Tuesday, October 27, 2015

draco part 21 (in bengali)


ড্রেকো ২১

কোরি গুডের মতে, সিক্রেট স্পেস প্রোগ্রামের (SSP) প্রধান ৫টা ভাগঃ

    ১। Solar Warden – এদের প্রধান কাজ সোলার সিস্টেম আর আশেপাশের স্টার ক্লাস্টারগুলায় পুলিশগিরি করা।
    ২। Interplanetary Corporate Conglomerate (ICC) – প্রধান কাজ ছলে বলে কৌশলে অ্যাডভান্সড টেকনোলজি জোগাড় এবং অপব্যবহার।
    ৩। Dark Fleet – সৌর জগতের বাইরে কাজ করে; খুবই মিলিটারি এবং অফেন্সিভ।
    ৪। “NATO TYPE SSP” – ওদেরকে  লীগ অভ নেশন্স প্রোগ্রাম ও বলা হয় -- সম্ভবত ইউ এন এর সাথে সম্পৃক্ত।
    ৫। Various Special Access Program SSP’s – ছোট, গোপন, অত্যাধুনিক টেকনোলজি সজ্জিত, যারা কিছু কিছু Secret Earth Governments এর সাথে কাজ করে।

আমাদের সচেতনতা আসার একটা বড় কাজ হল এই ব্যাপারটা বুঝতে পারা যে, পৃথিবীতে অসংখ্য ইটি বা হাইব্রিড হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে আছে। এদের কেউ কেউ সম্ভবত আমাদের জেনেটিক ডিজাইন করসে। অন্যরা জেনেটিক মডিফিকেশন করে সুপার-সোলজার বা অগমেন্টেড হিউম্যান তৈরি করতেসে। এরা সম্ভবত কেউই চায়না যে পৃথিবীর সাধারণ মানুষ বুঝতে পারুক যে পৃথিবীর মানুষের সাথে অন্য গ্রহের প্রাণীর হরহামেশা ব্যবসা বানিজ্য আর দেখা সাক্ষাত হচ্ছে। আমরা যখন বুঝতে পারবো যে এক গ্রহ থেকে আরেক গ্রহে যাওয়া, বা এক গ্যালাক্সি থেকে আরেক গ্যালাক্সিতে যাওয়া কতটা সহজ, তখন কি আর বলদের মতন বসে বসে আস্তিক-নাস্তিক নিয়ে ফিলসফি কপচাবো, নাকি সেলফি তুলে তুলে ফেসবুকে দিয়ে বলব, ওরে ওরে, আমাকে দ্যাখ, আমি কি দারুন ব্যাপার করলাম আজ অফিস যাওয়ার পথে!

সবকিছুর একটা সময় বেসময় আছে। ২০১২ সাল থেকে পৃথিবীতে একটা কোয়ান্টাম লীপ শুরু হইসে যেটা ২০১৭ এর দিকে একটা পর্যায়ে পৌঁছাবে। এগুলাকে বলে ডিমেনশনাল পোর্টাল। এই সময়ে একটা প্রজাতি খুব দ্রুত উন্নতি লাভ করে। আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদেরকে ড্রেকোরা ভোদাই বানায়ে রাখসে, এবং এই বলদ স্ট্যাটাস থেকে বের হতে হলে আমাদের সবাই মিলে একটা যুদ্ধ করতে হবে আমাদের স্বাধীনতার জন্য। আর এই স্বাধীনতা পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে র-লীগের খপ্পরে পড়ার মত অর্থহীন স্বাধীনতা নয়। এই মুহূর্তে বাঙালি স্বাধীনতা বলতে যা বোঝে, এটা বেসিক্যালি একটা ঘোড়ার ডিম। এখানে ক্রিমিনালরা দিনে দিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে, মানুষকে ঠকায়ে, খুন করে, জালিয়াতি জোচ্চুরি করে গদিতে যাচ্ছে, মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে, মানুষ মেরে ফেলে নির্বিকারে মিডিয়াতে মন্ত্রী পুলিশ দিয়ে মিথ্যা বলাচ্ছে, নির্দোষী ব্যক্তিদের দোষ দিচ্ছে -- এরকম স্বেচ্ছাচারী স্বাধীনতা থাকার চেয়ে না থাকা অনেক ভাল।

আজকে সবাই জানে যে অ্যামেরিকাতে টুইন টাওয়ার ধ্বংস করসে ওদের বুশ সরকার। এর অর্থ কি? কেন ওই রকম একটা উন্নত দেশের সরকার এই কাজ করবে? এর উত্তরটা কি আপনারা চিন্তা করে দেখসেন? আমি বলে দিচ্ছি। এর কারণ হল, ওই দেশের যে গণতান্ত্রিক সরকার টেলিভিশনে দেখানো হয়, ওটা একটা দুধভাত সরকার। ওই  দেশের কোন প্রেসিডেন্টই ভোট দিয়ে নির্বাচিত হয় না, আমাদের দেশের মতই। অ্যামেরিকা চালায় ফ্রিমেসনরা। পুরা অ্যামেরিকার ফেডারেশনটা একটা প্রাইভেট ব্যবসা। ওদের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, যারা ডলার প্রিন্ট করে, ওটাও একটা প্রাইভেট ব্যাংক। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টের উপরে ওদের ২৮টার মত সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স লেভেল আছে যেগুলা টপ সিক্রেট থেকে অনেক উপরে। সবচেয়ে উপরের দিকে ম্যাজিক, ম্যাজেস্টিক, বা কজমিক ক্লিয়ারেন্স আছে যাদের, তারা ইটিদের সাথে কাজ করতে পারে। প্রেসিডেন্ট ওবামা টীন এজ থাকাকালে মঙ্গল গ্রহে মিশনে গেছেন বলে অনেকে দাবী করেন। মজার ব্যাপার হল, বুশের দাদা ছিলেন একজন জার্মান, যিনি নিকোলা তেসলার ল্যাবে স্পট বয়ের কাজ করার নামে বিভিন্ন স্পায়িং আর চুরি চামারি করতেন। পরবর্তীতে তেসলার ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিয়ে উনাকে দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে বিভিন্ন অ্যাডভান্সড টেকনোলজি তৈরি করায়ে নেয়া হয়, যেগুলা পৃথিবীর মানুষের কাছে থেকে লুকানো।

আস্তে আস্তে আপনাদের বুঝতে পারা উচিৎ যে আমাদের স্বাধীনতাটা ছিল ইন্দিরার একটা চাল। মুজিব ছিল ওর চামচা, যে নিজের স্বার্থে কাজ করেছে, দেশের স্বার্থে নয়। দেশের স্বার্থে কাজ করেছেন মউলানা ভাসানি, সোহরাওয়ারদী, শের-এ-বাংলা, জিয়াউর রহমান, এঁরা। বাকি সব কাঙ্গাল। আওয়ামী লীগ হল র এর প্রিয় দল -- এরা ক্ষমতায় আসলে দেশের যত বাটপাড় আর চালবাজ আছে সবার চোখ চকচক করতে থাকে লোভে। ড্রেকোরাও ঠিক এরকম দলই পছন্দ করে। এই জন্যই তো কেউ এদেরকে সরাইতে পারতেছে না, বিএনপি ধ্বংসপ্রাপ্ত, আর জামাত দৌড়ের উপর। কিন্তু মুশকিল হল যে, অন্য সরকার আসলেও তো তেমন কোন পরিবর্তন হয়না। এই পরিবর্তন আনতে হলে আমাদের প্রত্যেকের সার্ভিস-টু-সেলফ থেকে সার্ভিস-টু-আদারস মোডে যেতে হবে। এটাকে বলে নিজের আগে অন্যকে প্রাধান্য দেয়া। কিন্তু এটা শুধু লোক দেখানো ভাবে করলে হবে না। সত্যি সত্যি মীন করতে হবে। বলা বাহুল্য, এই পরিবর্তন একদিনে হবে না, কিন্তু কাউকে না কাউকে এটা কোন এক সময় শুরু করতে হবেই। এছাড়া আর কোন উপায় নাই।

লেখার মাঝখানে হঠাত আঞ্জির ফোন আসলো -- দুইটা ছবি পাঠাইসি, দ্যাখতো ওগুলা কি? ছবিগুলা দেখলাম। এরকম জিনিষ আমি অনেকবার দেখসি। সম্ভবত ইউএফও। ব্লগে শেয়ার দিয়ে দিচ্ছি।

ps: নির্ঝর ফোন করে জানালো এগুলা ফানুস। বৌদ্ধ মন্দিরে পূজা হচ্ছে। মাঝে মাঝে সবাই আমরা ধরা খাই। কিন্ত তাতে সবকিছু অশুদ্ধ হয়ে যায় না মনে হয়।



No comments:

Post a Comment