনতে হলে কি করতে হবে? প্রথমত বুঝতে হবে সরকার, ব্যাংক, আর কর্পোরেশনগুলা আমাদের শত্রু। দেশে যত অপকর্ম হয়, সবকিছুর জন্য সরকার দায়ী, এইটা বোঝা হল প্রাথমিক কাজ। পুলিশ, সরকার, আইনজীবী, এরা আইনের ধার ধারে না, এটা বুঝতে হবে। মিডিয়াতে খুচরা ফাঁপর ছাড়া কোন অর্থপূর্ণ খবর আসে না। আমাদের ব্যাংকিং সিস্টেমে কি কি দুই নম্বরি হচ্ছে এগুলা সমস্ত বের করতে হবে। আমাদের ভ্যাটের টাকা কোন নেতার সুইস ব্যাংক একাউন্টে জমা হচ্ছে, এটা বের করতে হবে। আমরা যে গ্যাস পানি ইলেকট্রিক বিল দিচ্ছি, সেই হাজার হাজার কোটি টাকা কার সুইস ব্যাংকে জমা হচ্ছে এটা জানতে হবে। সরকারি আমলা, তাদের পিয়ন চাকর ড্রাইভার থেকে শুরু করে সবাই যে দুর্নীতি করে যাচ্ছে, সেটা থামাতে হবে। কিন্ত তার আগে...

...তার আগে ঠাণ্ডা মাথায় যেটা বুঝতে হবে সেটা হল, জীবনের প্রথম থেকে শেষ দিন পর্যন্ত যা আমাদেরকে শিখানো হয়, তার পুরাটাই মগজ ধোলাই। সিস্টেমের চাকায় একটা স্পোক হয়ে বেঁচে থাকার জন্য যা যা দরকার, শুধু সেটুকুই আমাদেরকে বলা হয়। এর পরের বাকিটা অফ লিমিটস -- খাঁচার মুর্গীর জন্য নয়। আমরা কেউ যদি জানার চেষ্টা না করি, কিছু বোঝার চেষ্টা না করি, তাহলে কিন্তু আমাদের মালিকেরা খুব খুশি থাকে। আমরা যত বেশী টাকা কামাই, ততই ওরা আমাদের পিঠ চাপড়ায় কারণ ওদের স্লেভারী সিস্টেমটাকে তো আরও পোক্ত করে দিচ্ছি। যখনই আপনি জানতে চাইবেন যে পৃথিবীর শতশত ফ্রি এনার্জি ডিভাইস কেন সাপ্রেসড হয়ে আছে, সাথে সাথে সবার মুখ ব্যাজার। ঐ যে আবার কন্সপিরেসি থিওরি শুরু করছে। কেন বাপ, মুখ গুঁজে টু পাইস কামায়ে সুখে থাক? মেয়েছেলে লাগা? চটকদার গাড়ি বাড়ি কিন? এইসব ফালতু জিনিষ ভাবিস ক্যান? তুই পারবি পৃথিবীটাকে বদলে ফেলতে? হু পারবো। পারতাছি। পাইরা ছাড়ুম।

নাস্তিক ব্লগার নামে কিছু দুনিয়াতে নাই। এইটা একটা মিমি। একটা মগজ ধোলাই। লক্ষ লক্ষ লোক নানা কথা লিখে যাচ্ছে ধর্ম নিয়ে, তাতে কার কি এসে যায়? কিন্তু না, ঐ ব্লগারদের মারতে হবে। তাও গুলি করে মারলে হবে না -- ইসলামিক পদ্ধতিতে কোপায়ে মারতে হবে। কেন? কারণ নাহলে মগজ ধোলাই হবে কীভাবে? মানুষ যদি মৌলবাদীদের ভয়ে শিটকে না থাকে, তাহলে সাইঅপ্স কীভাবে কাজ করবে? কে বিশ্বাস করবে?

যারা মুর্গীর খাঁচার বাইরে বাস করে, তারা কিন্তু পুরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড পরিভ্রমন করে বেড়াচ্ছে। কি? বিশ্বাস করতে পারছেন না? এভিডেন্স চাই? প্রুফ চাই? হাসান কেন ভাই? এভিডেন্স আপনাদের পিছন দিক দিয়ে সাঁটতে সাঁটতে গলা পর্যন্ত হয়ে গেছে কিন্তু আপনাদের মগজ ধোলাই তো ভাঙ্গে না! এ কি আজীব কারখানা আমাদের! কেউ কোন পড়াশুনা করে না। কিছু জানতে চায় না। একটা বই পড়ে না। কোন আগ্রহ নাই। কোন কমন সেন্স নাই। সত্য উদ্ঘাটনের কোন চেষ্টা নাই। দুর্নীতি থামানোর কোন ইচ্ছা নাই। কারও কোন বিকার নাই। সবাই শুধু মুখ দিয়ে ফেনা তুলে একটা কথাই বলে যাচ্ছে বারবারঃ থোড়-বড়ি-খাঁড়া আর খাঁড়া-বড়ি-থোড়!

কথা শেষ। কিন্তু আরেকটু কি যেন বলার ছিল। আমাদের জীবন চরম অর্থহীন হয়ে গেছে। খাঁচার মুর্গী হয়ে বেঁচে থাকা অভ্যাস হয়ে গেছে। তবু কি যেন বলার ছিল। কি যেন হওয়ার ছিল। এই চোরা সরকার, ধর্মের ভণ্ডামি, আর টাকার লোভে অন্ধ হয়ে থাকা -- এটাই শেষ কথা নয়।

Saturday, November 7, 2015

draco part 25 (in bengali)


ড্রেকো ২৫

জর্ডান ম্যাক্সওয়েল নামে একজন গবেষকের মতে, পৃথিবীর মানুষ একটা গ্র্যান্ড এক্সপেরিমেন্ট। আমাদের দেহের ভিতরে আত্মার বসবাসের যে ব্যবস্থা, এটা চিরস্থায়ী নয় তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু অনেকে যেটা জানি না, তা হল, জীবিত অবস্থায় আমাদের আত্মা বা কনশাস্নেস্টা দেহ থেকে বের হয়ে যেতে পারে, যেটাকে বলে আউট অভ বডি এক্সপেরিয়েন্স বা OBE। ঘুমের মধ্যে আমাদের সবারই ওবিই হয় যেটা অধিকাংশ সময়ে আমাদের মনে থাকে না। রবার্ট মোনরো নামে একজন বিজ্ঞানী, এবং আরও অনেকেই, এটা নিয়ে লিখেছেন। পরবর্তীতে এটার উপরে গবেষণা করতে করতে সিআইএ আবিষ্কার করে রিমোট ভিউইং এবং আরও পরে রিমোট ইনফ্লুয়েন্সিং। নেটিভ শমনদের লুসিড ড্রিমিং ব্যাপারটাও খুব কাছাকাছি। এটা দিয়ে ইন্টারডিমেনশনাল ট্র্যাভেল করা যায়। এই রিমোট ভিউইংটা সিআইএ কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে তার একটা নমুনা দেই। এর আগে আমি অ্যারন মাক্কলামের কথা বলেছি, যে একজন ডলফিন-হিউম্যান হাইব্রিড সুপারসোলজার বা অগমেন্টেড হিউম্যান। ও একজন স্পেশাল অপ্স কম্যান্ডার যে অজস্রবার বিভিন্ন স্টারগেট পোর্টাল দিয়ে অন্য ডিমেনশন, টাইম, বা প্ল্যানেটে মিশনে গেছে। ওর একজন মেয়ে পার্টনার আছে যে ঐ মিশনগুলাতে ওর সাথে ননফিজিক্যালি রিমোট ভিউইংয়ের মাধ্যমে যায় এবং কি ঘটছে তা ক্যামেরার মাধ্যমে দেখা যায় পৃথিবীতে বসে। এই ডিভাইসটার নাম সম্ভবত ক্রোনোভাইজর যেটার কথা অ্যান্ডি বাসিয়াগো বলেছেন। বাসিয়াগো হলেন সেই ব্যক্তি যিনি দাবী করেন টীনএজ থাকাকালে উনি প্রজেক্ট পেগাসাস জাম্পগেটের মাধ্যমে মঙ্গল গ্রহে টেলিপোর্ট মিশনে গেছেন, এবং ওখানে ওবামাকে দেখেছেন।

এই ড্রেকো সিরিজের মাধ্যমে একটা প্রধান বিষয় আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে পৃথিবীর সাধারণ মানুষকে একটা মিথ্যার জগতে বন্দী করে রাখা হইছে। আমাদের ধর্ম-টাকা-রাজনীতি-মিডিয়া-ক্যারিয়ার এর যে জগতের মধ্যে আমরা আটকা পড়ে আছি, এটা একটা দাসত্ব। এটার মধ্যে আমাদেরকে বন্দী করে রাখা হইছে মাইন্ড কন্ট্রোল আর হিপ্নোসিসের মাধ্যমে। আমাদের অন্ধ করে রাখা চোখের একটু বাইরেই আছে একটা অসাধারন মাল্টিভারস, যা সম্পর্কে আমাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নাই। যুগ যুগ ধরে মালটিজেনারেশনাল মগজ ধোলাই খেতে খেতে আমাদের অজ্ঞতা এমন চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেছে যে এখন কেউ সত্যি কথাটা আমাদের হঠাত খুলে বললে আমরা হেসে উঠি। সত্যি কথাটা আমরা বিশ্বাস করতে পারি না। ঐ লোকটাকে পাগল ছাগল মনে করি। আমরা বিশ্বাসই করতে পারিনা যে সাড়ে সাত বিলিয়ন মানুষকে এভাবে ভেড়া বানায়ে রাখা সম্ভব, কিন্তু ঠিক তাইই ঘটেছে। আমাদের অ্যাটলান্টিস আর লেমুরিয়া নামে দুটা খুব উন্নত সভ্যতা ছিল যেগুলা ধ্বংস হয়ে গেছে ৬ থেকে ১৩ হাজার বছর আগে। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ ভুলে গেছি সেই কথা? কেন ভুলে গেছি? কারণ খুব সিস্টেম্যাটিকভাবে আমাদেরকে ভুলানো হইছে। আপনারা দেখেছেন কীভাবে আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানের নামটা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে দেয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে? কেন? আপনারা কি শেখ মুজিবের সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতা শুনেছেন যেটা এখন এডিট করে পাকিস্তান জিন্দাবাদ কথাটা মুছে দেয়া হয়েছে? একটু খেয়াল করে শুনলে জোড়া দেয়া নকল পার্টগুলা স্পষ্ট বোঝা যায়। ঠিক এভাবেই যুগ যুগ ধরে ড্রেকোরা আমাদেরকে মগজ ধোলাই দিয়ে আসছে। আমরা কুচা মুর্গীর মত শুধু দেখে যাই। কিছু করতে পারি না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলি, ভাই, কিসসু করার নাই।

মজার ব্যাপার হল, আপনাকে ঐ "কিসসু করার নাই" পরাজিত মনোভাবে নিয়ে আসার জন্যই কিন্তু এত খুন, রেপ, ভণ্ডামি, মিথ্যা, মগজ ধোলাই, হিপ্নোসিস, পুলিশ, র‍্যাব, মিলিটারি, সরকার, মন্ত্রীসভা, ভোট চুরি, দাঙ্গা, হাঙ্গামা, আগুন, মিথ্যা মামলা, ক্রসফায়ার, রিমান্ড, সাইঅপ্স, ইত্যাদির এত আয়োজন। সবথেকে ইম্পরট্যান্ট হল মানুষের স্পিরিট। যার স্পিরিট ভেঙ্গে গেছে, সে পরাজিত। এখন সে কারও না কারও দাস হয়ে বেঁচে থাকার জন্য তৈরি। এখন ইচ্ছামত তাকে ট্যাক্স, ভ্যাট, ঘুষ, বিল বাড়ানো, সরকারি ভাতা বাড়ানো, লাত্থি গুতা, যাইই দেন না কেন, সে এখন কুচা মুর্গীর মত শুধু কুকু করবে, কিচ্ছু বলবে না। কারণ সে জানে বলে কোন লাভ নাই। কেউ তার কথা পাত্তা দিবে না। সবাই তো চুরি আর লুটপাটে মজে আছে। সবাইই তো কামড়াকামড়ি করে খাচ্ছে। জমি খারিজ, এপার্টমেন্ট বুকিং, ব্যাংক লোণ, গাড়ির মডেল আপগ্রেড, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড স্কুলে বাচ্চাদের পড়ানো, বিদেশে পাঠানো, এইসব নানান কাজের জন্য কোটি কোটি টাকা লাগে। এইসব ড্রেকো ফেকো নিয়ে ফাজলেমি করার ফুরসত কই?

কালকে ইন্ডিয়ার একটা খবরে পড়লাম হাসিনা চায় ওয়ান পার্টি পলিটিক্স। যেটা এখন সে বাংলাদেশে এস্টাব্লিশ করে ফেলছে। বিএনপি ভাবতেছে, এটা কি হল? কিন্তু ঘটনা যা ঘটার ঘটে গেছে। খালেদা দেশের বাইরে, আর আমাদের তালুকদারের ধারণা যে সে আর ফিরবে না। এদিকে জয় গদিতে বসে পড়েছে এবং প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের অর্ডার দেয়া হয়ে গেছে। এই ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা ড্রেকোদের প্ল্যানের একটা বড় অংশ। ড্রেকোরা চায় ওদের ফার্মের মুরগীদের পুরাপুরি নিয়ন্ত্রনে রাখতে। আমরা কম্প্যুটারে যা কিছু করি সব ওরা রেকর্ড করে একটা কোয়ান্টাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডাটাবেসে পাঠায় তা আগেই বলেছি। এর সাথে যোগ করেন HAARPএর মত মাইন্ড কন্ট্রোল টেকনোলজি যেটা দিয়ে মানুষকে খুব সহজে ব্রয়লার মুরগি বানানো যায়। এরপরে আছে পানিতে ফ্লোরাইড মিশানো। অরগানিক খাবারের বদলে মনসান্টোর জেনেটিক্যালি মডিফাইড খাবার। খেয়াল করবেন যে আমাদের ইয়াং জেনারেশন ভিডিও গেমের ভিতরে হারায়ে গেছে। দেশে ইয়াবার বিক্রি দিন দিন বাড়ছে। মিডিয়ায় তাকালে দেখবেন প্রত্যেকদিন নতুন নতুন দুঃসংবাদ। আমাদের মধ্যবিত্ত সুশীল সমাজ যেন অপেক্ষায় থাকে নেক্সট ব্যাড নিউজটা পাওয়ার জন্য। পাওয়া মাত্র শুরু হয়ে যায় লেখালেখি কিন্তু এই লেখা সম্পূর্ণ অর্থহীন। এই ফেসবুক কালচার আরেকটা মগজ ধোলাই কাল্ট। এরা সবাই থোড়-বড়ি-খাঁড়া নিয়ে ব্যস্ত। কিছুতেই বুঝতে পারেনা যে একটা অন্ধত্বের গণ্ডীর ভিতরে বিচরণ করছে এরা সবাই। আস্তিক-নাস্তিক ঝগড়া, বিএনপি-অ্যাল ঝগড়া, হিন্দু-মুসলিম হিংসামি, এই চলছে।

যতদিন ব্যাবিলনিয়ান মানি ম্যাজিক থাকবে পৃথিবীতে -- দাসত্ব থাকবে। ঢাকা শহরটাকে দেখতে একটা ধ্বংসস্তূপ ভর্তি ডাস্টবিনের মত লাগে। বিদেশ থেকে ফিরে এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে প্রথম ঢাকা শহরটা দেখলে অদ্ভুত লাগে! এই অবস্থা কীভাবে হল? এত নোংরা আর ধ্বজভঙ্গ চেহারা একটা দেশের হতে পারে? দেখে বিশ্বাস করা যায় না। ব্যাংকিং সিস্টেমটা বদলাতে হবে। এটা নিয়ে সবার জানতে হবে। পৃথিবীর প্রত্যেকটা সেন্ত্রাল ব্যাংক রথসচাইল্ডের কন্ট্রোলে থাকে। যেখানে সেই কন্ট্রোল নাই, সেখানেই ওরা যুদ্ধ লাগায়। ইরানের মেহেরান কেশি উনার প্লাজমা টেকনোলজি সবাইকে দেয়ার জন্য কতদিন ধরে চেষ্টা করছেন, কই, আমাদের এত বুদ্ধিমান সরকার তো একটা টীম পাঠালো না সেখানে! কেন পাঠাবে? আমাদেরকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দেয়ার কাজ কি সরকারের? নাকি ওরাই বিভিন্ন অভিসন্ধি করে আমাদেরকে মূর্খ দাস বানায়ে রাখছে? কোনটা? পুটিন আর মোদীকে খেয়াল করেন, বুঝতে পারবেন একজন শক্তিশালী নেতা কীভাবে চিন্তা করে, কীভাবে কাজ করে। কিন্তু ঐ রকম নেতা বাংলাদেশে তৈরি হওয়ার পূর্বশর্ত হচ্ছে আমাদের সবাইকে মগজ ধোলাই ভেঙ্গে বের হয়ে মানুষের মত আচরণ করতে হবে। একজন জিয়া বা জহির রায়হান তো বেশী দূর যেতে পারে না। ওদেরকে মেরে ফেলা হয়। কিন্তু পুটিন বা মোদীকে মেরে ফেলা অত সহজ হবে না। কারণ ওরা আমাদের বাংলাদেশের মত মূর্খ জাতি নয়। নিজের মূর্খতা স্বীকার করে নেয়া হল আমাদের প্রত্যেকটা বাঙালির প্রধান কাজ, এই মুহূর্তে। আমি মিরাজ, নুহু, আদিব, মেহেদি, অভিজিতের কথা লিখেছি -- এরা সবাই নিজেকে বিরাট পণ্ডিত মনে করে, বাট নো অফেন্স, আমি তোমাদের সবাইকে বিরাট বড় গর্দভ মনে করি যারা এখনও সামান্যতম মগজ ধোলাই ভেঙ্গে বের হতে পারেনি। মগজ ধোলাইটা কি এবং কীভাবে হচ্ছে, এটাই এখনও ওদের বোধগম্য হয়নি। এখনও এরা মনে করে যে ড্রেকো ফেকো বলে কিছু নাই। বা এগুলা জেনে কোন লাভ নাই। আর এই অতি পণ্ডিতিটাই আমাদের জাতীয় সমস্যা।