Friday, October 2, 2015

draco part 3 (in bengali)

ড্রেকো ৩

সব সময় লেখা যায় না। কিন্তু তা আ এর ইন্সপিরেশনে একটু জোর করেই লিখতে বসলাম। যারা আমার সাথে অনেস্ট, তারা কেউ কেউ স্বীকার করে যে ভাই আপনার এই ড্রেকো বিষয়টা গেলা যাচ্ছে না। এটা আমি বুঝি। কিন্তু ব্যাপার হল যে এত বেশী তথ্য এখন এত দ্রুত বের হয়ে আসছে যে আর থিওরি কপচানোর সময় নাই। একটা সাইড ডিস্ট্র্যাকশনঃ লিখতে বসলেই কানের পাশে এত জোরে আজান বাজে যে মাথায় আগুন ধরে যায়। কত মানুষ কত কথা বলে ধর্ম নিয়ে, অথচ এই বিরক্তিকর বিষয়গুলা সল্ভ করার মত সৎসাহস একজন বাঙ্গালিরও দেখলাম না আজ পর্যন্ত। মসজিদে মাইক লাগানোর কোন প্রয়োজন নাই -- এই সহজ কথাটা বললে বাঙ্গালির তালু জ্বলে ওঠে রাগে। অথচ আমেরিকায় যান, কোন মসজিদে আজান হয় না মাইকে, কিন্তু তাতে কারও নামাজ কিন্তু আটকে থাকছে না। শুধু আমাদের বাঙ্গালিদেরই কান ফাটানো মাইক দিয়ে অমানুষিকভাবে সবাইকে উত্যক্ত-বিরক্ত না করলে আর নামাজের আরাম কোথায়?

আমার এই লেখাটা বাংলাদেশের বর্তমান মানসিকতার প্রেক্ষাপটে এত বেশী কন্ট্রোভারশিয়াল হবে যে এটা সবাই গিলতে পারবে না তা বলাই বাহুল্য। বাঙ্গালির মানসিকতা আমি বুঝিনা এটা ভাবলে ভুল করবেন। বাঙ্গালিকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি, কিন্তু ওই জাজমেন্টে বসলে আমার আর আগানো হবে না। আমার এই লেখা কোন এন্টারটাইন্মেন্ট, হাস্যরসাত্মক, বা এটেনশন পাওয়ার একটা প্রচেষ্টা নয়। আমার আগ্রহ হল স্পিরিচুয়াল এওেকেনিং। তো আমার কিছু স্পিরিচুয়াল বন্ধু অবশ্য মনে করে যে স্পিরিচুয়ালিজমের সাথে ইটি ফিটির কোন কানেকশন নাই। কিনতু আমি এ ব্যাপারে একমত নই। বরং আমি মনে করি এই হায়ার কনশাস্নেসটা হায়ার স্পিরিচুয়ালিটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাঙ্গালিদের ধর্মবিশ্বাসের কারণে আমাদের স্পিরিচুয়াল গ্রোথ খুব কম হয়। কিন্তু আবার আমাদের তথাকথিত গরীব সমাজ, রিকশা-ড্রাইভার, এরা ধর্মীয় কুশিক্ষা যথেষ্ট না পাওয়ার কারণে আর সাংসারিক পেটের জ্বালায় আপনা আপনি স্পিরিচুয়াল হয়ে ওঠে।

সবথেকে কঠিন হল আমাদের মধ্যবিত্ত স্মার্ট ইউনিভার্সিটি গ্রাজুয়েট কর্পোরেট ফেসবুক ইন্টেলেকচুয়ালদেরকে নতুন কিছু বুঝানো -- কারণ এই গ্রুপ্টা (আমার প্রায় সমস্ত বুদ্ধিমান বাঙালি বন্ধু এই গ্রুপের) মনে করে তারা সবজান্তা, আর ওরা জানেনা এরকম যদি কোন বিষয় থেকেও থাকে, সেক্ষেত্রে ওইসব বিষয় হল ফালতু -- এগুলা নিয়ে সময় নষ্ট করা পাগলামি ছাড়া আর কিছুই না। কিন্তু সত্যিকার অর্থে, এই মনোভাবটাই কিন্তু আল্টিমেট মগজ ধোলাই। আমরা জানিই না যে আমরা কিছুই জানি না। এক্ষেত্রে আমার ড্রেকো নিয়ে লেখাটা একটা অজুহাত মাত্র। এটাকে সুতার মাথার মত টানলে এর পিছনে প্যান্ডোরার বক্সের মত এত সত্য বের হয়ে আসবে যে আশ্চর্য হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। আমাকে অনেকে বলেছে যে আপনি ইটি বাদ দিয়ে কথা বলেন, অনেকে শুনবে। কিন্তু এটা আমার আসেই না। আমার কথা হল আমাদের নাকের ডগার সামনে এত ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, আর আমরা বলদের মত এখনও ঘরের মধ্যে ৮০০ পাউন্ডের হাতিটার কথা বলতেই পারব না, এটা হবে না। আমরা কি পাগল জাতি? সব কিছুই কি আওয়ামী লীগের মত? এরা যত অপকর্মই করুক, এদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেলে পেশাপ চেপে যায়?

এখানে দুইটা নতুন তথ্য দেইঃ (এক) আমাদের পায়ের তলায় আছে inner earth। ওখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ আর রেপ্টিলিয়ান ইত্যাদি বাস করে। এরা আলাদা আলাদা গ্রুপে বিভক্ত। সবার সাথে সবার বনে না। এরা কেউ কেউ আমেরিকা-ব্রিটেনের যে ড্রেকো গভর্নমেন্ট তাদের সাথে গোপনে কাজ করে। আবার অনেক ভাল গ্রুপও আছে। এরা সবাই আমাদের থেকে অনেক বেশী এডভান্সড। আর (দুই) ডীপ স্পেসে আমাদের breakaway civilizations আছে। এরা কেউ কেউ পৃথিবী থেকে মানুষ কালেক্ট করে নিয়ে যায়। এদের চাঁদে, মঙ্গলগ্রহে, আরও অনেক জায়গায় বেইস আছে। এগুলা কোন কন্সপিরেসি থিওরি না, এইসব তথ্য ক্রমাগত বের হয়ে আসছে। শুধু একটু খেয়াল করলেই আমরা সবকিছু জানতে পারবো। তাই আমার এই লেখার উদ্দেশ্য হল বাঙ্গালিদের দৃষ্টিটা একটু এইদিকে ফিরানো, কারণ এই তথ্যগুলাই একমাত্র আমাদেরকে মুক্তি দিতে পারবে। অন্য কিছু নয়।

আমার লেখার শুরুতেই আজান নিয়ে একটা ডিস্ট্রাকশন হয়েছিল। হয়ত ওটা একটা ওমেন ছিল কারণ আমার ধর্ম নিয়ে আরও অনেক লিখতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তো ধর্মের বিষয়ে কেউ কথা বললে নাস্তিক আখ্যা দিয়ে বাঁশ দিতে শুরু করে পরে ওটা জীবনের হুমকি পর্যন্ত চলে যায়। আমি দেখেছি যে যখনই আমি বলি বা লিখি যে তথাকথিত "নাস্তিক ব্লগার" খুনগুলা করেছে র-আওামিলীগ, সাথে সাথে আস্তিক নাস্তিক হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সবাই আমাকে আবাল বলে ধিক্কার দিতে থাকে। ওদের রাগ দেখে আমি হাসি আর মনে মনে বলি -- ওষুধ খুব ধরসে!

No comments:

Post a Comment