Tuesday, October 6, 2015

draco part 7 (in bengali)

ড্রেকো ৭

আমার মত যারা ড্রেকো বা আর্কনদের এক্সপোজ করে দিচ্ছে তারা প্রচন্ডভাবে সাইকিক আক্রমণের শিকার হয়। এটা আমাদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল জানে নির্ঝর আর ফক্রুদ্দিন ভাই। যারা এই ব্যাপারগুলা নিজে ভোগ করেনি তাদেরকে বললে বিশ্বাস করতে চাইবে না, বলবে এগুলা কোইন্সিডেন্স। আসলে পৃথিবীতে কাকতালীয় ঘটনা আদৌ ঘটে না বলে আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি -- কারণ প্রত্যেকটা ঘটনার পিছনে কারা কিভাবে এবং কেন কাজ করছে এটা একবার বুঝে ফেললে দুই দুই চার মিলানো বেশী কঠিন না। আপনাদের আশেপাশে তাকালেই দেখবেন যে অসংখ্য মানুষ প্রায় প্রতিদিন মিডিয়াতে কিছু খুন, যুদ্ধ, নেগেটিভ ঘটনা বা সাইঅপ্স নিয়ে নিজস্ব থিওরি দিয়ে যাচ্ছে। এদের বেশ বড় সাইজের একটা ফলোইং বা ফ্যানবেস থাকে যারা বিষয়গুলা নিয়ে হাবিজাবি যা খুশি কমেন্ট করে যায়। সব মিলায়ে একটা ব্রেইনডেড কমুনিটি তৈরি হয়ে যায়, যার সদস্যরা নিজেদেরকে বেশ বুদ্ধিমান এবং জ্ঞানী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত ভাবতে থাকে। এখানে আমি বা আপনি যদি হঠাত ওদের ওই কাল্টের বাইরে কিছু বুঝাতে যান তাহলে নিজের সন্মানটা হাতে নিয়ে দৌড়ে পালানোর প্রস্তুতি নিয়ে না গেলে বিপদে পড়বেন। ফিলিংসটা অনেকটা মেন্টাল গ্যাং রেপের মত। যারা এই কালচারে অভ্যস্ত, তাদেরকে নতুন কোন তথ্য বা আইডিয়া দেয়া প্রায় অসম্ভব। এরা সবকিছু জানে বা বোঝে বলে মনে করে বলে, ওদের রিয়ালিটি বাবলের বাইরে কোন কথা বললে আপনাকে কন্সপিরেসি থিওরিস্ট বলে অপমান করে চুপ করায়ে দিবে। অথবা আপনার কথার সত্যতার প্রমান চাইবে কিন্তু ওই প্রমানটা যদি আপনি ২/৩ বাক্যে দিতে না পারেন, তাহলে পচানি খেয়ে চুপ হয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন! ওরা আপনাদেরকে সোফোমোরিক লজিক দিয়ে আক্রমন করবে এবং আপনার প্রমান দেয়ার প্রচেষ্টাকে খুব সারফেস লেভেল থেকে এক্সট্রিম প্রেজুডিসের সাথে বাতিল করে দিবে কোন সিরিয়াস স্টাডি না করেই।

বাপরে! অনেক বললাম, ভাইব তো প্রায় নিচে নেমে গেল! কাজের কথায় আসি। সত্যি সত্যি কি এলিয়েন আছে? জ্বি আছে, আর শুধু তাই না, আপনি আমি, আমরা সবাই একেকজন হাইব্রিড এলিয়েন। মানে? কিভাবে? কারণ হল, আমরা সবাই বিভিন্ন স্টার-সিস্টেম থেকে এখানে এসেছি। আমাদের হোমো স্যাপিয়েন্সের যে ডিএনএ, এটার ডিজাইন করেছে কিছু এল্ডার গ্যালাক্টিক রেইস বা জাতি। এটার প্রমান যদি চান, তাহলে আপনাদের বিভিন্ন জেনেটিস্টের গবেষণা নিয়ে পড়তে হবে। এখানে প্রথমে আমি যার নাম রেকমেন্ড করব উনি হলেন লয়েড পাই (lloyd pye)। আর এখানে এলেন লয়েডের একটা আর্টিকেল লিঙ্ক দিচ্ছিঃ http://www.esolibris.com/articles/alternative_history/ancient_genetic_engineering.php।  আমি বলছিনা যে দুই একটা লিঙ্ক ব্যাপারটা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু কিছু পড়াশুনা করে দেখতে ক্ষতি কি? কোরি গুড ছদ্মনামে যে লোকটা দাবী করছে যে সে সিক্রেট স্পেস প্রোগ্রামে ২০ বছর কাজ করেছে, সে বেশ কয়েকটা মিটিঙের কথা বলছে যেখানে ২২টা রেইস দাবী করছে যে আমাদের জেনেটিক্সে ওদের কন্ট্রিবিউশন বা অবদান আছে। এখানে একটা প্রশ্ন দাঁড়ায় যে ড্রেকোরা কোরিকে কেন পাবলিক মিডিয়াতে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে? নিয়ম অনুযায়ী ওকে ওদের মেরে ফেলা বা গুম করা বা যে কোনভাবে চুপ করায়ে দেয়ার কথা। কিন্তু মজাটা এইখানেই। আমরা যারা গত ৫, ৭, ১০ বছর ধরে গোপন তথ্য শেয়ার করে যাচ্ছি, এই ব্যাপারটা ড্রেকোরা আগে থেকে আন্দাজ করতে পারেনি, কারণ পৃথিবীর প্রায় সব মানুষ তো এতদিন চরম ভোদাই ছিল, ঠিক আমাদের বাঙ্গালিদের মতই। হঠাৎ করে এতজন একসাথে জেগে উঠলাম কিভাবে? এটা কোন জাদুমন্ত্রে হয়নি। ইটিরা আমাদের সাহায্য করেছে এবং এখনও করে যাচ্ছে। কোরির মত যারা হুইসল-ব্লোওিং করছে তাদের অনেকেরই অতিমাত্রিক বা সাইকিক কিছু নিরাপত্তা আছে।

এখন আবার একটু বাঙালি স্টাইলে বাত করি। আমি প্রথম প্যারাগ্রাফে যে ব্রেইনডেড কাল্টের বর্ণনা দিয়েছি, তাদের সাথে আমাদের কথার একটা বিরাট অমিল আছে। আমাদের অধিকাংশ মানুষ হল গিয়ে টকিং হেডস -- এরা যে কোন বিষয় পেলে কথা বলতে পছন্দ করে। কন্টিনিউয়াস বকবক করাটাই এদের আনন্দ। কথা বলার পিছনে তেমন কোন উদ্দেশ্য থাকে না, শুধু বাকোয়াজ করতে পারলেই খুশি। আমরা আবার এই দলে পড়ি না। আমরা কথা কম বলতেই ভালবাসি, আর যখন বলি, তখন চিন্তা ভাবনা করে বলি যাতে আমাদের কথা শুনে মানুষের সময় নষ্ট না হয়। এটা ভুল ঠিকের বিষয় না, যে যেরকম। কিন্তু আমার এটা বলার উদ্দেশ্য হল, আমি চাই যে আপনারা আমাদের কথাগুলাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। এর কারণ, আমাদের ধর্ম, কালচার, শিক্ষাব্যবস্থা, মিডিয়া, কর্মক্ষেত্র, এর প্রত্যেকটা জায়গায় তো প্রতিদিন আমরা বিভিন্ন আলাপ আলোচনা করি, কিন্তু এই আলোচনা আমাদের মগজ ধোলাইটাকে আরও শক্তপোক্ত করে। আর আমার এই লেখার উদ্দেশ্য তো ওই জায়গা থেকে আপনাদের চিন্তাধারাটা সরায়ে আনা। আপনাদেরকে বুঝতে সাহায্য করা যে আপনারা ছোটবেলা থেকে যা যা শিখে এসেছেন তার বেশির ভাগই ভুল এবং মিথ্যা -- এবং এর কারণ হল আমাদের সবাইকে চরমভাবে বেকুব বানায়ে রাখার একটা ষড়যন্ত্র আছে যেটা এত গভীর আর কমপ্লেক্স যে সারা জীবন আপনি যতগুলা স্পাই থ্রিলার আর সায়েন্স ফিকশন পড়েছেন, তার সবগুলা একত্র করলেও আমাদের রিয়ালিটির ধারে কাছে আসবে না। এই বিষয়টার তাৎপর্য বুঝতে কিন্তু আপনাদের কিছুটা সময় লাগবে। এটা একদিনে হুট করে হবে না।

আজকের লেখাটা একটু খাপছাড়া হল। এখন টাইম ট্র্যাভেল নিয়ে একটু বলে আজকের মত শেষ করে দিব। ৪২, ৪৩ সালের দিকে প্রজেক্ট রেইনবো নামে একটা অ্যামেরিকান সিক্রেট মিশনে আইনস্টাইন আর তেসলা দুইজনই কাজ করেছিলেন। এক্সপেরিমেন্টটা ছিল যুদ্ধ জাহাজকে অদৃশ্য বানানোর একটা প্রচেষ্টা। এখানে বলে রাখা ভাল, এই দুইজন বিজ্ঞানীই ইটিদের সাথে কম্যুনিকেট করতেন বলে মনে করা হয়। এই প্রোজেক্টটার পিছনে আমাদের আদরের ড্রেকোদের একটা আল্টেরিয়র মোটিভ ছিল যেটা ওই বিজ্ঞানিরা তখন পরিস্কার বুঝতে পারেননি বলে মনে করা হয়। যাই হোক এক্সপেরিমেন্টটা শুধু যে সফল হয় তাইই না, জাহাজটা অদৃশ্য হওয়ার সাথে সাথে ১৯৪৩ থেকে ১৯৮৩ সালে টেলিপোর্টেড হয়ে যায়। অর্থাৎ, এসেনশিয়ালি, জাহাজটা টাইম ট্র্যাভেল করে ৪০ বছর ভবিষ্যতে চলে যায়। এইখান থেকেই আমাদের টাইম ট্র্যাভেলের যাত্রা শুরু বলে মনে করা হয়। এই টেকনোলজিটাকে বলা হয় স্পেস-টাইম পোর্টাল। আমাদের ব্রেকঅ্যাওয়ে সিভিলাইজেশনগুলা এই ধরণের টেকনোলজিরই আরও উন্নত ভার্শন ব্যবহার করে থাকে। আমরা আশা করছি যে আপনারা যখন বুঝতে পারবেন যে আমাদের প্রত্যেকটা কথা সত্যি, তখন আমাদের কালেক্টিভ কনশাস্নেসে একটা কোয়ান্টাম জাম্প হবে, যেটার কারণে একটা ম্যাসিভ গ্যালাক্টিক ডিসক্লোজার ইভেন্ট ঘটবে -- এবং তারপরে আমাদের জীবনধারা আমূল বদলে যাবে। এটাকে কোন পাইপ ড্রীম মনে করলে ভুল করবেন। এটা আসলে একটা কোয়ান্টাম অ্যাসেনশন বা অ্যাওয়েকেনিং যেটা নিয়ে সারা পৃথিবীর মানুষ আর ইটিরা কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চাই আপনারা ব্যাপারটা বুঝে আমাদের সাথে কাজ করা শুরু করুন, কারণ তাহলে পরিবর্তনটা খুব দ্রুত আসবে।

No comments:

Post a Comment