Thursday, October 1, 2015

draco part 2 (in bengali)

ড্রেকো ২

রেসপন্স ঠিকমত না পাওয়া গেলে লিখার ইন্সপিরেশন পাওয়া যায় না, এটা অবশ্য ইগো, ভ্যান গগের কথা তো  আমরা জানিই -- ওর আপন ভাই ছিল পেইন্টিং না অ্যান্টিক্স সেলসম্যান, কিন্তু বেটা বলদ নিজের ভাইয়ের মাস্টারপিসগুলা অ্যাপ্রিশিয়েট করেনি। যাই হোক, আমি তাহমিনা আমিরের কমেন্টস পেয়েই খুশি। ড্রেকোরা কারা আর ওরা কি করে, এটা জানা তো আসলে খুব সহজ। যেটা সহজ না, সেটা হল আমাদের প্রত্যেকের যে একটা কৃত্রিম বিলিফ সিস্টেম আছে, হিন্দু মুসলিম আস্তিক নাস্তিক যেটাই হোক, আমাদের কালচারালি মানুফাকচারড "কমন সেন্স", আমাদের discern করার যে ক্ষমতা, কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা -- এই পুরা প্যারাডাইমটাই প্রচন্ডভাবে ব্রেইনওয়াশড। আমার ফ্যানাটিক বন্ধু আহমদ -- আমি যাই লিখি, সে বলে এটা ফিকশন। সে সিলিকন ভ্যালীতে কাজ করা সিক্স ফিগার বেতনের একজন এঞ্জিনিয়ার -- কাজেই সে আমার চেয়ে বেশী বোঝে। অথচ স্কুলে যখন আমরা খুব কম্পিটিশন দিতাম ফাইনালের সময় -- তখন কিন্তু ওকে আমি কোনদিন খেয়ালই করিনি। ওর নামও জানতাম না। এগুলা সবই ইগোর বিষয়। কিন্তু আমার এগুলা বলার পিছনে একটা এজেন্ডা আছে। আমি যে কাজটা এই লেখার মাধ্যমে একমপ্লিশ করতে চাচ্ছি সেটা জানামতে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলার মধ্যে একটা, নেমলি, আনপ্লাগিং ফ্রম দি মেট্রিক্স।

ধর্ম টাকা সরকার কালচার -- এই চারটা হল আমাদের মগজ ধোলাইয়ের যে খাঁচা তার চারটা পিলার। এই খাঁচা হল মনখাঁচা, একে চোখে দেখা যায় না, এবং এর দরজা ভিতর দিক থেকে তালা দেয়া। গত সাত আট বছরে কোন বাঙ্গালিকে কানে ধরেও এই খাঁচা থেকে টেনে বের করতে পারিনি। দুই একজনকে দেখে মনে হয়েছে যে এরা হয়ত জেগে উঠবে, কিন্তু না, কয়দিন গেলেই দেখি আবার যে কে সেই -- ব্যাক ইন্টু দি মেট্রিক্স। ক্যোঁৎ করে আবার গিলে ফেলসে। তো এই জন্য আমি চাই এত কষ্ট করে বাংলা টাইপ করাটা একটু সার্থক হোক। একটু অর্থপূর্ণ হোক। কারণ সেটা যদি না হয়, তাহলে আর কোন জীবনেও এই আওয়ামী-র টাইপের গারবেজ সরকারের হাত থেকে বাঁচার কোন সম্ভাবনা থাকবে না। সেই থোড় বড়ি খাঁড়া আর খাঁড়া বড়ি থোড় চলতেই থাকবে জীবন যতদিন আছে।

ড্রেকো কারা এটা জানার আগে যে জিনিষটা জানা বাঞ্ছনীয় তা হল যে পৃথিবীর সব দেশে একদল মানুষ "জেগে উঠেছে" -- তারা মেট্রিক্স থেকে আনপ্লাগড। আমি এই এয়োকেন্ড গ্রুপের একজন সদস্য। আমি যা কিছু বলি বা লিখি সব কিছু এই গ্রুপের কাছে থেকে জানি, খুব সাবধানে ঝাড়াই বাছাই করি, বোঝার চেষ্টা করি কোনটা সত্যি আর কোনটা মিথ্যা। তারপর নিজের ইন্টেলিজেন্স এক্সপেরিএন্স হায়ার সেলফ ইত্যাদি অ্যাপ্লাই করে একটা ওয়ার্কিং হাইপোথিসিস দাঁড় করাই। এই হাইপোথিসিসটা গত কয়েক বছরে অনেকবার রিফাইন্ড হয়েছে, কিন্তু মূল বিষয়টা পরিবর্তন হয়নি।

এখন আমি সংক্ষেপে ড্রেকো কারা এটা বলি। (বাব্বাহ, অবশেষে!) ইসলাম ধর্মে যে ফেরেস্তাদের কথা বলা হয়েছে, সেই রকমের কিছু অতিমাত্রিক (হায়ার ডিমেনশনাল বা মাল্টি-ডিমেনশনাল) প্রাণী আছে যারা "নেগেটিভ" বা মানব বিরোধী। এদের সাথে যদি আমাদের কখনও দেখা হয়, তাহলে এরা খুব সহজে আমাদের কাছে নিজেদেরকে ঈশ্বর হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে বা পারবে। এই ধরা অনেকেই খেয়েছেন। আশিয়ানা ডীন এর মত কিছু মানুষ দাবি করে যে মানব সভ্যতা ৯৮০ বিলিয়ন বছরের পুরানো। কিসের ভিত্তিতে এই দাবী করতে পারছে এটা জানতে হলে ৮-১০ গিগা ম্যাটেরিয়াল নেট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। ওখানে ইনফরমেশনের পাহাড় আছে। যে পরিমান ডিটেইলে সব কিছু বলা, তাতে আপনাদের ঘাবড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশী। খুব দ্রুত বুঝতে পারবেন যে আপনি যা ভেবেছিলেন, আর প্রকৃত সত্যের মধ্যে কতখানি ফারাক। কিন্তু আবার ওখানে যা লেখা সব সত্যি হিসাবে ধরে নেয়াটাও ঠিক হবে না। কারণ প্রত্যেকটা সোর্সের একটা এজেন্ডা থাকে।

তো ওই ফেরেস্তার মত প্রাণীদের কে বলা হয় ফলেন এঞ্জেলস (fallen angels) যেটার সাথে ইসলামের ইবলিশের অনেক মিল। এরা মানুষকে কন্ট্রোল করার জন্য বেশ কিছু পদ্ধতি নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করেছে। অনেকে মনে করে রেপ্টিলিয়ান (সাপ বা ডাইনোসর) অথবা ড্রেকো (ড্রাগন) এই প্রাণীগুলা মানুষের ডিএনএর সাথে অন্য প্রাণীর ডিএনএ মিশায়ে বানানো। এরা দেখতে খুবই ভয়ঙ্কর। আমি মনে করি এরা এখনও আছে। কিন্তু পরবর্তীতে ফলেন এঞ্জেলসরা এদের স্ট্রাটেজি চেঞ্জ করে। ওরা ১৩টা ব্লাডলাইন তৈরি করে যাদেরকে ওরা এমকে-আল্ট্রা (এম কে হল মাইন্ড কন্ট্রোল) প্রোগ্রামের মধ্যে দিয়ে কন্ট্রোল করতে পারে। খুব সহজভাবে বললে, এই ব্লাডলাইন ফ্যামিলির ছেলেমেয়েদের এরা খুব ছোট বয়স থেকে trauma based mind control প্রোগ্রামের মাধ্যমে ওদের সোউলটাকে কোনঠাঁসা করে ফেলে ওদের বডিটাকে কন্ট্রোলে নিয়ে নিতে পারে। ব্যাপারটা জীনে ধরার মত -- যার শরীর সে আর কন্ট্রোলে থাকে না। আল্টিমেটলি যেটা দাঁড়ায়, আমরা এদেরকে মানুষের মতই দেখি, কিন্তু আসলে এরা অন্য প্রাণী দিয়ে কন্ট্রোলড হচ্ছে। এই ব্লাডলাইন গ্রুপের অন্যতম হল রথসচাইল্ডসরা। এরা পৃথিবীর সমস্ত ব্যাঙ্কিং কন্ট্রোল করে। আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংকের মালিক এরা। এখন বোঝেন।

এখানে সাইড লাইনে আমার একটা ব্যক্তিগত ধারণা যে মুজিব, হাসিনা, জয়, এরা মনে হয় রেপ্টিলিয়ান। এরা প্রচণ্ড সেলফিশ, পাওয়ার হাংগ্রি, এপাথেটিক হয়, আর এদের কোন এম্পাথি বা দয়া মায়া মানবতা, এগুলা থাকে না।

তো এই ড্রেকোদের পৃথিবীব্যাপী যে শুঁড়, শিরা উপশিরা ছড়ানো, সেই মেকানিজমটার নাম হল ফ্রি মেসনরি। এরা আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে প্রত্যেকটা দেশের পলিটিক্স কন্ট্রোল করে। আমাদের দেশের এনজিওগুলা হল এদের কাভার। বিভিন্ন রকম ছদ্মবেশে এরা আমাদের দেশে ঢোকে আর গোপনে চরম ক্ষতি করতে থাকে। কম্ বেশি প্রত্যেকটা দেশের সরকার এদের হাতের পুতুল। এরা ছলে বলে কৌশলে, বিভিন্ন সেক্সুয়াল স্ক্যান্ডাল, পিডোফিলিয়া, হোমো সেক্সুয়ালিটি, ইত্যাদিকে চরমভাবে ব্যবহার করে পলিটিশিয়ানদের ব্ল্যাকমেইল করার কাজে। অনেক পলিটিশিয়ানদের এরা সেক্স স্লেভ গিফট দেয় আর ওদের কাজ কর্ম ভিডিও করে রাখে। যার যেখানে দুর্বলতা সেটাই এরা কাজে লাগায়। একই কাজ এরা মিলিটারি পুলিশ আর ইন্টেলিজেন্সের লোকদের সাথেও করে। যে কারণে দেখা যায় আমাদের দেশের মত তথাকথিত গরীব দেশে যে সরকারই গদিতে বসে, সবাই একই রকম চুরি ডাকাতি বেইমানি করতে থাকে, কারণ, কারও বাপের সাধ্য নাই যে এরা ড্রেকোদের বিরুদ্ধে না বলার মত সাহস রাখে।

কি বুঝলেন? গাঞ্জা খেয়ে এইসব লিখসি, তাই না? হু -- অনেক বছর ধরেই এইসব শুনে আসছি। গাঞ্জা আমি অনেক খাইসি জীবনে এবং আশাকরি আরও অনেক খাবো। কিন্তু ব্যাপার হল, যথেষ্ট পরিমাণ বুদ্ধি যার মাথায় অটুট আছে সে আন্দাজ (intuit) করতে পারবে যে আমার প্রত্যেকটা কথা সত্যি। এখন করণীয় কি? সেই বিষয়ে আলাপ করবো আরেকদিন। আপাতত এইটুকু হজম করার চেষ্টা করেন।

No comments:

Post a Comment