Sunday, October 11, 2015

draco part 11 (in bengali)

ড্রেকো ১১

জানিনা আজকে কোন গ্যালাক্টিক এনার্জি ব্লাস্ট ছিল কিনা, সারাদিন মেজাজটা বেশ চড়ে ছিল। মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের মানুষকে কোন কিছু বলেই কোন লাভ নাই। এরা ওই শাড়ি গহনা মোবাইল মান্না দে হুমায়ুন আহমেদ আর হানিফ সংকেত পাইলেই খুশি। জমিজমা গাড়িবাড়ি কাচ্চাবাচ্চা খাওয়াদাওয়া বকরবকর। আর্থসোউল যারা, তাদের জন্য এটাই ঠিক আছে, কারণ তারা হাজার হাজার লাইফ ধরে এটাই করে আসছে। কিন্তু আমার মত যারা অন্য স্টারসিস্টেম থেকে আসা, যেমন আমি সম্ভবত আর্কটুরিয়ান, তাদের জন্য পৃথিবীর জীবনটা খুব বিরক্তিকর আর বোরিং। ইন্ডিগোরা তো অনেকেই ওদের পাস্ট লাইফ মনে রাখতে বা মনে করতে পারে, ওদের জন্য পৃথিবীতে খাপ খাওয়ানো আরও কঠিন। তাই বলে ভাববেন না যে কেউ কারও চেয়ে উপরে; আমরা বিভিন্নজন ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন লেভেলে থাকলেও, আল্টিমেটলি, সবাই সমান, এবং আমাদের থেকে অনেক অনেক উন্নত ইটিরাও আমাদের বলে যে একদিন আমরাও ওদের মত হব বা আরও বেশী উন্নত হব। কিন্তু সেই উন্নতি করতে হলে আমাদের কিছু কিছু জিনিষ বুঝতে হবে প্রথমে -- যেমন ধর্ম -- এটা সম্পূর্ণ ভুয়া একটা জিনিষ যেটা ড্রেকো বা আনুনাকিরা আমাদের উপরে চাপায়ে দিসে -- যাতে আমাদের স্পিরিচুয়াল উন্নতি না হয় বা খুব কম হয়। এখন একজন এভারেজ বাঙালি তো সহজে এটা মেনে নিতে পারবে না, কারণ তাকে সারা জীবন বলা হইসে আল্লাহর ভয়ে কুঁকড়ে থাকতে। কেন বলা হইসে, এবং কে এই আল্লাহ? অনেকে মনে করে আল্লাহ হয়ত একজন রেপ্টিলিয়ান, আনুনাকি, বা এলহিম টাইপের কোন "ফলেন এঞ্জেল" যাকে অনেকেই ইয়াহওয়ে নামে জানে -- যে একজন কুখ্যাত ভেঞ্জফুল গড নামে পরিচিত। কোনটা সত্যি বা মিথ্যা আমি আসলে প্রমাণ করতে পারবো না, তবে সত্যটা প্রকাশিত হতে আর খুব বেশীদিন সময় লাগবে না। আমাদের ক্লাস ফাইভের ইসলামিয়াৎ বইতে যে গল্পটা আমরা সবাই অক্ষরে অক্ষরে বিশ্বাস করে বসে আছি, আসল ঘটনা অতটা সরল না। ইসলাম বিস্তারের পিছনে ভ্যাটিকানের ড্রেকোদের অনেক হাত ছিল কারণ ওরা ইসলামকে কাজে লাগায়ে খ্রিসচিয়ানিটি আর জুডাইজমকে অনেক বাঁশ দিসে।

আমাদের মাল্টিভারসটা হল গিয়ে মাল্টিডিমেনশনাল। এর অর্থ, একটা রেডিওতে যেমন মাল্টি-চ্যানেল থাকে, যেগুলা সঠিক ফ্রিকোয়েন্সিতে ডায়াল করলে ধরা যায়, ঠিক সেরকম, আমাদের তৃতীয়মাত্রিক রিয়ালিটিটাও একটা চ্যানেল মাত্র। এরকম আরও অসংখ্য চ্যানেল আছে যেগুলা অন্য ফ্রিকোয়েন্সিতে বিরাজ করছে। আমরা যদি ফ্রিকোয়েন্সি বদলাতে পারি, তাহলে অন্য ডিমেনশনে যেতে পারবো। যারা খুব বেশী উন্নত ইটি, ওরা ওদের কনশাস্নেস দিয়ে ইন্টারডিমেনশনাল ট্র্যাভেল করতে পারে, আর ড্রেকোদের মত যারা তুলনামুলকভাবে কম উন্নত, তারা টেকনোলজি ব্যবহার করে অন্য ডিমেনশনে যেতে পারে। আমি যে প্রোজেক্ট রেইনবো বা ফিলাডেলফিয়া এক্সপেরিমেন্টের কথা বলসি এর আগে, ওটা ছিল একটা ইন্টারডিমেনশনাল পোর্টাল টেকনোলজি, অর্থাৎ আমাদের ইলুমিনাটি কাবালের ইন্টারডিমেনশনাল ট্র্যাভেল করার অ্যাবিলিটি আছে। CERN টেকনোলজিটাও এধরনের কাজে ব্যবহার করা হয় বলে মনে করা হয়। তবে CERN কে বলা হয় বিলিফ সিস্টেম টেকনোলজি -- এটার সাথে সম্ভবত ব্ল্যাক গু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটা কানেকশন আছে, যেটার কথা আরেকদিন বলসি। এই এআই টা আমাদেরকে ধর্মভীরু বানানোর একটা মাইন্ড কন্ট্রোল টেকনোলজি। যারা এইসব বিষয়ে কখনও কিছু পড়েনি, তাদের আমার এইসব কথা শুনে সম্ভবত মনে হবে যে আমি একটা বদ্ধ পাগল। কিন্তু আসলে আমরা সবাই একটা প্রচন্ড গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার, যেটার কমপ্লেক্সিটি আমাদের কমন সেন্সের অনেক অনেক বাইরে। আমার নিজের কনশাস্নেস্টাকে এইখানে আনতে অনেক অনেক পড়াশুনা করতে হইসে, এটা বলাই বাহুল্য। কিন্তু শুধুমাত্র পড়াশুনা দিয়ে যে এটা করা সম্ভব, তাও আমি মনে করি না। এখানে একসাথে অনেকগুলা ফ্যাক্টর কাজ করতে হইসে। এখন আমি স্পষ্ট বুঝি যে আমি একটা দলের সদস্য, যারা সবাই এই ডিমেনশনে আসছি একটা মিশন নিয়ে। এটা না হলে, আমি গত ৫/৭ বছর ধরে যা করে যাচ্ছি, এটা করা সম্ভব হত না।

যাদের ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামুলকভাবে হাই, তারা আমার কথাগুলা পড়ে এফেক্টেড হবেন। আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ যদি আমার লেখা পড়তে মজা পান, তাহলে বুঝবেন যে সাবকনশাস লেভেলে আপনি এক্টিভেটেড হওয়া শুরু করসেন। আপনার একটা এনারজেটিক ট্র্যান্সমিউটেশন শুরু হয়ে গেসে। সম্ভবত খুব শিগগিরই আপনি এক্টিভেটেড হয়ে যাবেন। যাদের ফ্রিকোয়েন্সি লো, তারা আমার লেখা সম্ভবত পড়তেই পারবে না, বা পড়লেও, তেমন কোন আগ্রহ বোধ করবে না। ওদের কাছে আমার সব কথা আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে মনে হবে। কিন্তু আসলে, প্রত্যেকটা গ্রহের বিভিন্ন ডিমেনশনে অজস্র মানুষ আর ইটি আছে। শুধু আমরাই ওদের থেকে বিচ্ছিন্ন। শুধু আমরাই কারও কথা জানিনা বলে ভাবি যে পুরা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে আমরা ছাড়া বুঝি আর কেউ নাই। কিন্তু এটা যে কত বড় একটা মগজ ধোলাই, সেটা যেদিন কোন রকম সন্দেহ ছাড়া বুঝতে পারবো, সেদিন নিশ্চয়ই তাজ্জব হয়ে যাবো।

এখন একটা কথা বলে আজকের মত শেষ করবো, সেটা হল, আপনারা কেউ কেউ হয়ত ভাবছেন, সবই তো বুঝলাম, কিন্তু প্রমাণ কোথায়? এখানে বলা দরকার যে পশ্চিমা বিশ্বে কিন্তু অল্টারনেটিভ মিডিয়া দিন দিন পপুলার হচ্ছে আর শতশত রেডিও টিভি ইন্টারনেট শো প্রতিদিন হচ্ছে যা সম্পর্কে আপনাদের কোন ধারণা থাকার কথা না। কিন্তু আমার জানার আপডেটগুলাতো আমি ওখান থেকেই পাচ্ছি। তাহলে আপনাদের কি মনে হয় যে কোন প্রমাণ ছাড়াই এতগুলা হাইলি ইন্টেলিজেন্ট (আমার মত বা আরও অনেক বেশী!) মানুষ টাকা পয়সা ক্যারিয়ারের মায়া ছেড়ে বেকুবের মত এইসব অপকর্ম করে যাচ্ছে? মোটেই তা নয়। ঘটনাটা আসলে উলটা -- যার ফ্রিকোয়েন্সি যত হাই, সে তত তাড়াতাড়ি ব্যাপারটা ক্যাচ করতে পারছে। এতে আবার আপনারা কেউ অফেন্ডেড হবেন না কিন্তু! আমাদের ধর্ম শিক্ষা ব্যাংকিং সরকার মিডিয়া, এর সবগুলা মিলে তৈরি করা হইসে একটা মনখাঁচা। এই মনখাঁচার ভিতরে আমরা সবাই আটকা পড়ে জীবনটাকে একভাবে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এই ব্যাপারটা একদিনে ঘটেনি, হাজার হাজার বছর ধরে আস্তে আস্তে আমাদেরকে বানানো হইসে। কাজেই, এই খাঁচা ভেঙ্গে বের হতে আমাদের কিছুটা সময় লাগবে। পরিবর্তনটা আসবে আস্তে আস্তে। খুব ধিরে ধিরে আপনারা বুঝতে পারবেন ঘটনা আসলে অন্য। আমরা সবাই মিলে এতদিন যা ভেবে এসেছি, রহস্য তার থেকে অনেক অনেক বেশী জটিল!

No comments:

Post a Comment