Thursday, October 22, 2015

draco part 20 (in bengali)


ড্রেকো ২০

চয়ন যে আমাকে পারসনাল হাইজিনের উপর লেকচার দিল কয়দিন আগে, ওইটা গা জ্বালাইন্না হইলেও ঠিকই আছে, আমি জন্মের খাইশটা। দাঁত মাজা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে বের করলাম যে সকালে গরম চা খাইলে দাঁত না মাজলেও চলে। কোন কিছুই বেশী রুটিন মাফিক করাটা মনে হয় ঠিক না। তবে আমার ইন্টুইশন বলে যে ওই একই লেকচার চয়নকেও কোন বিদেশী কোন এক কালে দিসিল। ও যে ক্লাস ফাইভে থাকতে ব্রেকড্যান্স দিত -- দ্যাট ডেফাইনস হিম। বাপের সম্পত্তি তো অনেকেই পায়, কিন্তু বাংলাদেশের মত আজব দেশে ওর মত কিকঅ্যাস আন্ত্রোপ্রেনুর কিন্তু কমই আছে। যাক গিয়ে, তালুকদারের সাথে কথা হল ইনভেন্টরি ইস্যুটা নিয়ে। ও চায় আমার লেখাগুলা খুব ইনফরমেটিভ হোক, যাতে মানুষজন এই লেখা পড়ে ওদের ইনভেন্টরি বাড়াতে পারে। অনেক কিছু জানা যাবে। কথা ঠিক, কিন্তু আমি আবার ফ্রিস্টাইল থাকতে পছন্দ করি। এইজন্যই হয়ত জেবনটা গোল্লায় গেল। আস্তে আস্তে আমি হুমায়ুন আহমেদে মরফ করে যাচ্ছি। লেখার মান পড়া শুরু করল বলে। আসলে একটা সত্যি কথা বলি -- অনেক বছর ধরে অনেককে অনেক কিছুই বলসি। যে বোঝে, সে অল্পেই বোঝে, আর যে বোঝেনা, সে কিছুতেই বোঝেনা। এখন পর্যন্ত ফেসবুকে আমার পাঠক সংখ্যা ২০ এর মত। আমার স্ট্যান্ডার্ডে এটা খারাপ না। ঘটনা হল আমাদের প্রত্যেকের একটা হাম্বল কনফিডেন্স থাকা দরকার যে আমার ক্যাপাসিটিটা কেমন পর্যায়ের। আমার মত বহু ঘাটের পানি খাওয়া যারা, তারা হাল্কা পাতলা কিছু না কিছু বুঝে যে কার দৌড় কদ্দুর যায়। উজবুকদের সাথে সময় নষ্ট করার বয়স কি আর আছে? কিন্তু এইটা হল খাস বাঙালি টাইপের ইগোটিস্টিকাল কথা। এইখানে আমার লেখার পিছনে যে খুব ক্লিয়ারকাট একটা এজেন্ডা আছে সেটা শুরুতেই বলসি। এজেন্ডাটা আবার বলি -- পৃথিবীর মানুষকে আরটিফিশিয়ালি বানাইসে কিছু ইটি। এরা আগে আমাদের কাস্টোডিয়ান ছিল, কিন্তু পরে ওদের হাত বদল হইছে, এবং আল্টিমেটলি ড্রেকো রেপ্টিলিয়ান প্রজাতির কিছু ইটি পৃথিবীতে এসে আমাদেরকে কলোনাইজ করে। কিন্তু এই কলোনাইজেশনটা খুব সারেপ্টিশাস -- গোপনে করা, যেন পৃথিবীর সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারে যে কি হচ্ছে। এই ড্রেকোদের একটা গ্রুপ ১৩টা ব্লাডলাইনকে টারগেট করে যারা ক্ষমতা আর সম্পদের দিক দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্যামিলি। আপনারা যদি রথসচাইল্ড, খাজার, আর জেজুইটদের ইতিহাস খুব গভীরভাবে পড়েন (মেইন্সট্রীমের পাঠ্যবই না, ওগুলা সব মগজ ধোলাই), তাহলে আস্তে আস্তে বুঝতে পারবেন যে এরা আসলে কারা এবং কি চায়। ওরা হচ্ছে এক ধরণের ড্রেকো হাইব্রিড যারা মানুষের শরীরটাকে টেক ওভার করে নিতে পারে। ওই বডিটা যখন বুড়া হয়ে যায়, তখন ওরা ওটা ফেলে দিয়ে অন্য একটা বডিতে ওদের সোউল এবং মেমরি ট্র্যান্সফার করতে পারে। এই ব্যাপারে জানতে হলে জর্জ গ্রীন নামে একজন ইল্যুমিনাটি ইনসাইডারের ভিডিও দেখতে পারেন। কোন কোন ক্ষেত্রে ওরা আগের বডিটাকে ক্লোন করে ওইটাতে ট্র্যান্সফার হতে পারে। তো আমার এজেন্ডাটা হল, আমাদের দেশে যত সমস্যা নিয়ে আমরা জর্জরিত, এর প্রত্যেকটার পিছনে আছে ড্রেকোদের গভীর হাত। কাজেই, আমরা যদি আমাদের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সিরিয়াস হই, তাহলে ড্রেকোদের সম্পর্কে জানাটা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু বুঝতেই পারছেন এখানে একটা ঝামেলা আছে, যেটার নাম মগজ ধোলাই। এই মগজ ধোলাইটাও ড্রেকোরাই আমাদের দিচ্ছে যাতে আমরা কিছুতেই বুঝতে না পারি যে ওরা আছে এবং রিলেন্টলেসলি আমাদেরকে দিয়ে ওদের দাসত্ব করাচ্ছে, অথচ আমরা ব্যাপারটা বুঝতে পর্যন্ত পারছি না। এরকম একটা সিরিয়াস অ্যালেগেশন নিশ্চয়ই কেউ ঠাট্টা করে করবে না।

বাংলাদেশটা কন্ট্রোল করে ড্রেকোরা। র মোসাদ এমআই৬ সিআইএ ইত্যাদি সব ড্রেকোদের মুঠার মধ্যে। ওরা আমাদের সরকারকে গদিতে বসায় আর যারা ক্ষমতায় যায়, তারা উঠতে বসতে ওদের হুকুম মেনে চলে। এখানে একটা ইন্টারেস্টিং জিনিষ বলি। তালুকদারের ধারণা ড্রেকোরা বাংলাদেশের মত ছিঁচকে জায়গায় আসে না, ওদের পাপেট র ফ দিয়ে কাজ চালায়। কিন্তু এই কয়দিন আগে আঞ্জি একটা রেপ্টিলিয়ান দেখসে স্বচক্ষে। তালুকদার তো গজগজ করে, হ এত লোক থাকতে অরই চোখে পড়ল টাইপের বাঙালি ডায়ালগ। কিন্তু আঞ্জির ডেসক্রিপশন একদম কাঁটায় কাঁটায় ছিল। আর ওর জীনদের সম্পর্কে বেশ ভাল ধারণা আছে। ছোটবেলায় ওকে জীনেরা ধরে নিয়ে গিয়ে ওদের কাছে কিছুদিন রাখসিল। তখন ও দেখসে যে ওরা কাপড় পরে না। এইটা নিয়ে আবার লাগল তালুকদারের সাথে -- এর আগে তো কোনদিন কারও কাছে শুনিনাই যে ওরা কাপড় চোপড় পরে না। এটসেটরা এটসেটরা। এখন আপনারা কি বলবেন? আঞ্জি একটু অ্যাটেনশন পাওয়ার চেষ্টা করতেছে, তাই না? আমি কিন্তু তা বলব না। ওকে বেনিফিট অফ ডাউট দিব।

ইনভেন্টরির বিষয়টা নিয়ে আজকে রাজীবদের সাথেও আলাপ করলাম। রাজীবের মতে আমি নাইন্টিজে দেশে না থাকায় আমার দেশজ পলিটিক্স বোঝার মধ্যে একটা গ্যাপ হয়ে গেছে। আর আরিফ বলল, শুধু এককভাবে আওয়ামীলীগকে দোষ দেয়াটা ফেয়ার না। আমি ওদের কথা শুনি। রাজীব বলল, উনি এখন কিছু বলবে না, কিন্তু পরে ফেসবুকে লিখে পচাবে। আসলে কি তাই? একদমই না। ওদের কথা যখন শুনি, তখন আমি গৎবাঁধা কিছু কমন সেন্সিকাল এলিমেন্ট দেখি -- যেগুলা দেশের প্রায় সবাই বিশ্বাস করে আর বলে। কিন্তু আমি কখনও কাউকে বলতে শুনিনি যে আওয়ামীলীগ রএর পাপেট রেজিম। আমিই সেই ব্যাক্তি যে বলে যাচ্ছি যে ব্লগার হত্যা রএর সাইঅপ্স। ধর্মতান্ত্রিক যে খুনগুলা হয়, এগুলা বেশিরভাগ রএর করা। যুদ্ধাপরাধীর বিচার একটা র সাইঅপ্স। বুদ্ধিজীবী হত্যা রএর সাইঅপ্স। রাজাকারের কনসেপ্টটা রএর আবিষ্কার এবং এটা একটা মগজ ধোলাই। আসল ঘটনা বাঙালি যা মনে করে তা নয়। কিন্তু এইটাই তো সমস্যা -- তালুকদার আমাকে সকাল বিকাল শিখায় যে বাঙালি প্রয়োজনে কল্লা নামায়ে দিবে কিন্ত সে যে বেকুব এটা স্বীকার করবে না। পৃথিবীর সর্বনিকৃষ্ট গর্দভ জাতি হওয়া সত্ত্বেও কিন্ত আমাদের চেতনার দণ্ড সবার খাঁড়া আর টনটনা। আজ পর্যন্ত একজন বাঙ্গালিও কিন্ত আমি পাইনি যে স্বীকার করে, যে ভাই আপনে ঠিকই কইসেন, আমরা সবাই আসলেই তো চরম মগজ ধোলাই খাওয়া পাবলিক। এই ব্যাপারটা থেকে নিজেদেরকে বের করে আনতে হবে। আমাদের সবার অনেক বেশী পড়াশুনা করতে হবে। মেইন্সট্রীম মিডিয়া থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। আমাদের যে দা-কুমড়া নিয়ে ধাবড় দেয়া রাজনৈতিক সিনেমা -- ওইটা তো দুই কুকুরের ঝগড়া করার মত -- পিছন থেকে র পাছাতে দেয় একটা লাঠির বাড়ি, কিন্তু কুকুর সেটা বুঝতে পারে না। ও ভাবে ওই কুকুরটাই ওকে মারতেছে, তখন আরও ঝগড়া করে। আপনেরা মাইন্ড খাইয়েন না। কথাটা আমি খুব ভুল বলি নাই মনে হয়।

আমার আশেপাশে যারা আছে, মোটামুটি ইটি, ইলুমিনাটি, ফ্রিমেসন, ফেডারাল রিজার্ভ, ব্যাংকিং ফ্রড, ব্রেকঅ্যাওয়ে সিভিলাইজেশন, ইনার আর্থ, ইত্যাদি সম্পর্কে জেনে গেছে। এর মানে তাদের ইনভেন্টরি বৃদ্ধি পাইসে, কিন্তু ওই পর্যন্তই। যেটা ঘটা বাকি আছে, সেটা হল একটা ইন্টারনাল অ্যালকেমিক্যাল ট্রান্সফরমেশন। এটা যার ঘটবে, তার আচার আচরণ বদলে যাবে। তার ওয়ার্ল্ডভিউ বদলে যাবে। সে আগে যা যা করতো, এখনও ঠিক তাই তাই করবে না। তার তৃতীয় নয়ন খুলে যাবে, এবং সে নিজেই বুঝবে পারবে কোথায় কোথায় সবাই ধরা খাচ্ছে। সে তখন আর মিডিয়াতে আজকে কে রেপড হল, কাল কে গাড়ি চাপা পড়ল, কোন আস্তিক কোন নাস্তিককে কি বলল, এইসব খুচরা ফাঁপরের ঘোড়ার ডিম নিয়ে সারাক্ষণ মাথাটাকে ব্যস্ত করে রাখবে না। কারণ সে বুঝতে পারবে যে তাকে ব্যস্ত রাখাই আমাদের সরকার আর তাদের ড্রেকো মালিকদের কাজ। সে তখন সময় ব্যয় করবে ড্রেকোরা কীভাবে আমাদেরকে বলদ বানায়ে রাখসে, সেটার পিছনে। আস্তে আস্তে সে পরিস্কার দেখতে পাবে পৃথিবীর সম্পূর্ণ অন্য এক চেহারা। তখন আর তাকে বেশী কিছু বলে দিতে হবে না, সে নিজেই বুঝতে পারবে কেন পৃথিবীতে এত সমস্যা, আর এই দাসত্ব থেকে মুক্তি পেতে হলে কি করতে হবে।

No comments:

Post a Comment