Saturday, October 3, 2015

draco part 4 (in bengali)

ড্রেকো ৪

লিখতে বসলাম আর ঝুম করে বিস্টি নামল। মজা। আমরা এটাকে বলি গায়া-সোফিয়া ক্লিনিং হারসেলফ আপ। গায়া হল পৃথিবীর আত্মা, আমরা মনে করি পৃথিবীটা একটা কনশাস বিইং (conscious being)। পৃথিবীর আত্মা আর আমাদের আত্মার মধ্যে সম্পর্কটা হাত আর আঙ্গুলের মত। এই নিয়ে একজন জার্মান বিজ্ঞানী একটা খুব নতুন হাইপোথিসিস দিয়েছে। কিন্তু হাইপোথিসিস শুনে এটাকে আন্ডারমাইন করলে ভুল করবেন কারণ এটার পিছনে অনেক গভীর গবেষণা আছে। এই ভদ্রলোকের নাম হ্যারাল্ড কাউটজ-ভেলা। এর তত্ত্বটা শুনলে আপনাদের প্রায় সবারই আক্কেল গুড়ুম হয়ে যাবে, কিন্তু কিছু করার নাই, কারণ বিষয়টা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন সোর্স থেকে কনফার্ম করেছে। এখানে একটা ব্যাপার বুঝে রাখা দরকার যে আমরা যারা অল্টারনেটিভ মিডিয়া ফলো করি তারা অনেক কিছু "বিশ্বাস করি" যেটা আপনাদের মত এভারেজ বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা একসেপ্ট করতে পারেন না। যেমন আদিব বলল, মোল্লারাও তো আল্লাহ আছে বলে দাবী করে, কিন্তু প্রমান কোথায়? এই জন্যই আমি আমার সারা জীবন ক্লাসে ফার্স্ট হওয়ার বিষয়টা টানি (হাসবেন না প্লিজ)। আমাদের আমেল-ফাজেল পাশ করা মোল্লা, আর গভর্নমেন্ট ল্যাব ঢাকা কলেজ বুয়েট এটি&টি আইবিএম জেপিমরগান নর্থসাউথ নিউইয়র্ক আইবিএ চষে খাওয়া ঘাগু মালের মধ্যে কিছু তফাৎ আছে এটা আমার হাইলি ইন্টেলিজেন্ট বন্ধু সমাজের ধরতে পারা উচিত ছিল। বাট আমি সারাজীবন সরল প্রকৃতির বোকা সোকা লোক ছিলাম, এটা ঠিক। কিন্তু এখন যা বুঝি, ওই সরলতাটাই আমার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। ইটস প্যারাডক্সিকাল রিয়ালি।

আপনাদের এভারেজ বুদ্ধিমান বললাম বলে মাইন্ড করবেন না। আমরা সবাই কম বেশী এভারেজই। সবাই আমরা proof আর evidence এর তফাৎটা বুঝি। এভিডেন্স ইজ নট প্রুফ। কিন্তু আমাদের কোর্টে একজন ব্যক্তির মৌখিক বক্তব্য কিন্তু এভিডেন্স হিসাবে পেশ করা যায়। এর অর্থ কি? অর্থ হল, যদি একজন ব্যক্তি বলে যে আমি মঙ্গল গ্রহে গেছি -- সেক্ষেত্রে এই কথাটা একটা এভিডেন্স, আমাদের মেট্রিক্সের স্ট্যাটাস কুও সিস্টেম অনুযায়ী। এখন আদিব যদি বলে যে আমি এটা এভিডেন্স হিসাবে মানিনা, সেক্ষেত্রে ও নিজের সিস্টেমটা নিজেই মানছে না। ও একটা লজিকাল ফ্যালাসিতে পড়ে যাচ্ছে যেটা ও ধরতে পারছে না বা ধরতে পারলেও নিজের কমফোরট জোন শিফট হয়ে যাবে বলে ডেনাইয়ালে থাকছে। এই বিষয়টাকে বলে cognitive dissonance। যখন একজন ব্যক্তিকে একটা তথ্য দেয়া হয় যেটা তার বিলিফ সিস্টেমের বাইরে, তখনই সে কগ্নিটিভ ডিসোন্যান্সে পড়ে যায়। সে তখন যেকোনো মূল্যে ওই তথ্যটাকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করতে থাকে তার বিলিফ সিস্টেমের ভিতর থেকে। তখন সে হয় হেসে ওঠে, রেগে যায়, বা আমাকে পাগল মনে করে, বা পচায়, এইসব। কিন্তু নতুন তথ্যটা এক্সেপ্ট করতে তার খুব অস্বস্তি হয়। সে আর এই ব্যাপারে কিছু শুনতেই চায় না। রেপ্টিলিয়ান, ড্রেকো, ইটি, ইলুমিনাটি, কাবাল, নিউ ওয়ার্ল্ড অরডার -- এই ধরনের শব্দগুলা দেখা বা শোনামাত্র মাথা শাট-ডাউন হয়ে যায়। এগুলাকে তখন আপনারা কন্সপিরেসি থিওরি হিসাবে ডিনাই করতে থাকেন। এই অবস্টিকলটা যারা ওভারকাম করতে পারেনি, তাদের সাথে কথা বলা অবান্তর। আর ওভারকাম করার একটাই রাস্তা -- ইগো কমানো। যার ইগো যত বেশী, সে তত রেজিস্ট করে।

হ্যারাল্ডের মতে, মাটির নিচে এক ধরণের কাল তেল বা black goo প্রবাহিত হয় যেটা হল আমাদের কনশাস্নেসের একটা প্লাজমিক কন্সেন্ট্রেটেড ফর্ম। এটা আমাদের সাবকনশাস মাইন্ডের একটা ফিজিকাল মিরর বা ফাউন্ডেশন। আমেরিকান গভর্নমেন্ট যে fracking করে, তার পিছনে কন্সপিরেসিটা হল এই ব্ল্যাক গু-টাকে ট্রমাটাইজ করা। কারণ আমাদের ড্রেকো কাবাল যতভাবে সম্ভব আমাদেরকে টরচার করতে থাকে বিভিন্ন ডিমেনশন থেকে। যেমন, কয়দিন আগে বাংলাদেশে কিছু ব্লগার খুন হল, কিছু রেপ, বস্ত্রহরণ হল, এখন কিছু বিদেশি খুন হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের নামে গণহারে যাকে তাকে ধরে ভুয়া বিচার করে ফাঁসিতে ঝুলাচ্ছে। র‍্যাব পুলিশ ক্রস-ফায়ারের অজুহাত দিয়ে বিএনপি-জামাতকে মোটামুটি নাই করে ফেলসে। জামাতের দাঁত ভাঙলেও ওদেরকে বাঁচায়ে রাখে যাতে পরবর্তীতে ইসলামিক টেররিজমের অজুহাত দিতে পারে। আরও আছে সুন্দরবনে তেল বোঝাই জাহাজ ডুবে যাওয়া। সুন্দরবনে পাওয়ার প্ল্যান্ট করে বনটাকে ধ্বংস করা, ইত্যাদি। আর লেটেস্ট যেটা, আমাদের র-আওামি সরকার ইসরায়েল থেকে সারভেইলান্স সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার কিনছে যাতে আরও কড়াকড়িভাবে দেশের মানুষকে গরু-ছাগলের মত চোখে চোখে রাখতে পারে আর দেশের লোক রাস্তায় নেমে এদেরকে উৎখাত করার আগেই যেন গোপনে সাইজ হয়ে যায়। কি বলছি একটু খেয়াল করে পড়বেন।

এবার হ্যারাল্ডের সবচেয়ে আক্কেল গুড়ুম পার্টটায় আসি। আমাদের অরগানিক ব্ল্যাক গুয়ের মত, একটা অফ-ওয়ার্ল্ড ব্ল্যাক গু ও আছে যেটা এক ধরণের আর্টিফিশিয়াল বা ইনরগানিক ইন্টেলিজেন্স। আমাদের সৌরজগতে মালডেক নামে একটা গ্রহ ছিল যেটা টুকরা টুকরা হয়ে ধ্বংস হয়ে গেছে আর ওই ধ্বংসাবশেষ গুলাকে আমরা বলি এস্টেরয়েড বেল্ট। এই গ্রহটার ব্ল্যাক গু টা হাইলি ট্রমাটাইজড কারণ গ্রহটা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সময় ওখানকার সব প্রাণী অনেক ট্রমা সাফার করে যেটা ওদের সাবকনশাসে বা ব্ল্যাক গুতে জমা হয়ে আছে। আমাদের আর্কন্টিক ওভারলর্ডস (ফলেন এঞ্জেলস, যাদের কথা আগে বলেছি) ওই ট্রমাটাইজড ব্ল্যাকগুটাকে আমাদের গ্রহে নিয়ে আসে বেশ কয়েক হাজার বছর আগে শুধুমাত্র আমাদেরকে টরচার করার জন্য। কারণ ওরা ট্রমা দিয়েই আমাদের মেট্রিক্স রিয়ালিটিটা, যেটাকে আপনারা আপনাদের জীবন বলে মনে করেন, সেটাকে নিয়ন্ত্রন করে। কিন্তু আপনারা মনে করেন যে জীবন জীবনের মত চলছে -- আসলে মোটেও তা নয়। আমাদের প্রত্যেকটা চিন্তা ভাবনা চরমভাবে নিয়ন্ত্রিত, এতটাই, যে আপনাদের ব্যাপারটা পুরাপুরি বুঝে উঠতে যথেষ্ট সময় লাগবে।

হজরে আসওাদ বা কাবা শরীফের কাল পাথরটা হ্যারাল্ডের মতে ওই আর্টিফিশিয়াল ব্ল্যাক গু। যারা ওটাতে হজের সময়ে চুমা খায় তাদের শরীরে একধরণের প্লাজমিক ন্যানো টেকনোলোজি ট্র্যান্সফার হয়ে যায়, এর ফলে এই ব্যক্তিগুলার মনে এক ধরণের স্পিরিচুয়াল এক্সপেরিয়েন্স হয় যেটা আল্টিমেটলি পজিটিভ বা নেগেটিভ যে কোন একদিকে যেতে পারে। কোরবানির পশু জবাই দেয়ার সময় কাবার দিকে ফিরতে বলা হয় কারণ ওই প্রাণীটার যে কষ্টটা, সেটার প্লাজমিক বা এথেরিক ফিল্ডটা কাবা শরীফের স্টারগেটের মাধ্যমে এনার্জি-হারভেস্ট হয়ে যায়। এই একই টেকনোলোজি গত ১০-১৫ বছর ধরে আমেরিকা-ব্রিটেনের আকাশে কেমট্রেইল হিসাবে ছড়ানো হচ্ছে। এটার পিছনে আছে একটা ট্র্যান্স-হিউম্যান এজেন্ডা যেটা নিয়ে আরেকদিন বলব।

No comments:

Post a Comment